Advertisement

খুনিয়া পালংয়ে তহসিলদার সেলিম বহাল তবিয়তে : বাড়ছে গন হয়রানি


নিজস্ব প্রতিবেদক
রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ভূমি অফিসের দুর্ণীতিবাজ তহসিলদার সেলিম এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তৎকালীন ইউএনও’র অপকর্মের ঘনিষ্ট সহযোগী হিসাবে
পরিচিত উক্ত সেলিম নানাভাবে লোকজনকে হয়রানি করে আসছে।
স্থানীয় সূত্র মতে, পর্যটন স্পট হিমছড়ি, পেঁচারদ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকার জায়গা-জমির দখল-বেদখল এবং ক্রয় বিক্রয়ে তসিলদার সেলিম নিজেকে সরাসরি যুক্ত রাখে। এক্ষেত্রে তাকে পার্সেন্টিসের টাকা দিতে হয়, না দিলে জায়গা-জমির ক্রয় বিক্রয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন। সদ্য বিদায়ী ইউএনও’র সাথে যোগসাজস করে তিনি এভাবে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। উক্ত ইউএনও তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে হিমছড়ি,পেঁচারদ্বীপসহ অন্যান্য এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে আত্মীয়-স্বজনের নামে-বেনামে অনেক মূল্যবান জমি ক্রয় করেন। শুধু তাই নয়, এসব এলাকার জায়গা জমির দখল-বেদখলসহ বিভিন্ন অপকর্মের দুর্নাম রয়েছে উক্ত ইউএনও’র বিরুদ্ধে। তাঁর এসব অপকর্মের প্রত্যক্ষ সহযোগী ছিলেন দুর্নীতিবাজ তহসিলদার সেলিম। বর্তমানে নতুন ইউএনও যোগদানের পর তিনি একটু বেকায়দায় থাকলেও সময় গড়িয়ে দিব্যি নিজের স্বভাবসূলভ অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন বলে ভূক্তভোগীদের অভিযোগ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ভূক্তভোগী জানিয়েছেন, তার ভাইয়ের এক খন্ড জমির নাম জারি রিপোর্ট’র জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন তহসিলদার সেলিম। উক্ত ঘুষ না দেয়ায় বিভিন্ন অজুহাতে তাকে  গত ১ বছর পর্যন্ত রামু আর খুনিয়া পালং ঘুরানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ঘটনার নজির রয়েছে আরো অহরহ। টাকা দিলে ফাইল চলে না দিলে চলে না। গুরুতর অভিযোগটি হলো, তিনি সপ্তাহে ঠিকভাবে ২দিনও অফিস করেন না। জায়গা জমির দালালীসহ নানা রকম ধ্বান্ধা ফিকিরে নিজেকে সর্বদা ব্যস্ত রাখেন। এ কারনে লোকজন ভূমি অফিসে হয়রানির শিকার হচ্ছে। এলাকার লোকজন হয়রানির কবল থেকে আশু মুক্তির জন্য উক্ত দুর্নীতিবাজ তহসিলদারের অপসারণ দাবী করেছেন।

Post a Comment

0 Comments