Advertisement

পৌর কর্তৃপক্ষের খবর নেই: শহরের বেওয়ারিশ পাগলা কুকুর বেড়েছে


সরওয়ার কামাল খন্দকার
সারা ককস বাজার, শহর,ওয়ার্ড  জুড়ে কুকুরের সংখ্যা  দিন দিন বাড়ছে। অবাধ বিচরণে শংকিত হয়েছেন কক্সবাজার পযর্টক আগমণকারী জনতা-ছাত্রছাত্রী ও সচেতন
মহল। জেলার গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল জনপথ এ কক্সবাজারে দীর্ঘদিন ধরে কুকুর নিধন অভিযান পরিচালিত হচ্ছেনা । ফলে এলাকায় জ্যামিতিক হারে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের বংশ বিস্তার  ঘটেছে। এ সব অভিভাবকহীন কুকুর প্রতিদিন বাজার ও শহরের অলিগলিতে বেপরোয়া ঘোরাফেরা করে। এদের মধ্যে অনেক কুকুর জলাতংক রোগের জীবানু বহনকারী। এসব পাগলা কুকুর যে কোন মুহুর্তে যে কাউকে কামড়ে দিতে পারে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাতায়তকারী ছাত্রছাত্রী ও প্রাত্যহিক কাজে বাজারে আগত জনগণ প্রতিদিন কুকুর আতংকে ভোগছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া চলতি ভাদ্র মাস কুকুরের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় এ সময়ে স্বভাব সব কুকুরের এক  ধরনের হয়ে থাকে। আর এসব পাগলা কুকুর কামড়ালে যে কেউ মারাত্মক জলাতংক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়তে পারে। তড়িৎ চিকিৎসা ও ভেকসিন গ্রহণ না করলে যে কারো মৃত্যু হতে পারে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করে
  জানায় বর্তমানে জলাতংক অর্থাৎ হাইড্রোফোবিয়া রোগের ভেকসিন যদিও সহজপ্রাপ্য এরপরও তা সময় মত গ্রহণ না করলে পরবর্তীতে রোগীর মৃত্যু হওয়া বিচিত্র নয়। সুতরাং পাগলা কুকুর নিধনে অনতি বিলম্বে অভিযান পরিচালনার জন্য জোর দাবী জানান ককস বাজার আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা (আসক) ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক এস এম সরওয়ার কামাল খন্দকার সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং কক্সবাজার সুশীল সমাজ কক্সবাজার থেকে পাগলা কুকুর প্রতিরোধ করার জন্য জোর দাবি জানান।

Post a Comment

0 Comments