প্রতিনিধি
উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নে রুমখাঁ মহাজন পাড়া (নাপিত পাড়া) গ্রামের হলদিয়া বিটের আওতাধীন ১৯৯৮-৯৯ সনে সৃজিত সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। বন রক্ষক নামের ভক্ষক ভূঁয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম বন আইন‘কে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ভূমিদস্যুদের বৃক্ষ নিধন পূর্বক মাটি কেটে ৫/৬ টি ঝুঁপড়ি ঘর তৈরীর কাজ সহায়তা করে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যার কারনে দেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগ বেড়ে গিয়ে জীব বৈচিত্র ধ্বংশের পাশাপাশি দেশ হুমকির মূখে পতিত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় মৃত লাল মিয়ার পুত্র কু-খ্যাত ভূমিদস্যূ ভুয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নে রুমখাঁ মহাজন পাড়া (নাপিত পাড়া) গ্রামের হলদিয়া বিটের আওতাধীন ১৯৯৮-৯৯ সনে সৃজিত সংরক্ষিত সরকারী বনাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ টাকার মূল্যবান আকাশমনি বৃক্ষ অবৈধ ভাবে নিধন পূর্বক মাটি কেটে নিজেই বহুতল ভবন নির্মান করে ভোগ দখলে নেওয়ার পরেও বর্তমানে বনভূমির অবশিষ্ট প্রায় চার একর জায়গায় হাজারাধিক বৃক্ষ নিধন করে ছয়টি প্লটে বিভক্ত করে ছয়টি ঝুঁপড়ি ঘর তৈরী করে বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিটি প্লট ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকার বিনিময়ে দখল বিক্রি করে সরকারের প্রচুর অর্থ ক্ষতি সাধিত করার পাশাপাশি ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস চালিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের কর্মকর্তা -কর্মচারীদের এখনো ঘুম ভাঙ্গেনি। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রুমখাঁ মহাজন পাড়া (নাপিত পাড়া) গ্রামের ১৯৯৮-৯৯ সনের সৃজিত সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভূমিগ্রাসী, কূ-খ্যাত ভূমিদস্যু মৃত লাল মিয়ার পুত্র নামধারী ভূয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম ও তার সন্ত্রাসী পুত্র ইলিয়াস সহ ৭/৮ জনের একটি সিন্ডিকেট ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হামলা-মামলা ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক অনৈতিক সুবিধা আদায় করে আসছে। তার এ অপকর্মে স্থানীয় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য সজল কান্তি দাস বাধাঁ হয়ে দাড়ালে তাকেও প্রাণে মারার ভয় ভীতি প্রর্দশনে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না, যদিও বা সাহস করে তাদের অপকর্মের কেউ প্রতিবাদ করে থাকলে তাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক মিথ্যা বন মামলায়। এতে করে এলাকার সাধারণ মানুষ এক প্রকার ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি ভূমিদস্যু ও অপরাধ জগতের হুতা, কূ-খ্যাত ভূমিদস্যু মৃত লাল মিয়ার পুত্র ভূয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম ও তার সন্ত্রাসী পুত্র ইলিয়াস সহ ৭/৮ জনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে সরকারী রাস্তার গাছ কাটা সহ সংরক্ষিত সরকারী বনাঞ্চলের বৃক্ষ নিধন পূর্বক মাটি কেটে বিলাস বহুল বসত বাড়ী নির্মাণ করে গেলেও বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে বন বিভাগের জায়গা নিয়ে উপজেলা জুড়ে বিরাজ করছে এক ধরনের অস্থিরতা। এদিকে সরকারের প্রচুর ক্ষতি সাধিত করে আসলেও বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করায় সাধারণ জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ভুমিদস্যু চক্রদের সাথে ক্ষমতাসীন দলের নেতা, পুলিশ, বন বিভাগের উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের গোপন আতাঁত থাকায় তারা কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। এতে আইনের শাসন নিয়ে স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। আইন আসলে কোন গতিতে চলে? আইন যদি আইনের গতিতে চলতো তাহলে বন রক্ষক নামের ভক্ষকরায় দেশের শত কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও এদেশের জীববৈচিত্রকে ধ্বংশের মূখে ঠেলে দিতে সাহস পেত না। আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ার কারনে দেশদ্রোহী ভূমিগ্রাসীরা নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ড সৃষ্টি করে দেশকে হুমকির মূখে পতিত করছে। এতে সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খামখেয়ালীপনার কারনে সরকারী সম্পদ ভূমি দখলবাজদের হাতে চলে যাচ্ছে। অপরদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, ৯ মার্চ হাতির ঘোনা গ্রামের বন বিভাগের ভিলেজার ফরিদ আলম খুনের নেপথ্যে রয়েছে আর একটি বিলাস বহুল