রামু প্রতিনিধি
রামুর জোয়ারিয়ানালা মাদ্রাসা গেইট থেকে মটর সাইকেল ছিনতাইয়ের সাথে উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জ্যোতিষ্ময় বড়–য়া রিগ্যানের জড়িত থাকার গুরতর অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ফোনে মটর সাইকেলের মালিককে হুমকি ও শর্তসাপেক্ষে মটর সাইকেল ফিরিয়ে দেয়ার বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে জ্যোর্তিময় বড়–য়া রিগ্যান নিজেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মটর সাইকেল ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা প্রমান করলো। রামু উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়কের নাম ভাঙ্গিয়ে তার এ অপকর্ম নিয়ে রামুর রাজনীতিক ও সচেতন মহলের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ১৩ জুন সকাল ১১টায় জোয়ারিয়ানার কবির আহমদের পুত্র বাবুল মিয়াকে নন্দাখালী এলাকার নুরুল হুদার পুত্র রবিউল আলম, মৃত হাফেজ আহম্মদের পুত্র আবদুল কাদের, আরিফ উল্লাহ, মোঃ মিজান এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বন্ধু বেশে মোবাইল ফোনে কক্সবাজারস্থ হোটেল এশিয়ার ৩য় তলায় ডেকে নিয়ে যায়। বাবুল মিয়া রুমে প্রবেশ করা মাত্র উক্ত সন্ত্রাসীরা তাকে হাত পা বেঁেধ বেদম প্রহার ও লাটি দিয়ে আঘাত করে মারাত্মকভাবে জখম করে। পরে সন্ত্রাসীরা তার কাছ থেকে মটর সাইকেলের চাবি কেড়ে নেয় এবং তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোয়ারিয়ানালা মাদ্রাসা গেইটস্থ স্বর্ণ দোকানদার রাজিব ধরকে মোবাইল ফোন করিয়ে তার কাছে রক্ষিত বাবুলের (মডেল বাজাজ ডিসকভার) মটরসাইকেলটি সন্ত্রাসীরা নিয়ে যায়, পরে তারা অলিখিত ষ্ট্যাম্প ও কার্টিজ কাগজে জোর পূর্বক বাবুলের কাছ থেকে দস্তখত নেয়। মারধর শেষে রাত ৯টায় দিকে মারাত্মক জখম অবস্থায় সন্ত্রাসীরা তাকে একটি সিএনজি যোগে জোয়ারিয়ানালা ষ্টেশ্েন ফেলে চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। পরের দিন বাবুল মিয়া রামু থানা পুলিশকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করলে রামু উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জ্যোর্তিময় বড়–য়া রিগ্যান শুরু থেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দেয়া এবং থানায় মামলা না নেওয়ার জন্য তদবির চালিয়ে আসছিলো। পরে থানার ওসি নজিবুল ইসলাম মামলা নিতে বাধ্য হন এবং ওইদিনই পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে আটক কর্।ে পরের দিন পুলিশ আসামীদের গাড়িসহ থানায় হাজির হওয়ার কথা বললে তারা হাজির হয়নি। পরে গোপন সূত্রে প্রকাশ পায় যে, ছিনতাইকৃত মটর সাইকেলটি রিগ্যানের বাড়িতেই রয়েছে। যা স্থানীয় অনেকেই রিগ্যানের বাড়িতে উক্ত মটর সাইকেলটি দেখতে পায় । এ বিষয়ে মামলার বাদী বাবুল মিয়া তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানকে অবহিত করলে রহস্যজনক কারনে পুলিশ উক্ত মটর সাইকেলটি উদ্ধার করেনি। এস আই মিজান বাদীকে ওসি না থাকার কারনে মটর সাইকেলটি উদ্ধার করা হয়নি বলে জানায়। এদিকে এ ঘটনা নিয়ে বস্তনিষ্ট সংবাদ প্রকাশিত হলে জ্যের্তিময় বড়–য়া রিগ্যান মোবাইল ফোনে মটর সাইকেল মালিক বাবুল মিয়ার কাছ থেকে ৫০,০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি ও তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিলে উক্ত মটর সাইকেল ফিরিয়ে দেয়া হবে বলে বাদীকে জানায়। যার ভয়েস রেকর্ড ডকুমেন্ট হিসেবে বাদী ও সংবাদ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে এসআই মিজান ছুটিতে আছেন বলে জানান। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে জ্যোর্তিময় বড়–য়া রিগ্যান তার উপর আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এব্যাপারে ছিনতাইয়ের শিকার বাবুল মিয়া ছিনতাইকারীর মূল হোতা রিগ্যান ও অপরাপর অপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক যতাযথ শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
