Advertisement

সাবরাং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে ওসির অভিযোগ


মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী
টেকনাফের সাবরাং হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের দূর্নীতির অভিযোগ এনে একজন পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) চট্রগ্রাম শিক্ষা
বোর্ডের চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করেছেন। ৬ জুন টেকনাফের ইউএনও আ,ন,ম নাজিম উদ্দীন অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগকারী হচ্ছেন- উক্ত স্কুলের প্রাক্তণ ছাত্র ওসি পদে কর্মরত মো: আব্দুর রহমান। লিখিত অভিযোগকারী আব্দুর রহমান টেকন্ফা উপজেলা পরিষদে ৬ জুন দুপুরে সংবাদকর্মীদের জানান- প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির দূর্নীতির কারণে ঐতিহ্যবাহী সাবরাং হাইস্কুলের সুনাম দারুন ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির যোগসাজসে কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গোপনে পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে এলাকা ভিত্তিক প্রতিনিধি এবং প্রকৃত শিক্ষানুরাগীকে না রাখায় এলাকায় চরম জনঅসন্তোষ চলছে। উপজেলা চেয়ারম্যান মো: শফিক মিয়া দীর্ঘকাল যাবৎ সভাপতি হিসাবে মনোনীত হয়ে আসছেন। তিনি দাতা হিসাবে সভাপতি মনোনীত হলেও প্রকৃত পক্ষে অন্যের জমি নিজের জমি বলে দান করেছেন। যা বর্তমানে মামলা চলছে। সাবরাং সিকদার পাড়া কবির আহমদের পুত্র স্কুল ছাত্র আনোয়ারুল ইসলাম ক্লাশে ১ম হওয়া সত্বেও প্রধান শিক্ষক মো: মফিজ উদ দৌলা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে ২য় দেখিয়ে বৃত্তি থেকে বঞ্চিত করায় এমপি এবং ইউএনও’র নিকট অভিযোগ করা হলে প্রধান শিক্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। প্রধান শিক্ষক এসএসসি পরিক্ষার্থীদের নিকট থেকে ফরম পূরণের সময় বোর্ড ফির নামে ৩ হাজার ১০০ টাকা , প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় ৪০০ টাকা, কেন্দ্র ফি বাবৎ ২০০ টাকা করে নিয়েছেন। ৬ষ্ট শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তির সময় ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করে নিয়েছেন। স্কুলে শিক্ষক নিয়োগেও ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে। তাছাড়া স্কুলে বসে প্রধান শিক্ষক ও সাবেক মেম্বার সুলতান আহমদসহ মদ পান করে এবং জুয়া খেলে। এব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো: শফিক মিয়া সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবী করে জানান- টেকনাফ উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্কুল হচ্ছে, সাবরাং হাইস্কুল। প্রত্যেক পরিক্ষায় এই স্কুল শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ রেখে আসছে। পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর আন্তরিকতায় এই সুনাম অক্ষুন্ন রয়েছে। তিলে তিলে গড়ে উঠা একটি শ্রেষ্ঠ স্কুলকে ধ্বংস করতে গৌণ বিষয় নিয়ে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দু:খজনক। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে চট্রগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে টেকনাফ ইউএন’কে নির্দেশ দিয়েছেন।

Post a Comment

0 Comments