মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী ,টেকনাফ
টেকনাফের প্রতিটি ভাড়াবাসা ও পুরাতন এবং নতুন মিয়ানমারের নাগরিকদের ঘরে ঘরে রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয় এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আদম পাচারকারীর সদস্যরা সন্ধ্যার পর সারারাত মিয়ানমারে পাচার করছে এ দেশের চাল ,তৈল , চিনি, গুড়, ঔষধ, ডিম , ময়দা সহ নিত্য প্রযোজনীয় জিনিস পত্র । মিয়ানমারে দাঙ্গার কারণে টেকনাফে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিয়ে ব্যবসা করতে টেকনাফ উপজেলার অসংখ্য সীমান্ত পয়েন্টে শতাধিক আদম পাচারকারী সক্রিয় হয়ে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করাচ্ছে টেকনাফে। ফলে এসব পন্য পাচারকালে বিজিবি অনেক পাচারকারীকে পন্য সহ আটক করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেছে । মিয়ানমারে এ ঘটনায় মুসলিমদের ধরপাক শুরু করলেও বাংলাদেশে মিয়ানমার নাগরিকের কোন ধরপাকর না থাকায় সহজেই রোহিঙ্গারা টেকনাফে এসে আশ্রয় নিতে পারছে । ফলে টেকনাফের আদম পাচারকারীরা ও চোরাকারবারীরা মজা করে তাদের পাচার কাজ চালিয়ে যাচেছ । সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে টেকনাফের আদম পাচারকারী দালালরা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় এক এক জন রোহিঙ্গার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে নিচেছ । বিদেশে অনেক মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে এবং মিয়ানমার থেকে তাদের আত্বীয় স্বজনদের আনার জন্য এসব দালালদের কাছে বিদেশ থেকে ২০/৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে টেকনাফে তাদের আত্বীয় স্বজনদের নিয়ে আসছে । জানাযায়,প্রতিদিন বিকাল থেকে সন্ধার পর এসব দালালদের টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া-ফেরানপুর ঘাট,জাদিমুড়া-রাইম্যবিল ঘাট,নয়াপাড়া গৌজিবিল ঘাট ও নয়াপাড়া মাঙ্গালা ঘাট,টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া ঘাট,জালিয়া পাড়া ঘাট,নাজির পাড়া ঘাট,শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়া ঘাট,করিডোর ঘাট ও মিস্ত্রি পাড়া ঘাট,ঘোলা পাড়া ঘাট,এলাকায় কৌশলে ঘোরা ঘুরি ,করে আদম পাচার অব্যহত রেখেছে । পাচারের সুবিধার্থে হাতে মোবাইল নিয়ে এক একজন এক এক জায়গায় অবস্থান করে প্রশাসনের ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যাচেছ এবং আদম পাচার অব্যহত রেখেছে । জানাযায়,নিলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া-ফেরানপুর ঘাট নিয়ন্ত্রন করে নুর হাসিম প্রকাশ গুন্ডামিয়ার ১০ জনের সিন্ডিকেট,জাদিমুড়া-রাইম্যবিল ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আব্দুল আমিন, আমির হামজা, তৈয়ব সিন্ডিকেট,নয়াপাড়া-গৌজিবিল ঘাট নিয়ন্ত্রন করে জালাল, আলম, কালুমিয়া, সৈয়দুল আমিন সিন্ডিকেট,নয়াপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আবুল হাসেম ভুলু । আব্দু ছালাম, আব্দু জলিল সিন্ডিকেট,পৌর সভার নাইট্যংপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে ফরিদ,সৈয়দ,শামশু,জাকু,রফিক, ছৈয়দ আলম ,সিন্ডিকেট,জালিয়াপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে মন্জুর সিন্ডিকেট,শাহাপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আব্দুল সালাম , মোঃ আলম , কালামিয়া সিন্ডিকেট,করিডোর ঘাট নিয়ন্ত্রন করে দক্ষিণ পাড়ার মোঃ ইসমাইল , রহমত উল্লাহ , ইলিয়াছ , বাইলা সিন্ডিকেট ও মিস্ত্রি পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে,মৌলভী কলিম উল্লাহ,আব্দুর শুক্কুর , লাম্বা সলিম উল্লাহ ,কোনা পাড়ার রশিদ আলী এবং নুরুল আমিন বল্লা।