রামুর জোয়ারিয়ানালা মাদ্রাসা গেইট থেকে মটর সাইকেল ছিনতাইয়ের সাথে উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জ্যোতিষ্ময় বড়–য়া রিগ্যানের জড়িত থাকার গুরতর অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ফোনে মটর সাইকেলের মালিককে হুমকি ও শর্তসাপেক্ষে মটর সাইকেল ফিরিয়ে দেয়ার বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে জ্যোর্তিময় বড়–য়া রিগ্যান নিজেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মটর সাইকেল ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা প্রমান করলো। রামু উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়কের নাম ভাঙ্গিয়ে তার এ অপকর্ম নিয়ে রামুর রাজনীতিক ও সচেতন মহলের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ১৩ জুন সকাল ১১টায় জোয়ারিয়ানার কবির আহমদের পুত্র বাবুল মিয়াকে নন্দাখালী এলাকার নুরুল হুদার পুত্র রবিউল আলম, মৃত হাফেজ আহম্মদের পুত্র আবদুল কাদের, আরিফ উল্লাহ, মোঃ মিজান এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বন্ধু বেশে মোবাইল ফোনে কক্সবাজারস্থ হোটেল এশিয়ার ৩য় তলায় ডেকে নিয়ে যায়। বাবুল মিয়া রুমে প্রবেশ করা মাত্র উক্ত সন্ত্রাসীরা তাকে হাত পা বেঁেধ বেদম প্রহার ও লাটি দিয়ে আঘাত করে মারাত্মকভাবে জখম করে। পরে সন্ত্রাসীরা তার কাছ থেকে মটর সাইকেলের চাবি কেড়ে নেয় এবং তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোয়ারিয়ানালা মাদ্রাসা গেইটস্থ স্বর্ণ দোকানদার রাজিব ধরকে মোবাইল ফোন করিয়ে তার কাছে রক্ষিত বাবুলের (মডেল বাজাজ ডিসকভার) মটরসাইকেলটি সন্ত্রাসীরা নিয়ে যায়, পরে তারা অলিখিত ষ্ট্যাম্প ও কার্টিজ কাগজে জোর পূর্বক বাবুলের কাছ থেকে দস্তখত নেয়। মারধর শেষে রাত ৯টায় দিকে মারাত্মক জখম অবস্থায় সন্ত্রাসীরা তাকে একটি সিএনজি যোগে জোয়ারিয়ানালা ষ্টেশ্েন ফেলে চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। পরের দিন বাবুল মিয়া রামু থানা পুলিশকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করলে রামু উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জ্যোর্তিময় বড়–য়া রিগ্যান শুরু থেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দেয়া এবং থানায় মামলা না নেওয়ার জন্য তদবির চালিয়ে আসছিলো। পরে থানার ওসি নজিবুল ইসলাম মামলা নিতে বাধ্য হন এবং ওইদিনই পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে আটক কর্।ে পরের দিন পুলিশ আসামীদের গাড়িসহ থানায় হাজির হওয়ার কথা বললে তারা হাজির হয়নি। পরে গোপন সূত্রে প্রকাশ পায় যে, ছিনতাইকৃত মটর সাইকেলটি রিগ্যানের বাড়িতেই রয়েছে। যা স্থানীয় অনেকেই রিগ্যানের বাড়িতে উক্ত মটর সাইকেলটি দেখতে পায় । এ বিষয়ে মামলার বাদী বাবুল মিয়া তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানকে অবহিত করলে রহস্যজনক কারনে পুলিশ উক্ত মটর সাইকেলটি উদ্ধার করেনি। এস আই মিজান বাদীকে ওসি না থাকার কারনে মটর সাইকেলটি উদ্ধার করা হয়নি বলে জানায়। এদিকে এ ঘটনা নিয়ে বস্তনিষ্ট সংবাদ প্রকাশিত হলে জ্যের্তিময় বড়–য়া রিগ্যান মোবাইল ফোনে মটর সাইকেল মালিক বাবুল মিয়ার কাছ থেকে ৫০,০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি ও তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিলে উক্ত মটর সাইকেল ফিরিয়ে দেয়া হবে বলে বাদীকে জানায়। যার ভয়েস রেকর্ড ডকুমেন্ট হিসেবে বাদী ও সংবাদ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে এসআই মিজান ছুটিতে আছেন বলে জানান। এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে জ্যোর্তিময় বড়–য়া রিগ্যান তার উপর আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এব্যাপারে ছিনতাইয়ের শিকার বাবুল মিয়া ছিনতাইকারীর মূল হোতা রিগ্যান ও অপরাপর অপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক যতাযথ শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

0 Comments