এম. রায়হান চৌধুরী
চকরিয়া হারবাংয়ে ভন্ড ফকিররা গ্রেফতার হওয়ায় এখন মহা বিপাকে পড়েছে ফকিরের শিষ্যরা। সুবিদাভোগি একাধিক শক্তিশালী সিন্ডিকেট তাদের জামিনে ছাড়িয়ে নিতে জোর তদ্ববির চালিয়ে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার হারবাংয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার নামে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এলাকার একই পরিবারের হাবিবুর রহমানের দু’পুত্র ভন্ড ফকির আবুল হাসেম (২৭) ও নাছির উদ্দিন (২৫) কে ব্যানার করে ৬১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে বিডিআর খোকন ও আজিমুল হক নামের জনৈক দু’ব্যক্তি। তাদের মদদপুষ্ট সিন্ডিকেটের সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভন্ড ফকিরের সু-চিকিৎসা চলছে দাবী করে প্রচার কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এতে অজপাড়া গ্রামের সরল-সহজ লোকজন প্রভাবিত হয়ে চিকিৎসার নিমিত্তে ছুটে যায় ভন্ড ফকিরের আস্তানায়। জমে উঠে প্রতারণার হাট-বাজার। দিনের আবর্তে ভন্ড ফকিরদ্বয় চিকিৎসার নামে চালিয়ে যায় নানা অপকর্ম। সূত্রে জানা যায়, ভন্ড ফকিরের আস্তানায় ছুটে যাওয়া লোকজনদের চিকিৎসা চলে প্যারালাইসিস রোগিদের লাথি, বাকপ্রতিবন্ধীদের থাপ্পর- কিল ও জিনে পাওয়া রোগিদের আবর্জনাযুক্ত পুকুরে সাঁতার কাটাসহ ইত্যাদি। এসব অপচিকিৎসা নেয়া রোগিদের গুরুতর অভিযোগ, প্রাণের ভয়ে ভন্ড ফকিরের আস্তানা থেকে কোন রকম রোগ সেরেছে বলে চলে আসলেও দ্বিতীয়বার কোন রোগি যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ভূক্তভোগি রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়, জাতীয় পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার ভন্ড ফকিরের অপকর্মের কাহিনী প্রকাশ হওয়ার পর গত ১৭জুন দুপুর ১টার দিকে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খন্দকার জাকির হোসেন এর নেতৃত্বে চকরিয়া থানার বিপুল সংখ্যক পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভন্ড ফকির আবুল হাসেম ও নাছির উদ্দিনসহ সিন্ডিকেটের সদস্য বেলালকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এদিকে ভন্ড ফকিরদের গ্রেফতার করায় বেকায়দায় পড়েছে শিষ্যসহ বিশাল সিন্ডিকেট। গতকাল সোমবার বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, ওই সিন্ডিকেটের শিষ্য ও সদস্যরা ভন্ড ফকিরদের ছাড়িয়ে নিতে জোর তদ্ববির চালাচ্ছে। অপরদিকে সিন্ডিকেট কর্তৃক তাদের ছাড়িয়ে নেয়ার তদ্ববিরে ফের অপচিকিৎসা চালানোর আশংকা করে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।
চকরিয়া হারবাংয়ে ভন্ড ফকিররা গ্রেফতার হওয়ায় এখন মহা বিপাকে পড়েছে ফকিরের শিষ্যরা। সুবিদাভোগি একাধিক শক্তিশালী সিন্ডিকেট তাদের জামিনে ছাড়িয়ে নিতে জোর তদ্ববির চালিয়ে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার হারবাংয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার নামে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এলাকার একই পরিবারের হাবিবুর রহমানের দু’পুত্র ভন্ড ফকির আবুল হাসেম (২৭) ও নাছির উদ্দিন (২৫) কে ব্যানার করে ৬১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে বিডিআর খোকন ও আজিমুল হক নামের জনৈক দু’ব্যক্তি। তাদের মদদপুষ্ট সিন্ডিকেটের সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভন্ড ফকিরের সু-চিকিৎসা চলছে দাবী করে প্রচার কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এতে অজপাড়া গ্রামের সরল-সহজ লোকজন প্রভাবিত হয়ে চিকিৎসার নিমিত্তে ছুটে যায় ভন্ড ফকিরের আস্তানায়। জমে উঠে প্রতারণার হাট-বাজার। দিনের আবর্তে ভন্ড ফকিরদ্বয় চিকিৎসার নামে চালিয়ে যায় নানা অপকর্ম। সূত্রে জানা যায়, ভন্ড ফকিরের আস্তানায় ছুটে যাওয়া লোকজনদের চিকিৎসা চলে প্যারালাইসিস রোগিদের লাথি, বাকপ্রতিবন্ধীদের থাপ্পর- কিল ও জিনে পাওয়া রোগিদের আবর্জনাযুক্ত পুকুরে সাঁতার কাটাসহ ইত্যাদি। এসব অপচিকিৎসা নেয়া রোগিদের গুরুতর অভিযোগ, প্রাণের ভয়ে ভন্ড ফকিরের আস্তানা থেকে কোন রকম রোগ সেরেছে বলে চলে আসলেও দ্বিতীয়বার কোন রোগি যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ভূক্তভোগি রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়, জাতীয় পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার ভন্ড ফকিরের অপকর্মের কাহিনী প্রকাশ হওয়ার পর গত ১৭জুন দুপুর ১টার দিকে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খন্দকার জাকির হোসেন এর নেতৃত্বে চকরিয়া থানার বিপুল সংখ্যক পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভন্ড ফকির আবুল হাসেম ও নাছির উদ্দিনসহ সিন্ডিকেটের সদস্য বেলালকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এদিকে ভন্ড ফকিরদের গ্রেফতার করায় বেকায়দায় পড়েছে শিষ্যসহ বিশাল সিন্ডিকেট। গতকাল সোমবার বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, ওই সিন্ডিকেটের শিষ্য ও সদস্যরা ভন্ড ফকিরদের ছাড়িয়ে নিতে জোর তদ্ববির চালাচ্ছে। অপরদিকে সিন্ডিকেট কর্তৃক তাদের ছাড়িয়ে নেয়ার তদ্ববিরে ফের অপচিকিৎসা চালানোর আশংকা করে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।

0 Comments