এম. রায়হান চৌধুরী, চকরিয়া
চকরিয়ার হারবাংয়ে হত্যা মামলার আসামী বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রশাসন নিরব ভূমিকায় রয়েছে। চকরিয়া উপজেলার হারবাং বোলাখ কাটা পাহাড়ী এলাকায় বসবাসকারী আহামদ হোসেনের পুত্র ফরিদুল আলম(২৫) লোহাগাড়ায় মুদির দোকানে চাকুরীরত অবস্থায় গত ১৬ ফেব্র“য়ারী দোকান থেকে ছুটি নিয়ে রাত্রের বেলায় বাড়ীতে আসার পথে হারবাং বোলাখ কাটা পাহাড়ী পথে আবদুল কাদেরের বাড়ীর পূর্ব পার্শ্বে গলাচিড়ায় পৌছলে মুখোশধারী ৪জন সন্ত্রাসী তাকে পথিরোধ করে দা, চুরিসহ বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে ফেলে। তার সুচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। এসংবাদ পেয়ে মা নুর জাহান, স্ত্রী রাবেয়াসহ স্বজনরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছলে তাকে মুমুর্ষ ও রক্তাত্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে রয়েছে দেখে। তাড়া হুড়া করে আহত ব্যক্তিকে প্রথমে চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে চমেক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। চমেক হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ফরিদুল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মা নুর জাহান বেগম বাদী হয়ে গত ১৮ ফ্রেব্র“য়ারী চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ লোকমান হোসেন নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করে। আটক ওই সন্ত্রাসী ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছে বলে বাদী নুর জাহান বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। বাদীর ও তার পরিবার পরিজন দাবী করেন হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট আসামীরা হারবাং ষ্টেশন ও বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এব্যাপারে প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনক বলেও মন্তব্য করেন নিহত পরিবারের লোকজন।
চকরিয়ার হারবাংয়ে হত্যা মামলার আসামী বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রশাসন নিরব ভূমিকায় রয়েছে। চকরিয়া উপজেলার হারবাং বোলাখ কাটা পাহাড়ী এলাকায় বসবাসকারী আহামদ হোসেনের পুত্র ফরিদুল আলম(২৫) লোহাগাড়ায় মুদির দোকানে চাকুরীরত অবস্থায় গত ১৬ ফেব্র“য়ারী দোকান থেকে ছুটি নিয়ে রাত্রের বেলায় বাড়ীতে আসার পথে হারবাং বোলাখ কাটা পাহাড়ী পথে আবদুল কাদেরের বাড়ীর পূর্ব পার্শ্বে গলাচিড়ায় পৌছলে মুখোশধারী ৪জন সন্ত্রাসী তাকে পথিরোধ করে দা, চুরিসহ বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে ফেলে। তার সুচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। এসংবাদ পেয়ে মা নুর জাহান, স্ত্রী রাবেয়াসহ স্বজনরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছলে তাকে মুমুর্ষ ও রক্তাত্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে রয়েছে দেখে। তাড়া হুড়া করে আহত ব্যক্তিকে প্রথমে চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে চমেক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। চমেক হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ফরিদুল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মা নুর জাহান বেগম বাদী হয়ে গত ১৮ ফ্রেব্র“য়ারী চকরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ লোকমান হোসেন নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করে। আটক ওই সন্ত্রাসী ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছে বলে বাদী নুর জাহান বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। বাদীর ও তার পরিবার পরিজন দাবী করেন হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট আসামীরা হারবাং ষ্টেশন ও বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এব্যাপারে প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনক বলেও মন্তব্য করেন নিহত পরিবারের লোকজন।

0 Comments