Advertisement

পেকুয়ায় বহু মামলার আসামী সরওয়ার গংয়ের রাম রাজত্ব

পেকুয়া প্রতিনিধি
পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব গোয়াখালীর বহুল আলোচিত ডাকাত সরর্দার ্এমদাদ মিয়ার পরিবার মামলা মোকাদ্দমা,দখলবাজি ,অস্ত্র তৈরি ও বিক্রি চুরি,ডাকাতি,চাদাঁবাজি,লুন্ঠন,দর্ষন, হত্যা, যেন মাছে ভাতে বাঙালি।বর্তমানে এমদাদ মিয়ার তিন পুত্র বহু মামলার চার্জসিঠ ভূক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি সরওয়ার,আবুল কালাম,সাজ্জাতের ব্যাপরুয়া জীবন যাপনে অসহায় হয়ে পড়েছে পুরু পেকুয়াবাসি।তাদের  অত্যচারের মাত্রা এতই বৃদ্বি পেয়েছে সাধারন মানুষ,ক্রেতা বিক্রেতা,ব্যবসায়ীরা সবসময় ভয়ভীতিতে থাকে।বিভিন্ন সুত্রে জানা  যায়,সাবেক চকরিয়া থানা বর্তমান  পেকুয়া থানার মগনামা  ইউনিয়নের মঠকাভাংঙ্গা এলাকার মোজাফফর আহমদের বাড়িতে অনুষ্টিত বিয়ের অনুষ্টানে আবুল কালামের নেতৃত্বে সংঙ্গবদ্ব ২৫/২৬ জনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেস্য হানা দেয়।ডাকাতির শেষে কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল রুট করে নিযে যাওয়ার সময় শহিদুল আলম ও নুরুর আলমকে উপর্যপুরি গুলি চালিয়ে হত্যা করে চলে যায়।পরবর্তিতে মোজাফফর আহমদের পুত্র নাসির উদ্দিন বাদি  হয়ে ২২ অক্টোবর ১৯৯১ইং তারিখে চকরিয়া থানায় একটি ডাকাতিও ডাবল হত্যা ১৪৮/৪৪৭/৩৭৯/৩২৪/৪৩৫/৩০২/৩৪ দ:বি মামলা দায়ের করে,যার নং ১৬।যে মামলায় আবুল কালাম ১০নংচার্জসিঠ ও সাজাভুক্ত আসামি।
আলোচিত বদরখালি বাজারে সিরিজ ডাকাতির নেতৃত্ব দেয় এমদাদ মিয়ার পুত্র ডাকাত আবুল কালাম ।যে ডাকাতির ফলে বাজারের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা লোকসান দিয়ে পথের ভীক্ষারী হয়ে আজ ভিক্ষা করতেছে।যার পরপেক্ষিতে বদরখালী বাজারপাড়ার ব্যবসায়ী আবদু সক্তার বাদি হয়ে চকরিয়া থানায় ৩১ মার্চ ৯৩ একটি ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় ডাকাতি মামলা করে ,যার নং ৩১।এই মামলায় আবুল কালাম ১৩নং চার্জসিট ভুক্ত আসামি।তৎকালীন রাজাখালীর পুলিশ ফার্টির ইনচার্জ সুবেদার রমজান আলী  বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় ০৪অক্টোবর ১৯৯৩ইং তারিখে আবুল কালামকে ০৪নং আসামী করে ৩৯৯/৪০২ একটি দুধর্ষ ডাকাতি মামলা করে ,যার নংু ০৫। মগনামার বাজার পাড়ার এলাকার মৃত আনু মিয়ার পুত্র সালাউদ্দিন বাদি হয়ে চকরিয়া থানায় ১৫মে১৯৯৪ইং তারিখে ৩৯৫/৩৯৭ধারায় একটি ডাকাতি মামলা করে ,যার মামলা নং ১০।যে মামলায় আবুল কালাম ১৫নং চার্জভুক্ত আসামী।গত ০৬ফেব্রয়ারী ৯৪ইং তারিখ ৩৯৫/৩৯৭ধারায় আরেকটি ডাকাতি  মামলা হয়।যে মামলা নং ০৪।সেই মামলাই ও আবুল কালাম চার্জভুক্ত আসামী।
