নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে এ বছর আগে থেকেই পণ্য মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য চাল, ভোজ্যতেল, ডাল, চিনি রসুন, তেল ও মসলাজাতীয় পণ্যের দাম ক্রমে বেড়েই চলছে। কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এ সপ্তাহে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। চালের দামও কমার লক্ষণ নেই। মসলার দামও ক্রেতার নাগালের বাইরে। শাক-সবজির সঙ্গে বেড়ে চলছে মাছ-মাংসের দাম। দাম বাড়ার ফলে এসব পণ্যের বেচাকেনাও কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন গণ-মাধ্যমে জিনিসপত্রের দাম ক্রমে কমে আসছে এ ধরণের কথা শুনা গেলেও বাস্তবে তা ভিন্ন। বাজার ঘুরে ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলে এ রমজানকে সামনে রেখে সব বিষয়ে স্পষ্ট হওয়া গেছে। বিশেষ করে পাইকারি ও খুচরা বাজারে হঠাৎ করেই ভোজ্যতেল এবং চিনির দামে আগুন লেগেছে। ভোজ্যতেল এবং চিনির দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন যে দামে বিক্রি হয়েছে এখন তার দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা। একই অবস্থা চিনি, রসুন, শুকনা মরিচ, আদাসহ সব ধরনের মালামালে। মুরগির দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা করে বড় বাজারের পোল্ট্রি ব্যবসায়ী রহিম জানান, মুরগির আমদানি কম, খাবারের দাম বেশি, ঔষুধের দামও বেশি। তাই দাম ক্রমে বাড়ছে। বাজারে খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, সবজির দামও কিছুটা বাড়তি। বৃষ্টি এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি, বরবটি, করলা, পটল, গোল বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, কাঁচামরিচসহ পুরো সবজির বাজার এখন উত্থাপ। তবে ব্যবসায়ীরা রমজানকে সামনে রেখে মজুদ করে পণ্যমূল্য বাড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের দাম তো বাড়বেই। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারদর নিয়ন্ত্রণে মার্কেটিং অফিসের কোন ধরনের মনিটরিং কার্যক্রম নেই। প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করার জন্য ভূক্তভোগী ক্রেতারা জোর দাবী জানিয়েছেন।
আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে এ বছর আগে থেকেই পণ্য মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য চাল, ভোজ্যতেল, ডাল, চিনি রসুন, তেল ও মসলাজাতীয় পণ্যের দাম ক্রমে বেড়েই চলছে। কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এ সপ্তাহে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। চালের দামও কমার লক্ষণ নেই। মসলার দামও ক্রেতার নাগালের বাইরে। শাক-সবজির সঙ্গে বেড়ে চলছে মাছ-মাংসের দাম। দাম বাড়ার ফলে এসব পণ্যের বেচাকেনাও কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন গণ-মাধ্যমে জিনিসপত্রের দাম ক্রমে কমে আসছে এ ধরণের কথা শুনা গেলেও বাস্তবে তা ভিন্ন। বাজার ঘুরে ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলে এ রমজানকে সামনে রেখে সব বিষয়ে স্পষ্ট হওয়া গেছে। বিশেষ করে পাইকারি ও খুচরা বাজারে হঠাৎ করেই ভোজ্যতেল এবং চিনির দামে আগুন লেগেছে। ভোজ্যতেল এবং চিনির দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন যে দামে বিক্রি হয়েছে এখন তার দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা। একই অবস্থা চিনি, রসুন, শুকনা মরিচ, আদাসহ সব ধরনের মালামালে। মুরগির দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা করে বড় বাজারের পোল্ট্রি ব্যবসায়ী রহিম জানান, মুরগির আমদানি কম, খাবারের দাম বেশি, ঔষুধের দামও বেশি। তাই দাম ক্রমে বাড়ছে। বাজারে খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, সবজির দামও কিছুটা বাড়তি। বৃষ্টি এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি, বরবটি, করলা, পটল, গোল বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, কাঁচামরিচসহ পুরো সবজির বাজার এখন উত্থাপ। তবে ব্যবসায়ীরা রমজানকে সামনে রেখে মজুদ করে পণ্যমূল্য বাড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের দাম তো বাড়বেই। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারদর নিয়ন্ত্রণে মার্কেটিং অফিসের কোন ধরনের মনিটরিং কার্যক্রম নেই। প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করার জন্য ভূক্তভোগী ক্রেতারা জোর দাবী জানিয়েছেন।

0 Comments