জিয়াবুল হক, টেকনাফ
মিয়ানমারের রাখাইন ও মুসলিম রোহিঙ্গার মাঝে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রভাবে এক প্রকার টেকনাফ স্থলবন্দর অচল হয়ে পড়েছে। সৃষ্ট সমস্যার কারণে মিয়ানমার থেকে কোন
পন্য বোঝাই ট্রলার আসছে না এবং যাচ্ছে না কোন পন্য বোঝাই ট্রলার। এতে টেকনাফ স্থলবন্দর ব্যবসায়ীদের মাঝে আতংকের পাশাপাশি চরম হতাশা বিরাজ করছে। কেননা টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের হাজার হাজার কোটি টাকা মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের কাছে দাদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ গোলযোগের কারণে ব্যবসায়ীদের দেওয়া কোটি কোটি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা তো দূরের কথা স্থল বন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গতকাল ১২ জুন মঙ্গলবার ভোররাতে ২টি পন্য বোঝাই ট্রলারগুলো মাল খালাশ না করে মিয়ানমারের পালিয়ে যায়।
এব্যাপারে ট্রলারগুলোর মালিক মোঃ হাশেম, ফারুক, কামরুল হাসান, শওকত ও হাকিম জানান, কয়েকজন মিলে তারা মিয়ানমারের কয়েকজন ব্যবসায়ীকে মাল কেনার আশায় প্রায় ১২ কোটি টাকা দাদন দিয়েছিল। মিয়ানমারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে পন্য বোঝাই ট্রলার টেকনাফ স্থল বন্দরে আসায় তাদের মনে স্বস্থি ফিরে আসে। হঠাৎ করে আইজিএম জমা দেওয়া নোঙ্গর করা ট্রলার রাতের আধারে নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় আমাদের অনেক আর্থিক ক্ষতি হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে দাদন দেওয়া টাকা ফিরে পাওয়ার কোন আশা দেখা যাচ্ছে না।
আমদানী ও রপ্তানীকারক প্রতিষ্টান এস কে ইন্টারন্যাশনালের স্বত্ত্বাধিকারী সাইফুল করিম জানান, এ সপ্তাহে আমার ৩টি কাঠ বোঝাই ট্রলার মিয়ানমার থেকে আসার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক গন্ডগোলের কারণে ব্যবসায়ীদের সাথে কোনভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কাঠ বোঝাই ট্রলারের আশায় স্থানীয় বাজার থেকে যেই টাকা তুলে মিয়ানমারে দেওয়া হয়েছে তা ফেরত পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
টেকনাফ কাস্টমস সুপার কাজী আবুল হোসেন জানান, মিয়ানমারে সৃষ্ট ঘটনার পর থেকে সরকারী কোষাগারে কোন ধরনের রাজস্ব জমা পড়েনি। এর প্রভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক বেধে দেওয়া রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে না।
মিয়ানমারের রাখাইন ও মুসলিম রোহিঙ্গার মাঝে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রভাবে এক প্রকার টেকনাফ স্থলবন্দর অচল হয়ে পড়েছে। সৃষ্ট সমস্যার কারণে মিয়ানমার থেকে কোন
পন্য বোঝাই ট্রলার আসছে না এবং যাচ্ছে না কোন পন্য বোঝাই ট্রলার। এতে টেকনাফ স্থলবন্দর ব্যবসায়ীদের মাঝে আতংকের পাশাপাশি চরম হতাশা বিরাজ করছে। কেননা টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের হাজার হাজার কোটি টাকা মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের কাছে দাদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ গোলযোগের কারণে ব্যবসায়ীদের দেওয়া কোটি কোটি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা তো দূরের কথা স্থল বন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গতকাল ১২ জুন মঙ্গলবার ভোররাতে ২টি পন্য বোঝাই ট্রলারগুলো মাল খালাশ না করে মিয়ানমারের পালিয়ে যায়।
এব্যাপারে ট্রলারগুলোর মালিক মোঃ হাশেম, ফারুক, কামরুল হাসান, শওকত ও হাকিম জানান, কয়েকজন মিলে তারা মিয়ানমারের কয়েকজন ব্যবসায়ীকে মাল কেনার আশায় প্রায় ১২ কোটি টাকা দাদন দিয়েছিল। মিয়ানমারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে পন্য বোঝাই ট্রলার টেকনাফ স্থল বন্দরে আসায় তাদের মনে স্বস্থি ফিরে আসে। হঠাৎ করে আইজিএম জমা দেওয়া নোঙ্গর করা ট্রলার রাতের আধারে নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় আমাদের অনেক আর্থিক ক্ষতি হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে দাদন দেওয়া টাকা ফিরে পাওয়ার কোন আশা দেখা যাচ্ছে না।
আমদানী ও রপ্তানীকারক প্রতিষ্টান এস কে ইন্টারন্যাশনালের স্বত্ত্বাধিকারী সাইফুল করিম জানান, এ সপ্তাহে আমার ৩টি কাঠ বোঝাই ট্রলার মিয়ানমার থেকে আসার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক গন্ডগোলের কারণে ব্যবসায়ীদের সাথে কোনভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কাঠ বোঝাই ট্রলারের আশায় স্থানীয় বাজার থেকে যেই টাকা তুলে মিয়ানমারে দেওয়া হয়েছে তা ফেরত পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
টেকনাফ কাস্টমস সুপার কাজী আবুল হোসেন জানান, মিয়ানমারে সৃষ্ট ঘটনার পর থেকে সরকারী কোষাগারে কোন ধরনের রাজস্ব জমা পড়েনি। এর প্রভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক বেধে দেওয়া রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে না।

0 Comments