সিরাজুল ইসলাম
বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরা সহ কিছু চায়ের দোকানে নিত্য নৈমত্তিক দূষিত পানির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারাণ গ্রাহক সমাজের কাছ থেকে প্রাপ্ত আভিযোগ মতে, ঈদগাঁওর সব হোটেল রেস্তোরা ও চায়ের দোকানে বিশুদ্ধ পানির পরিবর্তে দীর্ঘ দিনের অপরিষ্কার ট্যাংক ও হাওজে জমাকৃত অপরিষ্কার দূষিত পানির ব্যবহার হচ্ছে। যার ফলে জনসাধারণের দুর্ভোগ লেগেই আছে। নেহায়ত অনিচ্ছা সত্তেও বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধির সিকার হচ্ছে সাধারণ জনসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চলতে থাকলে সমস্যা আরো মারাতœক রূপ নেয়ার আসংখা বলে সচেতন মহল অভিমত ব্যাক্ত করেন। এবং তারা আরো মনে করেন, দূষিত পানি পান করার ফলে ডায়রিয়া সহ মারাতœক রোগ ব্যাধি হতে পারে। তাই এ অবস্থা উত্তোরনের জন্য সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রসাশনের তদারকী বাড়ানোর জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরা সহ কিছু চায়ের দোকানে নিত্য নৈমত্তিক দূষিত পানির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারাণ গ্রাহক সমাজের কাছ থেকে প্রাপ্ত আভিযোগ মতে, ঈদগাঁওর সব হোটেল রেস্তোরা ও চায়ের দোকানে বিশুদ্ধ পানির পরিবর্তে দীর্ঘ দিনের অপরিষ্কার ট্যাংক ও হাওজে জমাকৃত অপরিষ্কার দূষিত পানির ব্যবহার হচ্ছে। যার ফলে জনসাধারণের দুর্ভোগ লেগেই আছে। নেহায়ত অনিচ্ছা সত্তেও বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধির সিকার হচ্ছে সাধারণ জনসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চলতে থাকলে সমস্যা আরো মারাতœক রূপ নেয়ার আসংখা বলে সচেতন মহল অভিমত ব্যাক্ত করেন। এবং তারা আরো মনে করেন, দূষিত পানি পান করার ফলে ডায়রিয়া সহ মারাতœক রোগ ব্যাধি হতে পারে। তাই এ অবস্থা উত্তোরনের জন্য সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রসাশনের তদারকী বাড়ানোর জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

0 Comments