Advertisement

কচ্ছপিয়ায় দু ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা পরীক্ষা দিতে পারছেনা তারা


মোঃ ইউনুছ
কক্সবাজারের দুর্গম রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দশম শ্রেণীর ২ পরীক্ষার্থী মিথ্যা মামলার যাতাকলে পড়ে ঘরছাড়া হয়ে পড়েছে। ফলে তারা ২জনই এবারের দাখিল দশম
শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষা দিতে তার পাড়ছেনা। বিশ্বস্থ একাধিক সূত্র জানান- রামু উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী ছালেহা বেগম। তার রোল এক। মাদ্রাসার দেড় হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে তাকে সব চাইতে মেধাবী বলে বিবেচিত করেন তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। সে পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষায় মাদ্রাসা বোর্ডে কক্সবাজারের শ্রেষ্ট শিক্ষার্থী হিসাবে বৃত্তিও পায়। এ সব কৃতিত্বের কারণে তার প্রতি প্রলুব্ধ হয়ে পিছু লাগে বখাটের কয়েক যুবক। এসব বখাটেদের শায়েস্তা ছাত্রীটি কার্পণ্য ও করেনি যথা নিয়মে। এসব ইভটিজারদের বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকরা কয়েকদফা পুলিশি সহায়তা ও দিয়েছিল ছালেহাকে। এ কারণে এসব বখাটেরা পরিকল্পনা করে ছালেহার পড়ালেখা বন্ধ ও তার পরিবারকে ধ্বংস করতে। যেমন পরিকল্পনা তেমন কাজ। গত ২৪ জুন ছালেহার এক বান্ধবীকে দিয়ে একটি নাটক সাজিয়ে ঘটনা সুত্র পাত ঘটায়। পরে চলতি মাসের ৪ তারিখ ঐ বান্ধবীকে গণ ধর্ষণ ও অপহরণ দেখিয়ে কক্সবাজারের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করে। স্থানীয় সমাজ প্রতিরা জানান- ছালেহা মেধাবী ও মিথ্যা মামলায় নির্যাতিতা এক ছাত্রী। তাকে বিয়ে করতে না পেরে এক জন বখাটে তার পড়ালেখা বন্ধ করে তাকে পেতে চায়। এ কারণে তার ও তার পরিবারের উপর পর পর দুইটি মিথ্যা মামলা করেছে কুটকৌশলীরা। ছালেহার হতদরিদ্র বৃদ্ধা মা কুলচুমা বেগম জানান- তার স্বামী মারা যাওয়ার পর ২ সন্তান নিয়ে বাচতে চেয়েছিল সে। কিন্তু তার সন্তানদের উপর শনির দশা এসে সব কিছু চুরমার হয়ে গেছে। তার মেয়ে মিথ্যা মামলায় পড়ে ঘর ছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার এমন কেউ নেই এসব বিষয়ে সহায়তা করতে। তাই সে পরীক্ষা দিতেও পারিবেনা বলে আশংকা তার। তার মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক জোরগলায় এ প্রতিবেদককে জানান- ছালেহা বেগম এক আদর্শ ও মেধাবী ছাত্রী। তার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এছাড়া তাদের মনে হচ্ছে ছালেহার পড়ালেখা বন্ধ মানে নক্ষত্রের পতন হচ্ছে। উল্লেখ্য এই মামলায় একই মাদ্রাসার অপর এক মেধাবী ছাত্রকে ও আসামী করা হয়। এই দু মেধাবী শিক্ষার্থীকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর কারণে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ছাত্রদের একটি সুত্র দাবী করে- এই মামলা প্রত্যাহার না করলে তারা হরতাল, মানববন্ধন সহ কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।কচ্ছপিয়ায় দু ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা
পরীক্ষা দিতে পারছেনা তারা
মোঃ ইউনুছ
কক্সবাজারের দুর্গম রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দশম শ্রেণীর ২ পরীক্ষার্থী মিথ্যা মামলার যাতাকলে পড়ে ঘরছাড়া হয়ে পড়েছে। ফলে তারা ২জনই এবারের দাখিল দশম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষা দিতে তার পাড়ছেনা। বিশ্বস্থ একাধিক সূত্র জানান- রামু উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী ছালেহা বেগম। তার রোল এক। মাদ্রাসার দেড় হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে তাকে সব চাইতে মেধাবী বলে বিবেচিত করেন তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। সে পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষায় মাদ্রাসা বোর্ডে কক্সবাজারের শ্রেষ্ট শিক্ষার্থী হিসাবে বৃত্তিও পায়। এ সব কৃতিত্বের কারণে তার প্রতি প্রলুব্ধ হয়ে পিছু লাগে বখাটের কয়েক যুবক। এসব বখাটেদের শায়েস্তা ছাত্রীটি কার্পণ্য ও করেনি যথা নিয়মে। এসব ইভটিজারদের বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকরা কয়েকদফা পুলিশি সহায়তা ও দিয়েছিল ছালেহাকে। এ কারণে এসব বখাটেরা পরিকল্পনা করে ছালেহার পড়ালেখা বন্ধ ও তার পরিবারকে ধ্বংস করতে। যেমন পরিকল্পনা তেমন কাজ। গত ২৪ জুন ছালেহার এক বান্ধবীকে দিয়ে একটি নাটক সাজিয়ে ঘটনা সুত্র পাত ঘটায়। পরে চলতি মাসের ৪ তারিখ ঐ বান্ধবীকে গণ ধর্ষণ ও অপহরণ দেখিয়ে কক্সবাজারের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করে। স্থানীয় সমাজ প্রতিরা জানান- ছালেহা মেধাবী ও মিথ্যা মামলায় নির্যাতিতা এক ছাত্রী। তাকে বিয়ে করতে না পেরে এক জন বখাটে তার পড়ালেখা বন্ধ করে তাকে পেতে চায়। এ কারণে তার ও তার পরিবারের উপর পর পর দুইটি মিথ্যা মামলা করেছে কুটকৌশলীরা। ছালেহার হতদরিদ্র বৃদ্ধা মা কুলচুমা বেগম জানান- তার স্বামী মারা যাওয়ার পর ২ সন্তান নিয়ে বাচতে চেয়েছিল সে। কিন্তু তার সন্তানদের উপর শনির দশা এসে সব কিছু চুরমার হয়ে গেছে। তার মেয়ে মিথ্যা মামলায় পড়ে ঘর ছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার এমন কেউ নেই এসব বিষয়ে সহায়তা করতে। তাই সে পরীক্ষা দিতেও পারিবেনা বলে আশংকা তার। তার মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক জোরগলায় এ প্রতিবেদককে জানান- ছালেহা বেগম এক আদর্শ ও মেধাবী ছাত্রী। তার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এছাড়া তাদের মনে হচ্ছে ছালেহার পড়ালেখা বন্ধ মানে নক্ষত্রের পতন হচ্ছে। উল্লেখ্য এই মামলায় একই মাদ্রাসার অপর এক মেধাবী ছাত্রকে ও আসামী করা হয়। এই দু মেধাবী শিক্ষার্থীকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর কারণে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ছাত্রদের একটি সুত্র দাবী করে- এই মামলা প্রত্যাহার না করলে তারা হরতাল, মানববন্ধন সহ কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

Post a Comment

0 Comments