প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু
জেলার পরিচিত এবং প্রথম সারির সাংবাদিক বিশ্বজিত সেন। তিনি গবেষক ও বটে। তাঁকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশে পত্রিকায় লেখালেখি করতে দেখেছি। পরবর্তীতে বোধহয় বিভাগীয় সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পত্রিকায় প্রায় সময় তাঁর গবেষণাধর্মী ফিচার দেখা যেত। অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে বস্তনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন ও কম করেন নি। কিন্তু রোগের ঝুঁকি তো বড় ঝুঁকি। কে জানে কখন কোন রোগ এসে শরীরে বাসা বাঁধে। পৃথিবীর অনেক বীরপুরুষ অজেয় এবং পরাক্রম শালী ব্যক্তিকে রোগ কাবু করে দিয়েছে। তাঁদেরকে মৃত্যুর হাতে তোলে দিয়েছে পরম নিষ্ঠুরতায়। অনেক যোদ্ধা এবং অপরাধী সৈনিকের কাছে সারেন্ডার করে। কিন্তু সকল সৈনিক সারেন্ডার করে রোগের কাছে। রোগের মত পরম শত্রু আর নেই। কলম সৈনিক বিশ্বজিত সেন দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভোগছেন। সেই থেকে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিবর্গ তাঁকে দেখতে যাচ্ছেন। কে বা কারা যাচ্ছেন তা আমরা পরের দিন খবরের কাগজ গুলোতে সচিত্র দেখতে পাই। কাউকে খাটো করার জন্য আমি অপচেষ্ঠা করছি না। অবশ্যই আমি অকপটে স্বীকার করছি যে যাঁরা তাঁকে দেখতে গিয়েছেন এবং তাঁর খোঁজ খবর রেখেছেন নিঃসন্দেহে তাঁরা মানবতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু এইটুকুই কি যথেষ্ট ! তিনি দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ। অনেক দিন ধরেই ঘরে আবদ্ধ। তাহলে তিনি চিকিৎসা সহ দৈনন্দিন জীবনে মৌলিক চাহিদা মেটাচ্ছেন কিভাবে ? পারছেন তো সামলাতে ! আমাদের দেশে সমাজ ব্যবস্থায় দেখি কেউ মারা গেলে ঘনিষ্ট জনরা এসে অল্পক্ষণ হাউমাউ করে কেঁেদ তারপর চলে যান। মুরং সম্প্রদায়ে দেখা যায় পরিবারের কোন সদস্য মারা গেলে কান্না করার জন্য তারা ভাড়া করে লোক নিয়ে আসেন। তারা টাকার বিনিময়ে কাঁদেন এবং পরিবারের সদস্যরা মদ, মাংস নিয়ে নেচে গেয়ে ফূর্তি করেন। অস্ট্রেলিয়ায় কোন মানুষ মারা গেলে পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠজনরা তাকে দেখতে আসার সময় হাতে একটা করে টাকার প্যাকেট নিযে আসেন। প্যাকেটটা সবিনয়ে যথাস্থানে রাখেন কিন্তু কান্না করেন না । তাদের চিন্তাধারা হর মৃতব্যক্তির জন্য কান্না করা নির্থক কাজ। তার চেয়ে ভাল কিছু অর্থ দিলে পরবর্তীতে ইহা তার স্মরণে শ্রাদ্ধক্রিয়াসহ অনেক কল্যাণকর কাজে আসবে। আমাদের দেশে ও কিছু কিছু অঞ্চলের বৌদ্ধ সমাজে দেখা যায় বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে কোন মৃত্যু ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তারা হাতে করে বিভিন্ন ধরনের নাস্তা নিয়ে যান। তাদের চিন্তাধারা হল সেই দিন মৃত বাসরে বিভিন্ন জায়গার লোকজন আসেন। তাদের আনীত নাস্তাগুলো দিয়ে যদি অতিথি আপ্যায়ন করা যায় তাহলে তারা অনেক পুণ্য পাবেন। যা তারা মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে দান করতে পারেন। সাংবাদিক বিশ্বজিত সেনের সংঘঠন, শুভাথীর্, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং তার কর্মস্থলের কর্তৃপক্ষ যদি এই ধরণের ভিন্নমাত্রার কোন কিছু করতে পারেন তাহলে বোধহয় তাঁর অনেক উপকার হত। তিনি ভাবতে পারবেন তিনি অসহায় নন।
