নিজস্ব প্রতিবেদক
সন্ত্রাসী ও জমি জবর দখলে সহযোগিতা না করায় কক্সবাজার আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার ৩ ছাত্রীকে অধ্যক্ষ কর্তৃক বে-আইনীভাবে বহিস্কারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে অবিচারের শিকার উক্ত ৩ ছাত্রীর পিতা গতকাল কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ৩ ছাত্রীর পিতা জানান, আমার কন্যা শাকিলা নাজমিন জিপা, জাকিয়া সোলাতানা এবং ভাইয়ের কন্যা কামরুন্নেছা আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তারা নিয়মিত ছাত্রী। মৌলানা ফরিদ এই ৩ ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় পার্শ্ববর্তী কবরস্থান এবং স্থানীয় জনগণের ভিটাবাড়ি দখল কাজে ব্যবহারের চেষ্টা চালায়। কিন্তু আমরা কোন রকম অন্যায় কাজে তাদের ব্যবহার না হওয়ার নির্দেশ দিলে মেয়েরা
অধ্যক্ষের কথা রাখতে অপারগতা প্রকাশ করে। ফলে অধ্যক্ষ ফরিদ আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে ব্যাপক মারধর করে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করে এবং অধ্যক্ষ আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানান আমার কথা না মানলে কেউ এখানে পড়ালেখা করতে পারেনা। এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ আমাদের কাছ থেকে মুচলেকাও দাবি করে। এই অবস্থায় আমরা অধ্যক্ষের কাছে ন্যায় বিচারের জন্য বার বার ধর্না দিলেও কোন অবস্থায় তার মন গলেনি এবং উক্ত ৩ ছাত্রীকে ছাড়পত্রও প্রদান করেননি। ফলে বর্তমানে না বালিকা উক্ত ৩ কোমলমিত শিক্ষার্থীর পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সন্ত্রাসী ও জমি জবর দখলে সহযোগিতা না করায় কক্সবাজার আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার ৩ ছাত্রীকে অধ্যক্ষ কর্তৃক বে-আইনীভাবে বহিস্কারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে অবিচারের শিকার উক্ত ৩ ছাত্রীর পিতা গতকাল কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ৩ ছাত্রীর পিতা জানান, আমার কন্যা শাকিলা নাজমিন জিপা, জাকিয়া সোলাতানা এবং ভাইয়ের কন্যা কামরুন্নেছা আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তারা নিয়মিত ছাত্রী। মৌলানা ফরিদ এই ৩ ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় পার্শ্ববর্তী কবরস্থান এবং স্থানীয় জনগণের ভিটাবাড়ি দখল কাজে ব্যবহারের চেষ্টা চালায়। কিন্তু আমরা কোন রকম অন্যায় কাজে তাদের ব্যবহার না হওয়ার নির্দেশ দিলে মেয়েরা
অধ্যক্ষের কথা রাখতে অপারগতা প্রকাশ করে। ফলে অধ্যক্ষ ফরিদ আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে ব্যাপক মারধর করে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করে এবং অধ্যক্ষ আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানান আমার কথা না মানলে কেউ এখানে পড়ালেখা করতে পারেনা। এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ আমাদের কাছ থেকে মুচলেকাও দাবি করে। এই অবস্থায় আমরা অধ্যক্ষের কাছে ন্যায় বিচারের জন্য বার বার ধর্না দিলেও কোন অবস্থায় তার মন গলেনি এবং উক্ত ৩ ছাত্রীকে ছাড়পত্রও প্রদান করেননি। ফলে বর্তমানে না বালিকা উক্ত ৩ কোমলমিত শিক্ষার্থীর পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

0 Comments