সারা বাংলাদেশের বহুল আলোচিত এক গাড়ি অস্ত্র ও অস্ত্র বানানোর মেসিন উদ্বার করা হয় ডাকাত এমদাদ আলীর বাড়ী থেকে।পুলিশের সাথে সরাসরি বন্দুক যুদ্বের পরবর্তী উর্দ্দার করা হয় ২টি থ্রী নট থ্রী রাইফেল,১টি এয়ারগান,২টি এক নলা বন্দুক,১টি লম্বা রাইফেল,৪০রাউন্ট বন্দুকের কার্তুজ,২০রাউন্ট রাইফেলের গুলি, থ্রী নট থ্রী রাইফেলের ম্যগজিন,১টি অস্ত্র তৈরির  মেসিন,৩টি দেওয়াল গড়ি,১টি টেপ র‌্যাকডার,২টি হেজাক রাইট,২টি রেকসীনের ব্যাগ,১টি ৯ব্যন্ড ব্যাটারি,এসিড় নিক্ষেফের সরজাম সহ দারালো দাঁ ও কিরিচ।উর্দ্দার পরবর্তী তৎকালীন চকরিয়া থানার এস আই কাজি সাহাব উদ্দিন বাদি হয়ে ০৭ফেব্রয়ারী ৯৪ইং তারিখে অস্ত্র আইনের১৯চ(ক)তৎসহ ১৯৭৪সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ধারা।যে মামলায় ডাকাত এমদাদ আলী,এমদাদ আলীর পুত্র আবুল কালাম,সরওয়ার আলম,কন্যা পারভিন আক্তার,নিলুফার আক্তার,দেলোয়ারের পুত্র জসিম ,রহিমদাদের পুত্র ফুরুক আহমদকে আসামী করে মামলা রুজ করে।যে মামলায় সব আসামী সাজা হয়ে জেল কাটে।বর্তমানে ঐ মামলায় পারভিন আক্তার এখোনো জেল হাজতে সাজা ভোগ করতেছে।এমদাদ আলীর আরেক পুত্র ডাকাত সাজ্জাতের রয়েছে পেকুয়া এবং চট্রগ্রামে রয়েছে একাধীক মামলা ।২০০৫ সালে পেকুয়া এক দুধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয় সাজ্জাতের নেতৃত্বে।যার মামলা নং ০৩(১)২০০৫,ধারা ৩৯৫/৩৯৭।চট্রগ্রামের বায়োজিত থানায় ১৮(৪)২০০৯,জি আর১৭৪/০৯নং মামলায় ১৯(ক)অস্ত্র আইনে একটি মামলা হয়। মামলায় চার্জভুক্ত আসামী।  সরওয়ার আলমের বিরুদ্বে ও রয়েছে অহরহ অভিযোগ,পেকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোকতার আহমদ চৌধুরী সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতেন সরওয়ার আলম।তখন থেকে তিনি অবৈধ সম্পদের পাহাড় ঘড়ে।জোর করে অন্যর জায়গা দখল,সরকারী খাস জমি দখল, মোবাইল মারপত হুমকি প্রদর্শন,তার স্ত্রীর ছোট জোবাইদার চেক জালিয়াতির মামলা,সম্প্রতি থানায় ২২এবং২৪ সাধারণ ডায়েরী,মনজুর আলমের প্রকৃত ক্রয়কৃত সম্পক্তি পিরিয়ে পাওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন, মিথ্যা কথা বলে ডেপলপার কোম্পানীকে অন্যর জায়গা দখল দেওয়া সহ অনেক অভিযোগে অভিযুক্ত। পেকুয়ার সর্বসাধারণের দাবী, চিহ্নিত অপরাধীদের সনাক্ত করে প্রকৃত ক্রয়কৃত জায়গার মালিকদের স্বত্ব ফিরিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া।

Post a Comment

0 Comments