মোঃ আশেকুল্লাহ ফারুকী
সাগর গ্রাস করে নিয়ে যাচ্ছে শাহপরীরদ্বীপকে অব্যাহত সাগরের ভাংগনে সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা শাহপরীরদ্বীপ বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ২০
হাজার বনি আদম সাগরের প্রকৃতির সাথে লড়াই করে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। শাহপরীরদ্বীপের ভৌগলিক অবস্থান এর পূর্বে নাফ নদী দক্ষিণ পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তরে সমতল ভূমি। এক সময় শাহপরীরদ্বীপ মূল ভূখম্ভ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। শাহপরীরদ্বীপের উত্তরে পূর্ব ও পশ্চিম একটি ভরারখাল নামে একটি খাল ছিল। এখাল দিয়ে সাগর ও নাফ নদীর পানি চলাচল এবং ভারী নৌযানবাহন যাতায়াত করত। তৎকালীন পাকিস্তানের আইউব সরকারের আমলে শাহপরীরদ্বীপকে মূলভূখন্ডের সাথে সম্পূক্ত করার লক্ষ্যে ভরার খালের উভয় মূখে নাফ নদী ও সাগরের মজবুত বেড়ীবাঁধ নির্মাণ করে এবং এখালের মধ্যখানে মাটি ভরাট করে ভূখন্ডের সাথে সড়ক সংযুগ স্থাপন করার পর থেকে শাহপরীরদ্বীপ মূল ভূখন্ডের সাথে একাকার হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে টেকনাফ থেকে শাহপরীরদ্বীপের বাজারপাড়া পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়ক কাপের্টিং এর আওতায় নিয়ে আসেন। বর্তমান আঃলীগ সরকারের আমলে কক্সবাজার টু শাহপরীরদ্বীপ পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস চলাচলের ব্যবস্থা করে দেন। এর পাশাপাশি প্রতিদিন সিএনজি, মাইক্রো, প্রাইভেটগাড়ী ও ট্রাক যাতায়ত করে আসছে। শাহপরীরদ্বীপ একটি সম্ভাবনাময় আকর্ষনীয় পর্যটন সপট এবং এখান থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দুরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার। মৎস্য ও লবণ সম্পদের জন্য খ্যাত। এখানকার অধিবাসীরা অধিকাংশ মৎস্যজীবি এবং প্রবাসী। এক সময় শাহপরীরদ্বীপের বদর মোকাম ছিল মিয়ানমারের আকিয়াবের সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্র বিন্দু। বর্তমানে বদর মোকামটি নাফ নদী ও সাগর গর্ডে চলে গেছে। এখন সেখানে জেলেরা মাছ আহরন করে ও নৌকা চলাচল করে। এভাবে শাহপরীরদ্বীপের উপর চলছে নাফনদী ও সাগরের প্রকৃতির যুদ্ধ। এ দ্বীপের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পাড়া হচ্ছে, দক্ষিণ পাড়া, পশ্চিম পাড়া, মাজের পাড়া ও উত্তর পাড়া। এসব পাড়া উপকূল সংলগ্ন তাই তারা আজিবন সাগরের প্রকৃতির সাথে লড়াই করে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। শাহপরীরদ্বীপের মানুষ সহজ ও সরল তাই তারা যে সরকার ক্ষমতায় আসে সে সরকারের পাশে দাড়ায়। তাদের একমাত্র দাবী শাহপরীরদ্বীপকে সাগরের ভাঙ্গন থেকে বাচান। তারা এ আশা ও প্রত্যাশা নিয়ে বেচে আছেন। কিন্তু সরকার যায় সরকার আছে তাদের দাবী ও ভাগ্যের পরিবর্তন আসেনি। বরংচ উল্টো প্রকৃতি তাদের প্রতিশোধ নিচ্ছে। এ ব্যাপারে কেউ আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসছেনা।
হাজার বনি আদম সাগরের প্রকৃতির সাথে লড়াই করে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। শাহপরীরদ্বীপের ভৌগলিক অবস্থান এর পূর্বে নাফ নদী দক্ষিণ পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তরে সমতল ভূমি। এক সময় শাহপরীরদ্বীপ মূল ভূখম্ভ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। শাহপরীরদ্বীপের উত্তরে পূর্ব ও পশ্চিম একটি ভরারখাল নামে একটি খাল ছিল। এখাল দিয়ে সাগর ও নাফ নদীর পানি চলাচল এবং ভারী নৌযানবাহন যাতায়াত করত। তৎকালীন পাকিস্তানের আইউব সরকারের আমলে শাহপরীরদ্বীপকে মূলভূখন্ডের সাথে সম্পূক্ত করার লক্ষ্যে ভরার খালের উভয় মূখে নাফ নদী ও সাগরের মজবুত বেড়ীবাঁধ নির্মাণ করে এবং এখালের মধ্যখানে মাটি ভরাট করে ভূখন্ডের সাথে সড়ক সংযুগ স্থাপন করার পর থেকে শাহপরীরদ্বীপ মূল ভূখন্ডের সাথে একাকার হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে টেকনাফ থেকে শাহপরীরদ্বীপের বাজারপাড়া পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়ক কাপের্টিং এর আওতায় নিয়ে আসেন। বর্তমান আঃলীগ সরকারের আমলে কক্সবাজার টু শাহপরীরদ্বীপ পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস চলাচলের ব্যবস্থা করে দেন। এর পাশাপাশি প্রতিদিন সিএনজি, মাইক্রো, প্রাইভেটগাড়ী ও ট্রাক যাতায়ত করে আসছে। শাহপরীরদ্বীপ একটি সম্ভাবনাময় আকর্ষনীয় পর্যটন সপট এবং এখান থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দুরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার। মৎস্য ও লবণ সম্পদের জন্য খ্যাত। এখানকার অধিবাসীরা অধিকাংশ মৎস্যজীবি এবং প্রবাসী। এক সময় শাহপরীরদ্বীপের বদর মোকাম ছিল মিয়ানমারের আকিয়াবের সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্র বিন্দু। বর্তমানে বদর মোকামটি নাফ নদী ও সাগর গর্ডে চলে গেছে। এখন সেখানে জেলেরা মাছ আহরন করে ও নৌকা চলাচল করে। এভাবে শাহপরীরদ্বীপের উপর চলছে নাফনদী ও সাগরের প্রকৃতির যুদ্ধ। এ দ্বীপের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পাড়া হচ্ছে, দক্ষিণ পাড়া, পশ্চিম পাড়া, মাজের পাড়া ও উত্তর পাড়া। এসব পাড়া উপকূল সংলগ্ন তাই তারা আজিবন সাগরের প্রকৃতির সাথে লড়াই করে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। শাহপরীরদ্বীপের মানুষ সহজ ও সরল তাই তারা যে সরকার ক্ষমতায় আসে সে সরকারের পাশে দাড়ায়। তাদের একমাত্র দাবী শাহপরীরদ্বীপকে সাগরের ভাঙ্গন থেকে বাচান। তারা এ আশা ও প্রত্যাশা নিয়ে বেচে আছেন। কিন্তু সরকার যায় সরকার আছে তাদের দাবী ও ভাগ্যের পরিবর্তন আসেনি। বরংচ উল্টো প্রকৃতি তাদের প্রতিশোধ নিচ্ছে। এ ব্যাপারে কেউ আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসছেনা।


0 Comments