ডেস্ক রিপোর্ট
দেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার আজ ঢাকায় ফিরেছেন। সঙ্গে ফিরেছেন তার সঙ্গী দ্বিতীয়বারের মতো এভারেস্ট জয়ী এম এ মুহিত। তাদের সঙ্গে আরো এসেছেন তাদের গাইড মিংমা গ্যালজে শেরপা। এদিকে ওয়াসফিয়া নাজরীনও তার বিপদসঙ্কুল এভারেস্ট যাত্রা শেষ করে
নিরাপদে নেমে এসেছেন লুকলায়। গত শুক্রবার লুকলায় এলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখান থেকে তিনি কাঠমুন্ড আসতে পারছেন না। আবহাওয়া ভালো থাকলে আজই
কাঠমুন্ডগামী হেলিকপ্টারে উঠবেন তিনি। এরপর নানা আনুষ্ঠানিকতা সেরে ২/৩ দিনের মধ্যে ঘরে ফিরে আসবেন এভারেস্ট জয়ী দেশের দ্বিতীয় নারী এবং চতুর্থ পর্বতারোহী ওয়াসফিয়াও।
আজ দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে (বিজি-৭০২) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন নিশাত-মুহিত। এর আগে সকালে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এভারেস্ট জয়ের সনদ গ্রহণ করে দুপুর ১২টায় তারা কাঠমুন্ড বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বিমানবন্দরে দুই পরিবারের সদস্য, নিশাতের কর্মস্থল ঢাকা ওয়াসা এবং বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং এন্ড ট্র্যাকিং (বিএমটিসি) ক্লাবের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেয়া হয়। নিশাত মজুমদার ও এমএ মুহিত দুজনই বিএমটিসির সদস্য এবং তাদের এভারেস্ট অভিযানের অন্যতম উদ্যোক্তা বিএমটিসি।
নিশাতের বাবা আব্দুল মান্নান মজুমদার এবং বিএমটিসির কর্মকর্তারা আরো জানান, দেশের প্রথম নারী-পুরুষ এভারেস্ট অভিযানের সফল অভিযাত্রী নিশাত-মুহিতকে সংবর্ধনা জানাতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়। ঢাকায় অবতরণের পর তাদের দুজনকে নিয়ে বর্ণাঢ্য গাড়ি র্যালি বের করে। র্যালিটি বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে শহীদ মিনার হয়ে তাঁতিবাজার গিয়ে শেষ হয়। নিশাতের প্রতিষ্ঠান ঢাকা ওয়াসাও সংবর্ধনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংবর্ধনা দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও। তবে বাংলাদেশের অপর নারী এভারেস্ট জয়ী ওয়াসফিয়া নাজরীন দেশে ফেরার পর। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একই অনুষ্ঠানে নিশাত, মুহিত, ওয়াসফিয়া ছাড়াও সংবর্ধিত করবে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো মুসা ইব্রাহীমকে।
১৯ মে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এভারেস্টের সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠেন নিশাত মজুমদার ও এম এ মুহিত। এর ঠিক ১ সপ্তাহ পর ২৬ মে সকাল ৬টা ৩১ মিনিটে সেখানে পা রাখেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম। এরপর ২০১১ সালের ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন এমএ মুহিত। এবার মুহিতের দ্বিতীয় বারের মতো এভারেস্ট জয়, যা বাংলাদেশের পর্বতারোহণের ইতিহাসে অনন্য। তাছাড়া আগেরবার মুহিত তিব্বতের দিক থেকে এভারেস্ট চূড়া জয় করেন। এবার করেন নেপালের দিক থেকে। ফলে তিনিই একমাত্র বাঙালি যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দুই দিক থেকেই এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়েছেন। নিশাত ও মুহিত তাদের এই অভিযান বাংলাদেশের তরুণদের উৎসর্গ করেছেন।
উল্লেখ্য, ৯ এপ্রিল এভারেস্টেরে উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু ঢাকা ওয়াসার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিশাত মজুমদার। তবে ২৭ এপ্রিল তুষারধসে তিনি সামান্য আহত হন। হিমালয়ান রেসকিউ অ্যাসোসিয়েশন বেসক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফের যাত্রা শুরু করেন। সফল অভিযান শেষে ২২ মে বেসক্যাম্পে ফেরেন নিশাত ও মুহিত। এরপর ২৭ মে লুকলায় নামেন তারা; কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় সেখানে যাত্রাবিরতি করতে হয় তাদের। অবশেষে ৩১ মে আবহাওয়া ভালো হলে হেলিকপ্টারে করে সকাল ১০টায় নেপালের কাঠমুন্ড ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামেন।
ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নিশাত ও মুহিতকে ফুলের মালা ও উত্তরীয় দিয়ে বরণ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (হিসাব) হারুন অর রশীদ, সুইস বেকারির স্বত্ত্বাধিকারী উলফাত কাদের, পর্বতারোহী মীর শামসুল আলম, কায়সার কাদের, বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মৃধাসহ অনেকেই।
দেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার আজ ঢাকায় ফিরেছেন। সঙ্গে ফিরেছেন তার সঙ্গী দ্বিতীয়বারের মতো এভারেস্ট জয়ী এম এ মুহিত। তাদের সঙ্গে আরো এসেছেন তাদের গাইড মিংমা গ্যালজে শেরপা। এদিকে ওয়াসফিয়া নাজরীনও তার বিপদসঙ্কুল এভারেস্ট যাত্রা শেষ করে
নিরাপদে নেমে এসেছেন লুকলায়। গত শুক্রবার লুকলায় এলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখান থেকে তিনি কাঠমুন্ড আসতে পারছেন না। আবহাওয়া ভালো থাকলে আজই
কাঠমুন্ডগামী হেলিকপ্টারে উঠবেন তিনি। এরপর নানা আনুষ্ঠানিকতা সেরে ২/৩ দিনের মধ্যে ঘরে ফিরে আসবেন এভারেস্ট জয়ী দেশের দ্বিতীয় নারী এবং চতুর্থ পর্বতারোহী ওয়াসফিয়াও।
আজ দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে (বিজি-৭০২) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন নিশাত-মুহিত। এর আগে সকালে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এভারেস্ট জয়ের সনদ গ্রহণ করে দুপুর ১২টায় তারা কাঠমুন্ড বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বিমানবন্দরে দুই পরিবারের সদস্য, নিশাতের কর্মস্থল ঢাকা ওয়াসা এবং বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং এন্ড ট্র্যাকিং (বিএমটিসি) ক্লাবের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেয়া হয়। নিশাত মজুমদার ও এমএ মুহিত দুজনই বিএমটিসির সদস্য এবং তাদের এভারেস্ট অভিযানের অন্যতম উদ্যোক্তা বিএমটিসি।
নিশাতের বাবা আব্দুল মান্নান মজুমদার এবং বিএমটিসির কর্মকর্তারা আরো জানান, দেশের প্রথম নারী-পুরুষ এভারেস্ট অভিযানের সফল অভিযাত্রী নিশাত-মুহিতকে সংবর্ধনা জানাতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়। ঢাকায় অবতরণের পর তাদের দুজনকে নিয়ে বর্ণাঢ্য গাড়ি র্যালি বের করে। র্যালিটি বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে শহীদ মিনার হয়ে তাঁতিবাজার গিয়ে শেষ হয়। নিশাতের প্রতিষ্ঠান ঢাকা ওয়াসাও সংবর্ধনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংবর্ধনা দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও। তবে বাংলাদেশের অপর নারী এভারেস্ট জয়ী ওয়াসফিয়া নাজরীন দেশে ফেরার পর। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একই অনুষ্ঠানে নিশাত, মুহিত, ওয়াসফিয়া ছাড়াও সংবর্ধিত করবে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো মুসা ইব্রাহীমকে।
১৯ মে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এভারেস্টের সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠেন নিশাত মজুমদার ও এম এ মুহিত। এর ঠিক ১ সপ্তাহ পর ২৬ মে সকাল ৬টা ৩১ মিনিটে সেখানে পা রাখেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম। এরপর ২০১১ সালের ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন এমএ মুহিত। এবার মুহিতের দ্বিতীয় বারের মতো এভারেস্ট জয়, যা বাংলাদেশের পর্বতারোহণের ইতিহাসে অনন্য। তাছাড়া আগেরবার মুহিত তিব্বতের দিক থেকে এভারেস্ট চূড়া জয় করেন। এবার করেন নেপালের দিক থেকে। ফলে তিনিই একমাত্র বাঙালি যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দুই দিক থেকেই এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়েছেন। নিশাত ও মুহিত তাদের এই অভিযান বাংলাদেশের তরুণদের উৎসর্গ করেছেন।
উল্লেখ্য, ৯ এপ্রিল এভারেস্টেরে উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু ঢাকা ওয়াসার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিশাত মজুমদার। তবে ২৭ এপ্রিল তুষারধসে তিনি সামান্য আহত হন। হিমালয়ান রেসকিউ অ্যাসোসিয়েশন বেসক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফের যাত্রা শুরু করেন। সফল অভিযান শেষে ২২ মে বেসক্যাম্পে ফেরেন নিশাত ও মুহিত। এরপর ২৭ মে লুকলায় নামেন তারা; কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় সেখানে যাত্রাবিরতি করতে হয় তাদের। অবশেষে ৩১ মে আবহাওয়া ভালো হলে হেলিকপ্টারে করে সকাল ১০টায় নেপালের কাঠমুন্ড ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামেন।
ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নিশাত ও মুহিতকে ফুলের মালা ও উত্তরীয় দিয়ে বরণ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (হিসাব) হারুন অর রশীদ, সুইস বেকারির স্বত্ত্বাধিকারী উলফাত কাদের, পর্বতারোহী মীর শামসুল আলম, কায়সার কাদের, বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মৃধাসহ অনেকেই।


0 Comments