এম. জসিম উদ্দিন ছিদ্দিকী :
কক্সবাজার শহরতলীর কলাতলী বাইপাস রোডের পুলিশ লাইনের সন্নিকটে ভূমিদস্যু কর্তৃক পাহাড় কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনের তোয়াক্কা না করে ভূমিদস্যুরা
প্রতিনিয়ত পাহাড় কাটলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোন মাথা ব্যথা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। কর্তিত পাহাড় সংলগ্ন জোত জায়গার মালিক জনৈক আবু বক্কর ছিদ্দিক এই অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কক্সবাজারস্থ আঞ্চলিক পরিবেশ অধিদপ্তর অফিসে ৮ জানুয়ারী লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা পুলিশ লাইনের সন্নিকটে ঝিলংজা মৌজার আওতায় উক্ত জায়গায় স্থিত সরকারী ও জোত পাহাড় জবর দখলের উদ্দেশ্যে নির্বিচারে কর্তন শুরু করে। এলাকাবাসীর শত বাধা সত্বেও কর্তন বন্ধ না করায় চিহ্নিত পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা রুজু হয়। উক্ত মামলায় অভিযুক্তরা হলো, কক্সবাজার শহরের উত্তর রুমালিয়ারছড়া এলাকার মৃত হাজী ছিদ্দিক আহমদের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪৮), উখিয়ার জালিয়া পালং এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে দিদারুল আলম (৪৫), কলাতলীর নতুন জেল গেইট এলাকার মৃত আবদুল জলিলের ছেলে শফিক আলম (৩৫), আতহারুল্লাহ’র ছেলে গোলাম সুলতান (৪২), গোরা মিয়ার ছেলে ছৈয়দ আলম (৩৬)সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন। মামলার বাদী শহরের মধ্যম নুনিয়ারছড়া এলাকায় মাষ্টার শহর মুল্লুকের ছেলে আবু বকর ছিদ্দিক।
এদিকে রুজুকৃত মামলায় জামিন পেয়ে উল্লেখিত আসামীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গত ৫ জানুয়ারী সকাল ১০টার দিকে সরকারী ও জোত জায়গায় ফের পাহাড় কাটতে গেলে বাদী বাধা দেন। এর জের ধরে ভূমিদস্যুরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে এবং লম্বা কিরিচ দিয়ে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে ধাওয়া করে বলে সে অভিযোগ করেছে। এক পর্যায়ে পালিয়ে গিয়ে সে ভমিদস্যুদের কবল থেকে রক্ষা পান। মামলার উক্ত বাদী বর্তমানে ভূমি দস্যুদের ভয়ে তটস্থ রয়েছে। অভিযোগে আরো জানা গেছে, উল্লেখিত ভূমিদস্যুরা কক্সবাজার শহরের সিটি কলেজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অনুরূপভাবে পাহাড় কর্তন করে আসছে। ভাড়াটিয়া হিসাবেও তারা পাহাড় কর্তন করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কক্সবাজার শহরতলীর কলাতলী বাইপাস রোডের পুলিশ লাইনের সন্নিকটে ভূমিদস্যু কর্তৃক পাহাড় কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনের তোয়াক্কা না করে ভূমিদস্যুরা
প্রতিনিয়ত পাহাড় কাটলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোন মাথা ব্যথা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। কর্তিত পাহাড় সংলগ্ন জোত জায়গার মালিক জনৈক আবু বক্কর ছিদ্দিক এই অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কক্সবাজারস্থ আঞ্চলিক পরিবেশ অধিদপ্তর অফিসে ৮ জানুয়ারী লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা পুলিশ লাইনের সন্নিকটে ঝিলংজা মৌজার আওতায় উক্ত জায়গায় স্থিত সরকারী ও জোত পাহাড় জবর দখলের উদ্দেশ্যে নির্বিচারে কর্তন শুরু করে। এলাকাবাসীর শত বাধা সত্বেও কর্তন বন্ধ না করায় চিহ্নিত পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা রুজু হয়। উক্ত মামলায় অভিযুক্তরা হলো, কক্সবাজার শহরের উত্তর রুমালিয়ারছড়া এলাকার মৃত হাজী ছিদ্দিক আহমদের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪৮), উখিয়ার জালিয়া পালং এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে দিদারুল আলম (৪৫), কলাতলীর নতুন জেল গেইট এলাকার মৃত আবদুল জলিলের ছেলে শফিক আলম (৩৫), আতহারুল্লাহ’র ছেলে গোলাম সুলতান (৪২), গোরা মিয়ার ছেলে ছৈয়দ আলম (৩৬)সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন। মামলার বাদী শহরের মধ্যম নুনিয়ারছড়া এলাকায় মাষ্টার শহর মুল্লুকের ছেলে আবু বকর ছিদ্দিক।
এদিকে রুজুকৃত মামলায় জামিন পেয়ে উল্লেখিত আসামীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গত ৫ জানুয়ারী সকাল ১০টার দিকে সরকারী ও জোত জায়গায় ফের পাহাড় কাটতে গেলে বাদী বাধা দেন। এর জের ধরে ভূমিদস্যুরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে এবং লম্বা কিরিচ দিয়ে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে ধাওয়া করে বলে সে অভিযোগ করেছে। এক পর্যায়ে পালিয়ে গিয়ে সে ভমিদস্যুদের কবল থেকে রক্ষা পান। মামলার উক্ত বাদী বর্তমানে ভূমি দস্যুদের ভয়ে তটস্থ রয়েছে। অভিযোগে আরো জানা গেছে, উল্লেখিত ভূমিদস্যুরা কক্সবাজার শহরের সিটি কলেজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অনুরূপভাবে পাহাড় কর্তন করে আসছে। ভাড়াটিয়া হিসাবেও তারা পাহাড় কর্তন করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

0 Comments