অট্ট্রালিকার মূল কারণ বলে অনেকে ধারণা করেছেন। তাদের সিন্ডিকেটের গডফাদারদের আইন আওতায় আনা হলে খুনের প্রকৃত রহস্য সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করছেন সচেতন মহল। কথিত খুনিদের গং শামশুল আলম প্রধান বন বিভাগের জায়গা দখলে নিতে ও বহুতল ভবন নির্মানে বাধাঁ হয়ে দাঁড়ায় নিহত ভিলেজার ফরিদ আলম। যার ফলে শামশুল আলম ও ইমাম শরীফের ইন্ধনে পরিকল্পিত ভাবে প্রকাশ্যে দিবালোকে নির্মম চুরিকাঘাতে নিহত হয় ফরিদ আলম। বর্তমানে খুনিদের মধ্যে কয়েকজন জেল হাজতে থাকলেও রাঘব বোয়ালরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকায় বাদীপক্ষ মামলা প্রত্যাহারের হুমকি সহ তাদের কু-কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিমত, বন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত বন রক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতায় থাকলেও উর্ধ্বতন বন বিভাগ আইন প্রশাসনের কাছে অসহায়ের মত অবস্থার পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। একজন বয়োবৃদ্ধ আক্ষেপ করে বলেন, আর কত ভিলেজার খুন হলে বন বিভাগের উল্লেখিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বন-বিভাগ? আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেশের স্বাধীনতার রক্ষার শপথ গ্রহণ করে পবিত্র পোশাককে অপবিত্র করে দেশের আইনকে কলুষিত করে এদেশের মানকে ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস চালায় কোন ক্ষমতার জোরে? তাদের খুঁটির জোর কোথায়? এছাড়াও উপজেলার আনাছে-কানাছে সরকারের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ভূমিদস্যূদের কবলে চলে যাচ্ছে। এতে জীববৈচিত্র ও পরিবেশ হুমূখীর মূখে পড়ার আশংকা রয়েছে। তাই জীববৈচিত্রের স্থিতিশীল ও প্রাকৃতিক পরিবেশকে রক্ষা করার জন্য বনভূমি দখলকারী ভূমিদস্যূ ও দেশের বনসম্পদ রক্ষক নামের ভক্ষকদের আইনের আওতায় এনে বন সম্পদ রক্ষা পূর্বক প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য দায়িত্বরত বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করছেন উপজেলার সচেতন মহল। এ ব্যাপারে হলদিয়া বিট কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ বলেন, কোন ধরনের সরকারী পৃষ্টপোশকতা না থাকায় যাযাবর জীবন যাপন করে বনভূমি রক্ষা করতে কষ্টকর হয়ে পড়েছে। সরকারী পৃষ্টপোশকতা পেলে বনাঞ্চল রক্ষা করা আরএকটু সহজ হবে।
উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নে রুমখাঁ মহাজন পাড়া (নাপিত পাড়া) গ্রামের হলদিয়া বিটের আওতাধীন ১৯৯৮-৯৯ সনে সৃজিত সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। বন রক্ষক নামের ভক্ষক ভূঁয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম বন আইন‘কে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ভূমিদস্যুদের বৃক্ষ নিধন পূর্বক মাটি কেটে ৫/৬ টি ঝুঁপড়ি ঘর তৈরীর কাজ সহায়তা করে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যার কারনে দেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগ বেড়ে গিয়ে জীব বৈচিত্র ধ্বংশের পাশাপাশি দেশ হুমকির মূখে পতিত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় মৃত লাল মিয়ার পুত্র কু-খ্যাত ভূমিদস্যূ ভুয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নে রুমখাঁ মহাজন পাড়া (নাপিত পাড়া) গ্রামের হলদিয়া বিটের আওতাধীন ১৯৯৮-৯৯ সনে সৃজিত সংরক্ষিত সরকারী বনাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ টাকার মূল্যবান আকাশমনি বৃক্ষ অবৈধ ভাবে নিধন পূর্বক মাটি কেটে নিজেই বহুতল ভবন নির্মান করে ভোগ দখলে নেওয়ার পরেও বর্তমানে বনভূমির অবশিষ্ট প্রায় চার একর জায়গায় হাজারাধিক বৃক্ষ নিধন করে ছয়টি প্লটে বিভক্ত করে ছয়টি ঝুঁপড়ি ঘর তৈরী করে বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিটি প্লট ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকার বিনিময়ে দখল বিক্রি করে সরকারের প্রচুর অর্থ ক্ষতি সাধিত করার পাশাপাশি ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস চালিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের কর্মকর্তা -কর্মচারীদের এখনো ঘুম ভাঙ্গেনি। