মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংঘাতের সপ্তাহ পার হওয়ার পর ও বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য এবং নৌ ও স্থল যোগাযোগ গত চার দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। তবে গতকাল ১৭ জুন শাহপরীর দ্বীপের ব্যবসায়ী মৌলভী নুরুল হক নামে শাহপরীর দ্বীপ করিডোর থেকে ২টি গরু, ১টি মহিষ , ৯টি ছাগল মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছে। করিডোর ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তার মধ্যে একজন মিয়ানমারের দাঙ্গায় গুলিবিদ্ধ লোক ছিল। মিয়ানমার -বাংলাদেশ একদিনের ট্রানজিট ঘাট ও টেকনাফ স্থল বন্দর অঘোষিত বন্ধ আছে। বন্ধের ফলে দৈনিক প্রায় ৪০ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। দীর্ঘ সময় এ বানিজ্য বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের বাজারে মিয়ানমারের মাছ ও মসল্লা জাতীয় পন্যসহ ভোজ্য পণ্যের দাম বাড়বে বলে মনে করেছেন ব্যবসায়ীরা । এ ছাড়া মাত্র ১ সপ্তাহের বন্ধের কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। রবিবার টেকনাফ স্থল বন্দরের কর্মকতা আমদানি -রফতানি সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী এবং ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এ সব তথ্য। টেকনাফ স্থল বন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক আবদুল মোহাইমেন বলেন, শুক্রুবার সংঘাত শুরুর পর দুই দেশের সীমান্ত পথে ব্যবসা -বানিজ্য বন্ধ থাকায় গত শনিবার থেকে কোন মালামাল স্থলে বন্দরে আসছেনা। এখান থেকেও কোন পন্য মিয়ানমারে যাচ্ছে না। আমদানি -রফতানি বানিজ্য বন্ধ থাকায় বাজারে এর সূদূর প্রসারী প্রভাব পড়বে বলে আমাদের আশংকা । অন্যদিকে টেকনাফ ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তা আবদুল কাদের সিদ্দিকী জানান, টেকনাফ ইমিগ্রেশনের মাধ্যামে সাত দিনের জন্য বর্ডার পাশ এবং বিজিবি এক দিনের জন্য পাশ ইস্যু করে। এসব পাশের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের লোকজন একদেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করেন। কিন্তু মিয়ানমারে উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে সেদেশে যাবার জন্য কেনো ধরণের পাশ ইস্যু করছে না বিজিবি ও ইমিগ্রেশন বিভাগ এর ফলে সীমান্ত পথে যোগাযোগ ও পুরোপুরি বন্ধ আছে। টেকনাফ স্থল বন্দরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে। মিয়ানমার থেকে দেশে শিমুল .গর্জন ,চাপালিশ কাঠের সিপার বিভিন্ন প্রজাতির হিমায়িত মাছ , বিভিন্ন ধরণের কাঠ ,শুটকি ,বাশঁ ,আচার ,তরমুজ , গরু মহিষের চামড়া , ,আদা , হলুদ ,ও মসল্লা জাতীয় ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়। আর টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সেদেশে রপ্তানী করা হয় সিমেন্ট ,প্লাষ্টিক সামগ্রী এ্যলমোনিয়াম সামগ্রী ,হাঙ্গার মাছ ,কচ্ছপের কোলস ,ফেয়ার এন্ড লাভলী ,গামেন্টস কাপড় ,চুলসহ আরো বিভিন্ন পন্যও ইত্যাদি। আবার মিয়ানমারের মংডু থেকে কাকড়াঁ এনে বিক্রি করছে রাখাইনেরা । এখান থেকে ও কাকঁড়া যায় মিয়ানমারে । টেকনাফ স্থল বন্দরে পরিদর্শন করে দেখা গেছে,তিনটি ট্রাকে কাঠের সিপার বোঝাই করা হচ্ছে । বন্দরে দাড়িয়ে আছে আরো ৭-৮ টি ট্রাক স্থল বন্দর জেটিতে কয়েকটি পন্য বোঝাই নৌ- য্না দেখা গেছে। টেকনাফের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও স্থলবন্দরের সূত্রে জানা গেছে। আমদানি -রপ্তানী