এম. আমান উল্লাহ
চটকধারী বিজ্ঞাপন, লোভনীয় পোষ্টারিং ও মূল সড়কের মোড়ে ব্যানার টাঙ্গিয়ে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব ও ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা কার্যক্রমের নাম ভাঙ্গিয়ে শিক্ষার্থীদের
বলির পাঠা বানিয়ে গলা কাটা বাণিজ্য চালিয়ে যা”েছ টিউলিপ ন্যাশনাল একাডেমী নামের একটি কথিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সূত্রে জানা যায়, পহেলা জানুয়ারী ২০১১ সালে মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটার আলীশান রোড¯’ ন্যাদারল্যান্ডের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী ফ্রেব বাংলাদেশ কিশোরী অধিকার সহায়তা নামের একটি ন্যাদারল্যান্ডের অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হয় বলে জানা যায়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অধিবাসীদের রঙ্গিন স্বপ্ন দেখিয়ে প্রথমে নিয়ে আসা হয় অফিসে। প্রতিষ্ঠানের নাম সম্বলিত মাইক্রো বাস যা দেখে সহজে আটকা পড়ে প্রতারণার ফাঁদে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানের পরিচালক ও প্রধান ¯’ানীয় প্রভাবশালী নেতার আতœীয় বলে জানা যায়। পরিচালকের চরিত্রহীনতা, অব্যব¯’াপনা ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন ভাতা না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতের প্রদর্শন সহ নানা অভিযোগ মিলেছে। ফলে এ পর্যন্ত ১৫ জন শিক্ষক শিক্ষিকা চাকুরি ছেড়ে চলে যান। অনেক ক্ষেত্রে চাকুরি ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেউ আসছে আবার কেউবা যা”েছ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যাওয়া আসার এ দোলাচলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হ”েছ, দাবী অভিভাবকদের। একাডেমীর শুর“তে ঝাক ঝমকপূর্ণ ছাত্রছাত্রী ছিল। পরে সচেতন অভিবাককগণ আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব ও ইংলিশ মিডিয়ামের নামে প্রতারণা ও গলাকাটা বাণিজ্য’র বিষয়টি টের পেয়ে সন্তানদেও নিয়ে এসে ভিন্ন স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। এখন হাতে গুনা কয়েক জন আতœীয় স্বজনের ছেলে মেয়ে নিয়ে এই স্কুল চলে। অন্যদিকে টিউলীপ ন্যাশনাল একাডেমী ও ফ্রেব বাংলাদেশ এনজিও সেবার নামে ভূঁয়া কাগজ পত্র তৈরী কওে প্রতি বছর নেদারল্যান্ড সরকারের কাছ থেকে মোটা অংকের বাজেট নিয়ে আসে। কিš‘ এই টাকা সেবার নামে পরিচালক নিজের পকেটে নেন। ¯’ানীয় কিছু সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে এই কাজ চালিয়ে আসছে প্রতারক পরিচালক।

0 Comments