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রুমখাঁ মহাজন পাড়া (নাপিত পাড়া) গ্রামের ১৯৯৮-৯৯ সনের সৃজিত সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভূমিগ্রাসী, কূ-খ্যাত ভূমিদস্যু মৃত লাল মিয়ার পুত্র নামধারী ভূয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম ও তার সন্ত্রাসী পুত্র ইলিয়াস সহ ৭/৮ জনের একটি সিন্ডিকেট ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হামলা-মামলা ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক অনৈতিক সুবিধা আদায় করে আসছে। তার এ অপকর্মে স্থানীয় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য সজল কান্তি দাস বাধাঁ হয়ে দাড়ালে তাকেও প্রাণে মারার ভয় ভীতি প্রর্দশনে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না, যদিও বা সাহস করে তাদের অপকর্মের কেউ প্রতিবাদ করে থাকলে তাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক মিথ্যা বন মামলায়। এতে করে এলাকার সাধারণ মানুষ এক প্রকার ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি ভূমিদস্যু ও অপরাধ জগতের হুতা, কূ-খ্যাত ভূমিদস্যু মৃত লাল মিয়ার পুত্র ভূয়া হেডম্যান আব্দুস সালাম ও তার সন্ত্রাসী পুত্র ইলিয়াস সহ ৭/৮ জনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে সরকারী রাস্তার গাছ কাটা সহ সংরক্ষিত সরকারী বনাঞ্চলের বৃক্ষ নিধন পূর্বক মাটি কেটে বিলাস বহুল বসত বাড়ী নির্মাণ করে গেলেও বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে বন বিভাগের জায়গা নিয়ে উপজেলা জুড়ে বিরাজ করছে এক ধরনের অস্থিরতা। এদিকে সরকারের প্রচুর ক্ষতি সাধিত করে আসলেও বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করায় সাধারণ জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ভুমিদস্যু চক্রদের সাথে ক্ষমতাসীন দলের নেতা, পুলিশ, বন বিভাগের উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের গোপন আতাঁত থাকায় তারা কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। এতে আইনের শাসন নিয়ে স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। আইন আসলে কোন গতিতে চলে? আইন যদি আইনের গতিতে চলতো তাহলে বন রক্ষক নামের ভক্ষকরায় দেশের শত কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও এদেশের জীববৈচিত্রকে ধ্বংশের মূখে ঠেলে দিতে সাহস পেত না। আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ার কারনে দেশদ্রোহী ভূমিগ্রাসীরা নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ড সৃষ্টি করে দেশকে হুমকির মূখে পতিত করছে। এতে সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খামখেয়ালীপনার কারনে সরকারী সম্পদ ভূমি দখলবাজদের হাতে চলে যাচ্ছে। অপরদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, ৯ মার্চ হাতির ঘোনা গ্রামের বন বিভাগের ভিলেজার ফরিদ আলম খুনের নেপথ্যে রয়েছে আর একটি বিলাস বহুল অট্ট্রালিকার মূল কারণ বলে অনেকে ধারণা করেছেন। তাদের সিন্ডিকেটের গডফাদারদের আইন আওতায় আনা হলে খুনের প্রকৃত রহস্য সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করছেন সচেতন মহল। কথিত খুনিদের গং শামশুল আলম প্রধান বন বিভাগের জায়গা দখলে নিতে ও বহুতল ভবন নির্মানে বাধাঁ হয়ে দাঁড়ায় নিহত ভিলেজার ফরিদ আলম। যার ফলে শামশুল আলম ও ইমাম শরীফের ইন্ধনে পরিকল্পিত ভাবে প্রকাশ্যে দিবালোকে নির্মম চুরিকাঘাতে নিহত হয় ফরিদ আলম। বর্তমানে খুনিদের মধ্যে কয়েকজন জেল হাজতে থাকলেও রাঘব বোয়ালরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকায় বাদীপক্ষ মামলা প্রত্যাহারের হুমকি সহ তাদের কু-কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিমত, বন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত বন রক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতায় থাকলেও উর্ধ্বতন বন বিভাগ আইন প্রশাসনের কাছে অসহায়ের মত অবস্থার পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। একজন বয়োবৃদ্ধ আক্ষেপ করে বলেন, আর কত ভিলেজার খুন হলে বন বিভাগের উল্লেখিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বন-বিভাগ? আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেশের স্বাধীনতার রক্ষার শপথ গ্রহণ করে পবিত্র পোশাককে অপবিত্র করে দেশের আইনকে কলুষিত করে এদেশের মানকে ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস চালায় কোন ক্ষমতার জোরে? তাদের খুঁটির জোর কোথায়? এছাড়াও উপজেলার আনাছে-কানাছে সরকারের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ভূমিদস্যূদের কবলে চলে যাচ্ছে। এতে জীববৈচিত্র ও পরিবেশ হুমূখীর মূখে পড়ার আশংকা রয়েছে। তাই জীববৈচিত্রের স্থিতিশীল ও প্রাকৃতিক পরিবেশকে রক্ষা করার জন্য বনভূমি দখলকারী ভূমিদস্যূ ও দেশের বনসম্পদ রক্ষক নামের ভক্ষকদের আইনের আওতায় এনে বন সম্পদ রক্ষা পূর্বক প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য দায়িত্বরত বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করছেন উপজেলার সচেতন মহল। এ ব্যাপারে হলদিয়া বিট কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ বলেন, কোন ধরনের সরকারী পৃষ্টপোশকতা না থাকায় যাযাবর জীবন যাপন করে বনভূমি রক্ষা করতে কষ্টকর হয়ে পড়েছে। সরকারী পৃষ্টপোশকতা পেলে বনাঞ্চল রক্ষা করা আরএকটু সহজ হবে।

0 Comments