ঘোলা পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে,কবির আহাম্মদ প্রকাশ কবিরা ,মোঃ আলম .মোঃ জামাল বামাইয়া ,। মিস্ত্রিপাড়ার এনায়েত উল্লাহ সিন্ডিকেট। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া ঘাট ও মৌলভী পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আবদুর রহমান,ছাগলহাসু,বেলাল,নুরুল হক ভুট্রো,বতল ছালাম। বরইতলীসঘাট নিয়ন্ত্রন করে কবির মেম্বার, ছিদ্দিক ,নুরুল আলম বিয়াই,ইসমাইল,জামাল,নেজাম,আলী আকবর,আলমাজ,আবু তাহের,হাফেজ,মালেক,মোঃ ছালাম,রবিউল্লাহ,রাজা সব্বির,রফিক সহ ৩৩ জনের ১ুটি সিন্ডিকেট বরইতলী এ সিন্ডিকেটের সদস্যরা মিয়ানমারের নাগরিক এদেশে অনুপ্রবেশের পাশাপাশি চাল,তেল সহ বিভিন্ন পন্য মিয়ানমারে পাচার করে । পাচারের সময় তারা টেকনাফ বাসষ্টেশনে ৪ জন,আবদুল্লার প্রেট্রোল পাম্পের সামনে ২ জন,বাসটার্মিসালে ২ জন,নাইথ্যংপাড়া ২ জন,রেষ্টহাউজের সামনে ২ জন,উঠনির উপরে ২ জন,উঠনির উত্তর বট গাছের নীচে ৫ জন,রফিকের দোকানে বসে থাকে ৫ জন,ইলিয়াছের দোকানের সামনে থাকে ৫ জন,আনসার কেম্পের পূর্বে থাকে ৪ জন,মোট ৩৩ জন আদম পাচারকারী ও চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের সদস্যরা পাহাড়া দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও চাল এবং তেল সহ বিভিণœ পন্ন মিয়ানমারে পাচার করে যাচেছ । অভিযোগ উঠেছে এসব আদম পাচাকারীরা সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে এসব আদম পাচার করে যাচেছ । সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়,এসব ঘাট দিয়ে প্রতিদিন বিকাল বেলা থেকে-সন্ধার পর এসব জায়গায় অবৈধ মিয়ানমার নাগরিকের ঘুরাফেরা করতে দেখাযায়। সন্ধার পর আসার সময় মিয়ানমার থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অনেক রোহিঙ্গা । এসব মাদক ব্যবসায় দালালরা ও শেয়ার থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে । কিন্তু উল্লেখিত ব্যক্তিরা পাচার কাজে জড়িত এবং এর নৈপথ্যে শাসকদলের স্থানীয় প্রভাবশালী আদমপাচারকারী গডফাদারের নেতৃত্বে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং উক্ত টাকা টপটো বটম চলে যাচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছেনা। এভাবে রাতের অন্ধকারে অর্থের বিনিময়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করার ফলে শাহপরীর দ্বীপ, নয়াপাড়া ও টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন স্থান রোহিঙ্গাদের অঘোষিত রোহিঙ্গা এলাকা হিসেবে পরিণত হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে গোটা টেকনাফে । টেকনাফের হাজার হাজার মানুষ মন্তব্য করছে,এ প্রভাব টেকনাফকে ছাড়িয়ে সারা বাংলাদেশে পড়বে । এসব এলাকায় বিজিবির উর্ধতম কর্তপক্ষ নজর রাখলে টেকনাফ থেকে অবৈধ মিয়ানমার নাগরিক আসা ও চোরাচালান অনেকটা বন্ধ হয়ে যাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল । এব্যপারে উল্যেখিত ঘাট গুলোতে বিজিবির জনবল বৃদ্দি ও উর্ধতম কৃর্তপক্ষের সরাসরি কৌসল পূর্বক অভিযান চালালে অনেক পাচারকারী আটক এবং পাচার রুুধ করা যাবে বলে মনে করেন এলাকার বোদ্বারা।