বানিজ্যের মাধ্যামে প্রতিদিন টেকনাফে ৩৫-৪০ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। শুধু স্থল বন্দর দিয়ে মাসে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকে পাঁচ কোটি টাকা । মিয়ানমারে জাতিগত সংঘাতে আমদানি -রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকারের এ মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না তা নিয়ে সংশয় আছেন সংশ্লিষ্টরা । টেকনাফ সিএন্ড এসোসিয়েশন এর সহ সভাপতি আবুল হাসেম জানান,আচার, মাসকলাই ,শুটকি,তেতুল বিচি,ফেলন ডাল, বরই সহ ১৫ কোটি টাকার পন্য দিয়ে দুটি ৭ জুন বন্দরে এসেছিল। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ শ্রমিক দিতে না পারায় সোমবার পর্যন্ত করে বোট দুটি খালাস না করেই টেকনাফ ত্যাগ করে। এবং বোট দুটি মাঝি -মাল্লা সবাই ছিল রাখাইন সম্প্রদায় । সংঘাত শুরুর পর তারা নিজ দেশে ফিরে গেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। চট্রগ্রাম নগরীর আছাদ গজ্ঞ এলাকার আমদানি কারক প্রতিষ্টান মের্সাস আল -মদিনা ষ্টোরের প্রতিনিধি মোঃ শওকত জানান,দুটি বোটে তাদের তিন কোটি টাকার ১২৬ টন আচার ছিল। মালামাল গুলো লুট হতে পারে বলে তার আশংকা । টেকনাফ সিএন্ড এফ এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক হক জানান, বন্দরে আমদানি -রপ্তানী না হওয়ার কারণে আমরা পথে বসে গেছি। বর্তমানে বন্দরের সার্বিক অবস্থা ঝিমিয়ে পড়েছে। আমদানি কারকেরদের প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। টেকনাফের কাঠ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন,আমাদের কাছে যে পরিমাণ কাঠ মজুদ আছে তাতে একমাস কোন সমস্যা হবে না। এরপর হয়েতো দামের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংঘাতের সপ্তাহ পার হওয়ার পর ও বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য এবং নৌ ও স্থল যোগাযোগ গত চার দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। তবে গতকাল ১৭ জুন শাহপরীর দ্বীপের ব্যবসায়ী মৌলভী নুরুল হক নামে শাহপরীর দ্বীপ করিডোর থেকে ২টি গরু, ১টি মহিষ , ৯টি ছাগল মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছে। করিডোর ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তার মধ্যে একজন মিয়ানমারের দাঙ্গায় গুলিবিদ্ধ লোক ছিল। মিয়ানমার -বাংলাদেশ একদিনের ট্রানজিট ঘাট ও টেকনাফ স্থল বন্দর অঘোষিত বন্ধ আছে। বন্ধের ফলে দৈনিক প্রায় ৪০ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। দীর্ঘ সময় এ বানিজ্য বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের বাজারে মিয়ানমারের মাছ ও মসল্লা জাতীয় পন্যসহ ভোজ্য পণ্যের দাম বাড়বে বলে মনে করেছেন ব্যবসায়ীরা । এ ছাড়া মাত্র ১ সপ্তাহের বন্ধের কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। রবিবার টেকনাফ স্থল বন্দরের কর্মকতা আমদানি -রফতানি সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী এবং ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এ সব তথ্য। টেকনাফ স্থল বন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক আবদুল মোহাইমেন বলেন, শুক্রুবার সংঘাত শুরুর পর দুই দেশের সীমান্ত পথে ব্যবসা -বানিজ্য বন্ধ থাকায় গত শনিবার থেকে কোন মালামাল স্থলে বন্দরে আসছেনা। এখান থেকেও কোন পন্য মিয়ানমারে যাচ্ছে না। আমদানি -রফতানি বানিজ্য বন্ধ থাকায় বাজারে এর সূদূর প্রসারী প্রভাব পড়বে বলে আমাদের আশংকা । অন্যদিকে টেকনাফ ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তা আবদুল কাদের সিদ্দিকী জানান, টেকনাফ ইমিগ্রেশনের মাধ্যামে সাত দিনের জন্য বর্ডার পাশ এবং বিজিবি এক দিনের জন্য পাশ ইস্যু করে। এসব পাশের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের লোকজন একদেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করেন। কিন্তু মিয়ানমারে উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে সেদেশে যাবার জন্য কেনো ধরণের পাশ ইস্যু করছে না বিজিবি ও ইমিগ্রেশন বিভাগ এর ফলে সীমান্ত পথে যোগাযোগ ও পুরোপুরি বন্ধ আছে। টেকনাফ স্থল বন্দরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে। মিয়ানমার থেকে দেশে শিমুল .গর্জন ,চাপালিশ কাঠের সিপার বিভিন্ন প্রজাতির হিমায়িত মাছ , বিভিন্ন ধরণের কাঠ ,শুটকি ,বাশঁ ,আচার ,তরমুজ , গরু মহিষের চামড়া , ,আদা , হলুদ ,ও মসল্লা জাতীয় ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়। আর টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সেদেশে রপ্তানী করা হয় সিমেন্ট ,প্লাষ্টিক সামগ্রী এ্যলমোনিয়াম সামগ্রী ,হাঙ্গার মাছ ,কচ্ছপের কোলস ,ফেয়ার এন্ড লাভলী ,গামেন্টস কাপড় ,চুলসহ আরো বিভিন্ন পন্যও ইত্যাদি। আবার মিয়ানমারের মংডু থেকে কাকড়াঁ এনে বিক্রি করছে রাখাইনেরা । এখান থেকে ও কাকঁড়া যায় মিয়ানমারে । টেকনাফ স্থল বন্দরে পরিদর্শন করে দেখা গেছে,তিনটি ট্রাকে কাঠের সিপার বোঝাই করা হচ্ছে । বন্দরে দাড়িয়ে আছে আরো ৭-৮ টি ট্রাক স্থল বন্দর জেটিতে কয়েকটি পন্য বোঝাই নৌ- য্না দেখা গেছে। টেকনাফের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও স্থলবন্দরের সূত্রে জানা গেছে। আমদানি -রপ্তানী বানিজ্যের মাধ্যামে প্রতিদিন টেকনাফে ৩৫-৪০ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। শুধু স্থল বন্দর দিয়ে মাসে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকে পাঁচ কোটি টাকা । মিয়ানমারে জাতিগত সংঘাতে আমদানি -রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকারের এ মাসের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না তা নিয়ে সংশয় আছেন সংশ্লিষ্টরা । টেকনাফ সিএন্ড এসোসিয়েশন এর সহ সভাপতি আবুল হাসেম জানান,আচার, মাসকলাই ,শুটকি,তেতুল বিচি,ফেলন ডাল, বরই সহ ১৫ কোটি টাকার পন্য দিয়ে দুটি ৭ জুন বন্দরে এসেছিল। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ শ্রমিক দিতে না পারায় সোমবার পর্যন্ত করে বোট দুটি খালাস না করেই টেকনাফ ত্যাগ করে। এবং বোট দুটি মাঝি -মাল্লা সবাই ছিল রাখাইন সম্প্রদায় । সংঘাত শুরুর পর তারা নিজ দেশে ফিরে গেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। চট্রগ্রাম নগরীর আছাদ গজ্ঞ এলাকার আমদানি কারক প্রতিষ্টান মের্সাস আল -মদিনা ষ্টোরের প্রতিনিধি মোঃ শওকত জানান,দুটি বোটে তাদের তিন কোটি টাকার ১২৬ টন আচার ছিল। মালামাল গুলো লুট হতে পারে বলে তার আশংকা । টেকনাফ সিএন্ড এফ এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক হক জানান, বন্দরে আমদানি -রপ্তানী না হওয়ার কারণে আমরা পথে বসে গেছি। বর্তমানে বন্দরের সার্বিক অবস্থা ঝিমিয়ে পড়েছে। আমদানি কারকেরদের প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। টেকনাফের কাঠ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন,আমাদের কাছে যে পরিমাণ কাঠ মজুদ আছে তাতে একমাস কোন সমস্যা হবে না। এরপর হয়েতো দামের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে।

0 Comments