পেকুয়া প্রতিনিধি
পেকুয়ায় এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ওয়াপদার বেড়িবাধ কেটে চিংড়ি প্রজেক্টের ঘের তৈরি করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বেড়িবাধ কেটে দেওয়ায় চলতি মৌসুমে ওজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলে পুরু পেকুয়া বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে পেকুয়াবাসী উদ্বীগ্ন এবং খোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব মেহেরনামা বেড়িবাধের গুইল্ল্যাখালীরে টেক নামক স্থানে একই এলাকার মৃত মাহামদ আলীর পুত্র আলী হোছাইন প্রঃ গুজাইয়া তার চিংড়ি প্রজেক্টের ঘের তৈরি ও পানি চলাচলের জন্য বেড়িবাধ কেটে ফেলে। খবর পেয়ে স্থানীয় ওয়ার্ডের মেম্বার জাকারিয়া ও সাধারণ জনগন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করলে কাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা পালিয়ে গেলেও প্রবাভশালী আলী হোসেন মারমুখী হয়ে মেম্বারের ধিকে তেড়ে আসে। জানা যায় ঐ আলী হোসেন প্রঃ গুজাইয়া একজন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাস, ভূমিদস্যু ও ফেরারী আসামী। তার বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় একাধীক মামলা রয়েছে। সে বর্তমানে জি.আর ১২/১১ইং মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী। সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলে পানির স্রোতে ঐ বেড়ি বাধ ভেঙ্গে গিয়ে বিগত কয়েকবছর পূর্বে পুরু পেকুয়া বন্যায় তলিয়ে যায়। ঘর বাড়ী ভেঙ্গে খোলা আকাশের নিচে জীবন যাপন করেছে হাজার হাজার অসহায় মানুষ। লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ও প্রানহানীর ঘটনা ঘটেছে অহরহ। গত ২০১০-২০১১সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে ঐ বেড়িবাধের উপর ব্লক নির্মান করে জনগণকে বন্যা থেকে ঝুকিমুক্ত করলেও সম্প্রতিও ঐ প্রভাবশালী ব্যাক্তি নিজের ফায়দা লোটের উদ্দেশ্যে বেড়িবাধ কেটে চিংড়ি প্রজেক্টের ঘের তৈরির পায়তারা শুরু করেছে। বর্তমানে ঐ বেড়িবাধ কাটার ফলে প্রায় ৭/৮চেইন রাস্তা বর্ষা মৌসুমে ভেঙ্গে যাওয়ার ঝুকিতে রয়েছে। অভিযোগ সূত্রে আরোও জানা যায় আলী হোসেন ঐ চিংড়ি প্রজেক্টের জায়গা অন্যজনের কাছ থেকে জোর করে জবরদখল করে নিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তি আলী হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে, বলেন আমি আমার নিজস্ব জমিতে চিংড়ি প্রজেক্টের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী আবুল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে বেড়িবাধের রাস্তাটি কেটেছি। এতে আমার দোষের কিছুই নাই। মেম্বার জাকারিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বেড়িবাধ কেটে ফেলার ফলে পেকুয়ার প্রায় ৩৭,০০০/- হাজার জনগণ বর্ষা মৌসুমে বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। কেটে ফেলা বেড়িবাধ আমি সাধারণ জনগনকে নিয়ে পুনরায় ভরাট করার চেষ্টা চালাচ্ছি। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসি মিলন বাবু জানান স্থানীয় মেম্বার আমাকে এই বিষয়ে অবগত করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িত ব্যাক্তি ও আমার অফিসের কোন কর্মকর্তা জড়িত থাকলে বিহীত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পেকুয়ায় এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ওয়াপদার বেড়িবাধ কেটে চিংড়ি প্রজেক্টের ঘের তৈরি করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বেড়িবাধ কেটে দেওয়ায় চলতি মৌসুমে ওজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলে পুরু পেকুয়া বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে পেকুয়াবাসী উদ্বীগ্ন এবং খোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব মেহেরনামা বেড়িবাধের গুইল্ল্যাখালীরে টেক নামক স্থানে একই এলাকার মৃত মাহামদ আলীর পুত্র আলী হোছাইন প্রঃ গুজাইয়া তার চিংড়ি প্রজেক্টের ঘের তৈরি ও পানি চলাচলের জন্য বেড়িবাধ কেটে ফেলে। খবর পেয়ে স্থানীয় ওয়ার্ডের মেম্বার জাকারিয়া ও সাধারণ জনগন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করলে কাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা পালিয়ে গেলেও প্রবাভশালী আলী হোসেন মারমুখী হয়ে মেম্বারের ধিকে তেড়ে আসে। জানা যায় ঐ আলী হোসেন প্রঃ গুজাইয়া একজন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাস, ভূমিদস্যু ও ফেরারী আসামী। তার বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় একাধীক মামলা রয়েছে। সে বর্তমানে জি.আর ১২/১১ইং মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী। সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলে পানির স্রোতে ঐ বেড়ি বাধ ভেঙ্গে গিয়ে বিগত কয়েকবছর পূর্বে পুরু পেকুয়া বন্যায় তলিয়ে যায়। ঘর বাড়ী ভেঙ্গে খোলা আকাশের নিচে জীবন যাপন করেছে হাজার হাজার অসহায় মানুষ। লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ও প্রানহানীর ঘটনা ঘটেছে অহরহ। গত ২০১০-২০১১সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে ঐ বেড়িবাধের উপর ব্লক নির্মান করে জনগণকে বন্যা থেকে ঝুকিমুক্ত করলেও সম্প্রতিও ঐ প্রভাবশালী ব্যাক্তি নিজের ফায়দা লোটের উদ্দেশ্যে বেড়িবাধ কেটে চিংড়ি প্রজেক্টের ঘের তৈরির পায়তারা শুরু করেছে। বর্তমানে ঐ বেড়িবাধ কাটার ফলে প্রায় ৭/৮চেইন রাস্তা বর্ষা মৌসুমে ভেঙ্গে যাওয়ার ঝুকিতে রয়েছে। অভিযোগ সূত্রে আরোও জানা যায় আলী হোসেন ঐ চিংড়ি প্রজেক্টের জায়গা অন্যজনের কাছ থেকে জোর করে জবরদখল করে নিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তি আলী হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে, বলেন আমি আমার নিজস্ব জমিতে চিংড়ি প্রজেক্টের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী আবুল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে বেড়িবাধের রাস্তাটি কেটেছি। এতে আমার দোষের কিছুই নাই। মেম্বার জাকারিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বেড়িবাধ কেটে ফেলার ফলে পেকুয়ার প্রায় ৩৭,০০০/- হাজার জনগণ বর্ষা মৌসুমে বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। কেটে ফেলা বেড়িবাধ আমি সাধারণ জনগনকে নিয়ে পুনরায় ভরাট করার চেষ্টা চালাচ্ছি। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসি মিলন বাবু জানান স্থানীয় মেম্বার আমাকে এই বিষয়ে অবগত করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িত ব্যাক্তি ও আমার অফিসের কোন কর্মকর্তা জড়িত থাকলে বিহীত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 Comments