টেকনাফের প্রতিটি ভাড়াবাসা ও পুরাতন এবং নতুন মিয়ানমারের নাগরিকদের ঘরে ঘরে রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয় এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আদম পাচারকারীর সদস্যরা সন্ধ্যার পর সারারাত মিয়ানমারে পাচার করছে এ দেশের চাল ,তৈল , চিনি, গুড়, ঔষধ, ডিম , ময়দা সহ নিত্য প্রযোজনীয় জিনিস পত্র । মিয়ানমারে দাঙ্গার কারণে টেকনাফে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিয়ে ব্যবসা করতে টেকনাফ উপজেলার অসংখ্য সীমান্ত পয়েন্টে শতাধিক আদম পাচারকারী সক্রিয় হয়ে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করাচ্ছে টেকনাফে। ফলে এসব পন্য পাচারকালে বিজিবি অনেক পাচারকারীকে পন্য সহ আটক করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেছে । মিয়ানমারে এ ঘটনায় মুসলিমদের ধরপাক শুরু করলেও বাংলাদেশে মিয়ানমার নাগরিকের কোন ধরপাকর না থাকায় সহজেই রোহিঙ্গারা টেকনাফে এসে আশ্রয় নিতে পারছে । ফলে টেকনাফের আদম পাচারকারীরা ও চোরাকারবারীরা মজা করে তাদের পাচার কাজ চালিয়ে যাচেছ । সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে টেকনাফের আদম পাচারকারী দালালরা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় এক এক জন রোহিঙ্গার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে নিচেছ । বিদেশে অনেক মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে এবং মিয়ানমার থেকে তাদের আত্বীয় স্বজনদের আনার জন্য এসব দালালদের কাছে বিদেশ থেকে ২০/৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে টেকনাফে তাদের আত্বীয় স্বজনদের নিয়ে আসছে । জানাযায়,প্রতিদিন বিকাল থেকে সন্ধার পর এসব দালালদের টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া-ফেরানপুর ঘাট,জাদিমুড়া-রাইম্যবিল ঘাট,নয়াপাড়া গৌজিবিল ঘাট ও নয়াপাড়া মাঙ্গালা ঘাট,টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া ঘাট,জালিয়া পাড়া ঘাট,নাজির পাড়া ঘাট,শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়া ঘাট,করিডোর ঘাট ও মিস্ত্রি পাড়া ঘাট,ঘোলা পাড়া ঘাট,এলাকায় কৌশলে ঘোরা ঘুরি ,করে আদম পাচার অব্যহত রেখেছে । পাচারের সুবিধার্থে হাতে মোবাইল নিয়ে এক একজন এক এক জায়গায় অবস্থান করে প্রশাসনের ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যাচেছ এবং আদম পাচার অব্যহত রেখেছে । জানাযায়,নিলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া-ফেরানপুর ঘাট নিয়ন্ত্রন করে নুর হাসিম প্রকাশ গুন্ডামিয়ার ১০ জনের সিন্ডিকেট,জাদিমুড়া-রাইম্যবিল ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আব্দুল আমিন, আমির হামজা, তৈয়ব সিন্ডিকেট,নয়াপাড়া-গৌজিবিল ঘাট নিয়ন্ত্রন করে জালাল, আলম, কালুমিয়া, সৈয়দুল আমিন সিন্ডিকেট,নয়াপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আবুল হাসেম ভুলু । আব্দু ছালাম, আব্দু জলিল সিন্ডিকেট,পৌর সভার নাইট্যংপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে ফরিদ,সৈয়দ,শামশু,জাকু,রফিক, ছৈয়দ আলম ,সিন্ডিকেট,জালিয়াপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে মন্জুর সিন্ডিকেট,শাহাপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আব্দুল সালাম , মোঃ আলম , কালামিয়া সিন্ডিকেট,করিডোর ঘাট নিয়ন্ত্রন করে দক্ষিণ পাড়ার মোঃ ইসমাইল , রহমত উল্লাহ , ইলিয়াছ , বাইলা সিন্ডিকেট ও মিস্ত্রি পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে,মৌলভী কলিম উল্লাহ,আব্দুর শুক্কুর , লাম্বা সলিম উল্লাহ ,কোনা পাড়ার রশিদ আলী এবং নুরুল আমিন বল্লা।