কক্সবাজার নিউজ.কম
নারী নির্যাতন, ইভটিজিং-সহ নারীদের প্রতি সকল সহিংসতা প্রতিরোধে কক্সবাজারে যাত্রা শুরু হলো ৮ নারী বান্ধব পুলিশ অফিসারের। নারীর প্রতি সহিংসতা
প্রতিরোধ-নারীর অবদানের স্বীকৃতি ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে আজ সকাল থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু হয় তাদের।
যাত্রার শুরুতে অফিসাররা বললেন অতীতের চেয়ে নারীদের আলাদা ভাবে চাহিদার চেয়ে বেশী সেবা দেয়ার প্রত্যয় নিয়েই তাদের যাত্রা। আর এ দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে পারে সেজন্য জেলাবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন তারা।
এতে জেলার নারীরা নির্যাতন এবং ইভটিজিং থেকে অনেকটা মুক্তি পাবে বলে আশা করছেন জেলার সচেতন ব্যক্তিরা। তবে জেলাবাসীর জন্য ব্যতিক্রমধর্মী এ আয়োজন যাতে ক্ষনিকের জন্য না হয় সেদিকে পুলিশ প্রশাসনকে খেয়াল রাখতেও তাগিদ দিয়েছেন সুশীল সমাজ। কক্সবাজার মডেল থানা প্রাঙ্গনে জেলা পুলিশের আয়োজনে, নারী ও শিশু সুরক্ষা নেটওর্য়াক ও পাল¯ কক্সবাজারের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘নারীর প্রতি আমাদের সম্মান’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এ তাগিদ দেন বক্তারা।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, নারীরা হচ্ছে দেশের উন্নয়নের অংশীদার। তাদের প্রতি যদি সকল প্রকার সহিংসতা প্রতিরোধ করা না যায় তাহলে দেশ অনেকটা পিছিয়ে পড়বে। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম কুমার পাল, নারী কোর্টের পিপি এডভোকেট নুরুল ইসলাম, নারী ও শিশু সুরক্ষা নেটওর্য়াক ও পাল¯ কক্সবাজারের চেয়ারম্যান আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা, প্রবীন নারী নেত্রী খোরশেদ আরা হক, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান কানিজ ফাতেমা মোস্তাক। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তোফায়েল আহম্মদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল হাসান পিপিএম, কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র হেলেনাজ তাহেরা, নারী নেত্রী শামীমা আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ৫ জন নির্যাতিত নারী তাদের প্রতি পারিবারিক নির্যাতনের চিত্র সবার সামনে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে পাল¯ কক্সবাজারের চেয়ারম্যান আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকার পক্ষ থেকে ৮ নারী বান্ধব অফিসারদের ৮টি মোবাইল ফোন দেয়া হয়।

0 Comments