জেলার পরিচিত এবং প্রথম সারির সাংবাদিক বিশ্বজিত সেন। তিনি গবেষক ও বটে। তাঁকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশে পত্রিকায় লেখালেখি করতে দেখেছি। পরবর্তীতে বোধহয় বিভাগীয় সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পত্রিকায় প্রায় সময় তাঁর গবেষণাধর্মী ফিচার দেখা যেত। অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে বস্তনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন ও কম করেন নি। কিন্তু রোগের ঝুঁকি তো বড় ঝুঁকি। কে জানে কখন কোন রোগ এসে শরীরে বাসা বাঁধে। পৃথিবীর অনেক বীরপুরুষ অজেয় এবং পরাক্রম শালী ব্যক্তিকে রোগ কাবু করে দিয়েছে। তাঁদেরকে মৃত্যুর হাতে তোলে দিয়েছে পরম নিষ্ঠুরতায়। অনেক যোদ্ধা এবং অপরাধী সৈনিকের কাছে সারেন্ডার করে। কিন্তু সকল সৈনিক সারেন্ডার করে রোগের কাছে। রোগের মত পরম শত্রু আর নেই। কলম সৈনিক বিশ্বজিত সেন দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভোগছেন। সেই থেকে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিবর্গ তাঁকে দেখতে যাচ্ছেন। কে বা কারা যাচ্ছেন তা আমরা পরের দিন খবরের কাগজ গুলোতে সচিত্র দেখতে পাই। কাউকে খাটো করার জন্য আমি অপচেষ্ঠা করছি না। অবশ্যই আমি অকপটে স্বীকার করছি যে যাঁরা তাঁকে দেখতে গিয়েছেন এবং তাঁর খোঁজ খবর রেখেছেন নিঃসন্দেহে তাঁরা মানবতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু এইটুকুই কি যথেষ্ট ! তিনি দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ। অনেক দিন ধরেই ঘরে আবদ্ধ। তাহলে তিনি চিকিৎসা সহ দৈনন্দিন জীবনে মৌলিক চাহিদা মেটাচ্ছেন কিভাবে ? পারছেন তো সামলাতে ! আমাদের দেশে সমাজ ব্যবস্থায় দেখি কেউ মারা গেলে ঘনিষ্ট জনরা এসে অল্পক্ষণ হাউমাউ করে কেঁেদ তারপর চলে যান। মুরং সম্প্রদায়ে দেখা যায় পরিবারের কোন সদস্য মারা গেলে কান্না করার জন্য তারা ভাড়া করে লোক নিয়ে আসেন। তারা টাকার বিনিময়ে কাঁদেন এবং পরিবারের সদস্যরা মদ, মাংস নিয়ে নেচে গেয়ে ফূর্তি করেন। অস্ট্রেলিয়ায় কোন মানুষ মারা গেলে পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠজনরা তাকে দেখতে আসার সময় হাতে একটা করে টাকার প্যাকেট নিযে আসেন। প্যাকেটটা সবিনয়ে যথাস্থানে রাখেন কিন্তু কান্না করেন না । তাদের চিন্তাধারা হর মৃতব্যক্তির জন্য কান্না করা নির্থক কাজ। তার চেয়ে ভাল কিছু অর্থ দিলে পরবর্তীতে ইহা তার স্মরণে শ্রাদ্ধক্রিয়াসহ অনেক কল্যাণকর কাজে আসবে। আমাদের দেশে ও কিছু কিছু অঞ্চলের বৌদ্ধ সমাজে দেখা যায় বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে কোন মৃত্যু ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তারা হাতে করে বিভিন্ন ধরনের নাস্তা নিয়ে যান। তাদের চিন্তাধারা হল সেই দিন মৃত বাসরে বিভিন্ন জায়গার লোকজন আসেন। তাদের আনীত নাস্তাগুলো দিয়ে যদি অতিথি আপ্যায়ন করা যায় তাহলে তারা অনেক পুণ্য পাবেন। যা তারা মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে দান করতে পারেন। সাংবাদিক বিশ্বজিত সেনের সংঘঠন, শুভাথীর্, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং তার কর্মস্থলের কর্তৃপক্ষ যদি এই ধরণের ভিন্নমাত্রার কোন কিছু করতে পারেন তাহলে বোধহয় তাঁর অনেক উপকার হত। তিনি ভাবতে পারবেন তিনি অসহায় নন।

0 Comments