Advertisement

শহরে ডাক্তার কেন্দ্রিক দালালরা সক্রিয়: রোগীরা হয়রানীর শিকার


বাবুল মিয়া মাহমুদ:
ককসবাজার শহরে চিকিৎসা সেবায় দালালদের খপ্পরে পড়ে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে শারিরীক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা রোগী ও রোগীর
অভিভাবকরা। অনেকে গ্রামাঞ্চল থেকে নিজেদের সহায় সম্বল বিক্রি করে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরের বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতাল এলাকায় আসলে উৎপেতে থাকা দালালদের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের সদর হাসপাতাল, হাসপাতাল সড়ক, পেট্রোল পাম্প, পানবাজার সড়ক, বৌদ্ধ মন্দির রোড, কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ রোড এলাকাও বিভিন্ন হাসপাতাল,ক্লিনিকের সামনে মহিলা ও পুরুষ দালালরা ফাঁদ পেতে অপেক্ষা করেএবং অখ্যাতও অনভিঞ ডাক্তারদের গুণ কিত্তন করে রোগী ভাগিয়ে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা সহজ, সরল চিকিৎসা প্রত্যাশীদের অদক্ষ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নয় এমন ডাক্তারদের ক্লিনিক ও চেম্বার গুলোতে নিয়ে অহেতুক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানান, অনেক রোগীরা দালালের খপ্পরে পড়ে সব কিছু হারাচ্ছে। এমন কিছু অনভিজ্ঞ ডাক্তার আছেন যারা সব বিষয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে রোগীদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি জীবন নিয়ে ও ছিনিমিনি খেলছে। যা খুবই অমানবিক ও অন্যায় বটে।এক পর্যবেক্ষনে দেখা যায়,দালালদের মাধ্যমে যাওয়া সে সব প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা রির্পোটে ভুলের ছড়াছড়ি বিশেষ করে আলট্রাসোগ্রাফী করে শহরে অহরহ ডাক্তার কিন্তু তাদের অধিকাংশ রিপোর্টে ভুল রয়েছে। যে, সব রিপোটে বিশেষঞ ডাক্তাররা চিকিৎসা দিতে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় বলে জানা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন বিশেষঞ ডাক্তার জানান, যে রোগীর জন্য যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রযোজ্য রোগীরা না বুঝলেও আমাদের (ডাক্তার) উচিত রোগীকে সঠিক পরামর্শ দেওয়া। জেলা সদর হাসপাতালে দালালের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া প্রসংগে হাসপাতাল কতৃপক্ষের দালাল নিরোধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে জেলা সদর হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডাক্তার অজয় ঘোষ বলেন,আমাদের হাসপাতালে কোন দালাল দেখলে ধরে ইতিপূর্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবংবর্তমানে দালালের ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবেনা বলে জানান।
সচেতন মহলের অভিমত, সেবার মনমানসিকতা বর্জিত কতিপয় ডাক্তার নামধারী কসাইদের ব্যাপারে এবং দালালদের বিষয়ে চিকিৎসা সেবা প্রার্থীদের সচেতন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারী জরুরী।

Post a Comment

0 Comments