ঈদগাঁ প্রতিনিধি
দক্ষিণ চট্টলার বাণিজ্যিক বাজার হিসেবে পরিচিত বৃহত্তর ঈদগাঁও বাজারে শব্দ দূষণ চরম রূপ ধারণ করেছে।সরেজমিনে দেখা যায় বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের পার্শ্ববর্তী সাত ইউনিয়ন তথা ইসলামাবাদ , ইসলামপুর , জালালাবাদ , পোকখালী , চৌফলদন্ডী , ভারুয়াখালী ও খুটাখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষগুলো এ ঈদগাঁও বাজারে তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বেচাকেনায় করতে আসায় হাট বাজার না হলেও এ বাজার প্রতিদিন হাট বাজারের মত থাকে। অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত এ বাজারে গিজ গিজ করতে থাকায় হাজার হাজার মানুষের আওয়াজ , রিকশার , টেম্পু , সিএনজি , টেকসি , মাহিন্দ্রা , জিপ ও ড়াম্পার ইত্যাদি গাড়ীর হুইসেলের কারণে শব্দ দূষণ চরম হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে এ বাজারে অসংখ মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান থাকায় রাত দিন সকাল হতে গভীর রাত অবধি বিদ্যুৎ থাকলে অনবরত বিভিন্ন মোবাইলের রিং টুন, হিন্দী, বাংলা গান অনবরত বাজতে থাকে। বিদ্যুৎ না থাকলেও অধিকাংশ মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে উচ্চ পাউয়ার সম্পন্ন আই,পি,এস থাকায় সারাক্ষণ লাউড সাউন্ডে গান বাজাতে থাকায় বাজারে আসা লোকজন একে অপরের সাথে কথা বললেও শুনতে পায়না। কথা বলতে চাইলে বাজার থেকে বেরিয়ে আলাপ করতে হচ্ছে। এমনকি কারো সাথে ফোনে আলাপ করতে চাইলেও বাইরে আসতে হচ্ছে। বাজারে আসলে যেন মনে হয় এটা বাজার নয়, এটা কোন বিয়ে বাড়ী অথবা ব্যান্ড সো দিয়ে একটা অনুষ্ঠান চালানো হচ্ছে। এ অনুষ্ঠান যেন বন্ধ হওয়ার অনুষ্ঠান নয়। রাতের বেলায় যখন প্রায় দোকানদাররা বাড়ীতে চলে যায় কাষ্টমারদের দেয়া মোবাইল মেরামত করার জন্য তখনও এ সার্ভিসিংয়ের দোকান খোলা থাকে। দোকান খোলা থাকায় গানও অনবরত একই গতিতে বাজাতে থাকায় বাজার এলাকার পার্শ্ববর্তী ভাড়া বাসায় অবস্থানরত মানুষগুলো শান্তিতে ঘুমাতে পারতেছেনা। এরকম শব্দ দূষণ চলতে থাকলে বাজারে অবস্থানরত মানুষগুলোর মাথা ব্যাথা ,স্বায়ু রোগ,কানের বিভিন্ন মারাক্তক রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদগাঁও ইউনিয়ন শ্রমিক নেতা জামাল উদ্দিন এরকম লাউড সাউন্ডে গান না বাজিয়ে স্লো সাউন্ডে গান বাজানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করতে বাজার কমিঠির নিকট জোরালো দাবী জানান ।
দক্ষিণ চট্টলার বাণিজ্যিক বাজার হিসেবে পরিচিত বৃহত্তর ঈদগাঁও বাজারে শব্দ দূষণ চরম রূপ ধারণ করেছে।সরেজমিনে দেখা যায় বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের পার্শ্ববর্তী সাত ইউনিয়ন তথা ইসলামাবাদ , ইসলামপুর , জালালাবাদ , পোকখালী , চৌফলদন্ডী , ভারুয়াখালী ও খুটাখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষগুলো এ ঈদগাঁও বাজারে তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বেচাকেনায় করতে আসায় হাট বাজার না হলেও এ বাজার প্রতিদিন হাট বাজারের মত থাকে। অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত এ বাজারে গিজ গিজ করতে থাকায় হাজার হাজার মানুষের আওয়াজ , রিকশার , টেম্পু , সিএনজি , টেকসি , মাহিন্দ্রা , জিপ ও ড়াম্পার ইত্যাদি গাড়ীর হুইসেলের কারণে শব্দ দূষণ চরম হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে এ বাজারে অসংখ মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান থাকায় রাত দিন সকাল হতে গভীর রাত অবধি বিদ্যুৎ থাকলে অনবরত বিভিন্ন মোবাইলের রিং টুন, হিন্দী, বাংলা গান অনবরত বাজতে থাকে। বিদ্যুৎ না থাকলেও অধিকাংশ মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে উচ্চ পাউয়ার সম্পন্ন আই,পি,এস থাকায় সারাক্ষণ লাউড সাউন্ডে গান বাজাতে থাকায় বাজারে আসা লোকজন একে অপরের সাথে কথা বললেও শুনতে পায়না। কথা বলতে চাইলে বাজার থেকে বেরিয়ে আলাপ করতে হচ্ছে। এমনকি কারো সাথে ফোনে আলাপ করতে চাইলেও বাইরে আসতে হচ্ছে। বাজারে আসলে যেন মনে হয় এটা বাজার নয়, এটা কোন বিয়ে বাড়ী অথবা ব্যান্ড সো দিয়ে একটা অনুষ্ঠান চালানো হচ্ছে। এ অনুষ্ঠান যেন বন্ধ হওয়ার অনুষ্ঠান নয়। রাতের বেলায় যখন প্রায় দোকানদাররা বাড়ীতে চলে যায় কাষ্টমারদের দেয়া মোবাইল মেরামত করার জন্য তখনও এ সার্ভিসিংয়ের দোকান খোলা থাকে। দোকান খোলা থাকায় গানও অনবরত একই গতিতে বাজাতে থাকায় বাজার এলাকার পার্শ্ববর্তী ভাড়া বাসায় অবস্থানরত মানুষগুলো শান্তিতে ঘুমাতে পারতেছেনা। এরকম শব্দ দূষণ চলতে থাকলে বাজারে অবস্থানরত মানুষগুলোর মাথা ব্যাথা ,স্বায়ু রোগ,কানের বিভিন্ন মারাক্তক রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদগাঁও ইউনিয়ন শ্রমিক নেতা জামাল উদ্দিন এরকম লাউড সাউন্ডে গান না বাজিয়ে স্লো সাউন্ডে গান বাজানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করতে বাজার কমিঠির নিকট জোরালো দাবী জানান ।

0 Comments