এসএম হান্নান শাহ,চকরিয়া
চকরিয়ায় সন্ত্রাসীরা তান্ডব চালিয়ে মৎস্য খামারের বাধ কেটে দিয়ে ৫লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে গেছে। হারবাং ইউনিয়নের মধ্যম নুনাছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক এজাহারুল হক বাদী হয়ে ১১জনকে অভিযুক্ত করে ১৭জুন বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মধ্যম নুনাছড়ি এলাতার মৃত ইমাম উদ্দিনের পুত্র এজাহারুল হকের মালিকনাধীন ৫কানি জমির মৎস্য ঘের রয়েছে। ওই ঘেরে প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন প্রজাতীর মৎস্য চাষ করেছেন। এরই সুবাধে ঘেরে আসা যাওয়া অবস্থায় পার্শ্ববর্তি বন বিভাগের বাগান থেকে স্থানীয় একদল দূর্বৃত্ত গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা প্রদান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৬জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মালিকানাধীন মৎস্য ঘেরের প্রায় ১লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় এবং ঘেরের বাধ কেটে দিয়ে আরো ৪লাখ টাকার মাছ ভাসিয়ে দেন। খবর পেয়ে ঘের মালিক এজাহারুল হক (৬০) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাকে ওই সন্ত্রাসীরা মারধর করে পকেটে থাকা ২৪হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেন। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ঘের মালিক বাদী হয়ে ১৭জুন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আলমগীর সও,আজাদুল ইসলাম, ওসমান গণি, জাহাঙ্গীর আলম, শাহাজাহান, মো: জাহাঙ্গীর, সাগর, মাহবুব, নুরুল আলম, নুরুল হোসেন ও জয়নালসহ ১১জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চকরিয়ায় সন্ত্রাসীরা তান্ডব চালিয়ে মৎস্য খামারের বাধ কেটে দিয়ে ৫লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে গেছে। হারবাং ইউনিয়নের মধ্যম নুনাছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক এজাহারুল হক বাদী হয়ে ১১জনকে অভিযুক্ত করে ১৭জুন বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মধ্যম নুনাছড়ি এলাতার মৃত ইমাম উদ্দিনের পুত্র এজাহারুল হকের মালিকনাধীন ৫কানি জমির মৎস্য ঘের রয়েছে। ওই ঘেরে প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন প্রজাতীর মৎস্য চাষ করেছেন। এরই সুবাধে ঘেরে আসা যাওয়া অবস্থায় পার্শ্ববর্তি বন বিভাগের বাগান থেকে স্থানীয় একদল দূর্বৃত্ত গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা প্রদান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৬জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মালিকানাধীন মৎস্য ঘেরের প্রায় ১লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় এবং ঘেরের বাধ কেটে দিয়ে আরো ৪লাখ টাকার মাছ ভাসিয়ে দেন। খবর পেয়ে ঘের মালিক এজাহারুল হক (৬০) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাকে ওই সন্ত্রাসীরা মারধর করে পকেটে থাকা ২৪হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেন। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ঘের মালিক বাদী হয়ে ১৭জুন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আলমগীর সও,আজাদুল ইসলাম, ওসমান গণি, জাহাঙ্গীর আলম, শাহাজাহান, মো: জাহাঙ্গীর, সাগর, মাহবুব, নুরুল আলম, নুরুল হোসেন ও জয়নালসহ ১১জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 Comments