ঘোলা পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে,কবির আহাম্মদ প্রকাশ কবিরা ,মোঃ আলম .মোঃ জামাল বামাইয়া ,। মিস্ত্রিপাড়ার এনায়েত উল্লাহ সিন্ডিকেট। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া ঘাট ও মৌলভী পাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আবদুর রহমান,ছাগলহাসু,বেলাল,নুরুল হক ভুট্রো,বতল ছালাম। বরইতলীসঘাট নিয়ন্ত্রন করে কবির মেম্বার, ছিদ্দিক ,নুরুল আলম বিয়াই,ইসমাইল,জামাল,নেজাম,আলী আকবর,আলমাজ,আবু তাহের,হাফেজ,মালেক,মোঃ ছালাম,রবিউল্লাহ,রাজা সব্বির,রফিক সহ ৩৩ জনের ১ুটি সিন্ডিকেট বরইতলী এ সিন্ডিকেটের সদস্যরা মিয়ানমারের নাগরিক এদেশে অনুপ্রবেশের পাশাপাশি চাল,তেল সহ বিভিন্ন পন্য মিয়ানমারে পাচার করে । পাচারের সময় তারা টেকনাফ বাসষ্টেশনে ৪ জন,আবদুল্লার প্রেট্রোল পাম্পের সামনে ২ জন,বাসটার্মিসালে ২ জন,নাইথ্যংপাড়া ২ জন,রেষ্টহাউজের সামনে ২ জন,উঠনির উপরে ২ জন,উঠনির উত্তর বট গাছের নীচে ৫ জন,রফিকের দোকানে বসে থাকে ৫ জন,ইলিয়াছের দোকানের সামনে থাকে ৫ জন,আনসার কেম্পের পূর্বে থাকে ৪ জন,মোট ৩৩ জন আদম পাচারকারী ও চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের সদস্যরা পাহাড়া দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও চাল এবং তেল সহ বিভিণœ পন্ন মিয়ানমারে পাচার করে যাচেছ । অভিযোগ উঠেছে এসব আদম পাচাকারীরা সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে এসব আদম পাচার করে যাচেছ । সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়,এসব ঘাট দিয়ে প্রতিদিন বিকাল বেলা থেকে-সন্ধার পর এসব জায়গায় অবৈধ মিয়ানমার নাগরিকের ঘুরাফেরা করতে দেখাযায়। সন্ধার পর আসার সময় মিয়ানমার থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অনেক রোহিঙ্গা । এসব মাদক ব্যবসায় দালালরা ও শেয়ার থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে । কিন্তু উল্লেখিত ব্যক্তিরা পাচার কাজে জড়িত এবং এর নৈপথ্যে শাসকদলের স্থানীয় প্রভাবশালী আদমপাচারকারী গডফাদারের নেতৃত্বে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং উক্ত টাকা টপটো বটম চলে যাচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছেনা। এভাবে রাতের অন্ধকারে অর্থের বিনিময়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করার ফলে শাহপরীর দ্বীপ, নয়াপাড়া ও টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন স্থান রোহিঙ্গাদের অঘোষিত রোহিঙ্গা এলাকা হিসেবে পরিণত হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে গোটা টেকনাফে । টেকনাফের হাজার হাজার মানুষ মন্তব্য করছে,এ প্রভাব টেকনাফকে ছাড়িয়ে সারা বাংলাদেশে পড়বে । এসব এলাকায় বিজিবির উর্ধতম কর্তপক্ষ নজর রাখলে টেকনাফ থেকে অবৈধ মিয়ানমার নাগরিক আসা ও চোরাচালান অনেকটা বন্ধ হয়ে যাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল । এব্যপারে উল্যেখিত ঘাট গুলোতে বিজিবির জনবল বৃদ্দি ও উর্ধতম কৃর্তপক্ষের সরাসরি কৌসল পূর্বক অভিযান চালালে অনেক পাচারকারী আটক এবং পাচার রুুধ করা যাবে বলে মনে করেন এলাকার বোদ্বারা।

0 Comments