Advertisement

উখিয়ার হাট-বাজারে খাদ্যের নামে বিষ খাওয়ানো হচ্ছে


কায়সার হামিদ মানিক
গ্রামীণ জনপদ, গ্রাম্য বাজারে টাটকা শাকসবজি ও সুমিষ্ট ফল মূল সেকালে পাওয়া যেতো। একালে তা পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। এখন শাকসবজি, ফলমূল থেকে শুরু করে
মাছ-মাংস সহ সব ধরনের প্রক্রিয়া জাত খাবারে রাসায়নিক বিষ সহ নানা ধরনের ভেজাল মেশানো অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। জীবন রক্ষাকারী ঔষধ ও ভেজাল হচ্ছে। সর্ব গ্রাসী এ ভেজালের কারণে মানুষ নানা জটিল ও দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। ভেজাল ঔষধের কারণে রোগ জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। হয়ে দাঁড়াচ্ছে মৃত্যুর কারণ।  এ যেন ধীর নিরব গণ হত্যা। সরকারী ভাবে মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হলে ও এর কোন প্রভাব পড়ছেনা। আর কমছে না ভেজালকারীদের দৌরাত্ব। ভোক্তভুগী ক্রেতারা জানান, বেপরোয়া ও শক্তিশালী ভেজাল চক্রের বিরোদ্ধে যে ধরনের সাড়াশী অভিযান প্রয়োজন এখন পর্যন্ত সে ধরনের কোন অভিযানের দেখা মিলছেনা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারী এক কর্মকর্তা বলেন, খাদ্য সামগ্রী ঔষধ পত্র সহ সকল ধরনের ভোগ্য পণ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে সরকারকে আরো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কঠোর ভাবে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রন করতে হবে। রমজান মাসে মোবাইল কোটের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে রাসায়নিক পদার্থ পরীক্ষা করেছে এতে আম, কলা, আঙ্গুর, আপেল ও পেঁপেতে বেশি করে রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ক্যালসিয়াম, কার্বাইড দিয়ে এসব ফল পাঁকানো হয়েছে। এছাড়াও এসব ফলে ব্যবহার করা হয়েছে ফরমালিন। যাতে এসব ফল না পঁেচ। ডাক্তার আসাব উদ্দিন বলেন, ব্যবসায়ীরা দুধ ও মাছ সংরক্ষনে ফরমালিন, শুটকি মাছ সংরক্ষনে ডিডিটি ও হেন্টাক্লোর কৃত্রিম উপায়ে ফল পাকাতে ক্যালসিয়াম, কার্বাইড, কপার সালফেট, পটাশের লিকিউড সলিউশন সহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করছে। মাছ, মুরগী, গরু, ছাগল, মোটাতাজা করণে হরমোন ব্যবহার করছে। এসব বিষাক্ত খাদ্যের প্রভাব পড়ছে শিশুসহ সকল বয়সের মানুসের ওপর। শিশুরা কম বয়সেই অস্বাভাবিক ভাবে স্থূল  হয়ে উঠছে। তাছাড়া শ্বাসকষ্ট, এ্যাজমা, গ্যাষ্ট্রিক, লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়া, ক্যানসারসহ নানা ধরনের রোগ আশংকা জনক ভাবে বাড়ছে। সে সঙ্গে প্রাণ রক্ষাকারী ঔষধে ভেজালের ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি মারাত্বক আকার ধারণ করেছে। ভেজালের বিষয়ে শাস্তির যে বিধান রয়েছে তাতে ভেজাল কারীরা ভয় করে না। এসব কারণে দেশে ভেজালের ব্যাপকতা বেড়েছে। উপজেলা স্যানেটারী ইন্সেপেক্টর ডাঃ নুরুল আলম জানান, ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা পরও অসাধু ব্যবসায়ীরা খাদ্যে ভেজাল মিশানো থেকে বিরত থাকছেনা।

Post a Comment

0 Comments