ইব্রাহিম খলিল,ঈদগড়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে ঈদগড়ে অধিকাংশ স্কুল,মাদ্রাসার শিক্ষকরা প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা দ্রুত প্রাইভ বাণিজ্য বন্ধের সরকারী নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবী জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও শিক্ষকদের শ্রেণী কক্ষে পাঠদানের অনিহাকে দায়ী করছেন অভিভাবক মহল। শিক্ষকরা ঈদগড়ের বিভিন্ন স্থানে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রহস্যজনক কারণে নিরব। জানা গেছে, ঈদগড়ের কতিপয় শিক্ষক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্যকরে প্রতিযোগীতামুলক ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন জমজমাট কোচিং ব্যবসা। ফলে ভেস্তে যেতে বসেছে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বর্তমান সরকারের সব ধরনের উদ্যোগ। অপরদিকে প্রাইভেট কোচিং বন্ধে নীতিমালা চুড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা নিয়ে নানা মুখী বাণিজ্য বন্ধে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। নীতিমালা অনুাযায়ী সরকারী-বেসরকারী বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোন শিক্ষক তার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীকে কোচিং প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। বাণিজ্যিক কোন কোচিং সেন্টারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত থাকতে পারবেন না। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি নিয়ে দিনে অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ দশ শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়াতে পারবেন। তবে শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে উৎসাহিত বা বাধ্য করতে বা কোন প্রচার চালাতে পারবেন না। অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এক বিষয়ের জন্য প্রতি মাসে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জেলা শহরে ২০০টাকা এবং উপজেলা সহ অন্যান্য এলাকায় ১৫০টাকা করে রসিদের মাধ্যমে নেওয়া যাবে। এই তহবিল থেকে প্রতিষ্ঠানের খরচ বাবদ ১০শতাংশ টাকা কেটে রেখে বাকী টাকা অতিরিক্ত ক্লাসে নিয়োজিত শিক্ষকদের মধ্যে বন্টন করা হবে। অতিরিক্ত ক্লাসের ক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ে মাসে কম পক্ষে ১২টি ক্লাস নিতে হবে। এই নীতিমালা লঙ্ঘন করলে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অসাদাচরণের দায়ী সরকারের শৃংখলা ও আপিল বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জড়িত শিক্ষকদের বেতনের সরকারী অংশ (এমপিও) বাতিল বা স্থগিত করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও পাঠদানের অনুমতি বাতিল করা হবে। বিভিন্ন সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তৃতীয়,চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে প্রাইভেট শিক্ষকেরা ৫’শত টাকা এবং ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ৭’শ থেকে ১হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে। এক একজন প্রাইভেট শিক্ষকদের মাসে বেতন গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় লক্ষাধিক টাকার মতো। এই টাকা নিয়ে তারা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছেন। ঈদগড় সিকদার পাড়া, পূর্ব রাজঘাটা সহ আরো বিভিন্ন সেন্টারে প্রতি ব্যাচে ৫০ জনেরও অধিক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পড়তে দেখা যায়। এলাকার সচেতন মহল এই জমজমাট কোচিং ব্যবসা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে ঈদগড়ে অধিকাংশ স্কুল,মাদ্রাসার শিক্ষকরা প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা দ্রুত প্রাইভ বাণিজ্য বন্ধের সরকারী নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবী জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও শিক্ষকদের শ্রেণী কক্ষে পাঠদানের অনিহাকে দায়ী করছেন অভিভাবক মহল। শিক্ষকরা ঈদগড়ের বিভিন্ন স্থানে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রহস্যজনক কারণে নিরব। জানা গেছে, ঈদগড়ের কতিপয় শিক্ষক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্যকরে প্রতিযোগীতামুলক ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন জমজমাট কোচিং ব্যবসা। ফলে ভেস্তে যেতে বসেছে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বর্তমান সরকারের সব ধরনের উদ্যোগ। অপরদিকে প্রাইভেট কোচিং বন্ধে নীতিমালা চুড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা নিয়ে নানা মুখী বাণিজ্য বন্ধে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। নীতিমালা অনুাযায়ী সরকারী-বেসরকারী বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোন শিক্ষক তার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীকে কোচিং প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। বাণিজ্যিক কোন কোচিং সেন্টারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত থাকতে পারবেন না। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি নিয়ে দিনে অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ দশ শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়াতে পারবেন। তবে শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে উৎসাহিত বা বাধ্য করতে বা কোন প্রচার চালাতে পারবেন না। অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এক বিষয়ের জন্য প্রতি মাসে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জেলা শহরে ২০০টাকা এবং উপজেলা সহ অন্যান্য এলাকায় ১৫০টাকা করে রসিদের মাধ্যমে নেওয়া যাবে। এই তহবিল থেকে প্রতিষ্ঠানের খরচ বাবদ ১০শতাংশ টাকা কেটে রেখে বাকী টাকা অতিরিক্ত ক্লাসে নিয়োজিত শিক্ষকদের মধ্যে বন্টন করা হবে। অতিরিক্ত ক্লাসের ক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ে মাসে কম পক্ষে ১২টি ক্লাস নিতে হবে। এই নীতিমালা লঙ্ঘন করলে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অসাদাচরণের দায়ী সরকারের শৃংখলা ও আপিল বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জড়িত শিক্ষকদের বেতনের সরকারী অংশ (এমপিও) বাতিল বা স্থগিত করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও পাঠদানের অনুমতি বাতিল করা হবে। বিভিন্ন সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তৃতীয়,চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে প্রাইভেট শিক্ষকেরা ৫’শত টাকা এবং ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ৭’শ থেকে ১হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে। এক একজন প্রাইভেট শিক্ষকদের মাসে বেতন গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় লক্ষাধিক টাকার মতো। এই টাকা নিয়ে তারা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছেন। ঈদগড় সিকদার পাড়া, পূর্ব রাজঘাটা সহ আরো বিভিন্ন সেন্টারে প্রতি ব্যাচে ৫০ জনেরও অধিক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পড়তে দেখা যায়। এলাকার সচেতন মহল এই জমজমাট কোচিং ব্যবসা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

0 Comments