সংবাদ বিজ্ঞপ্তি॥
সবাই শিশু শ্রম বন্ধ করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে এটা হঠাৎ করে বন্ধ করা যাচ্ছে না। কিন্তু চেষ্টা তো চালাতেই হবে। শিশুশ্রম প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করতে বিভিন্ন এনজিও ও দাতাগোষ্ঠীকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং অভিভাবকদের মধ্যে এমন কোনো পরিবর্তন হয়নি, যাতে করে বলা যাবে দেশে শিশুশ্রমিকের সংখ্যা কমেছে। ২০০৩ সালের শিশুশ্রম জরিপের পর নতুন জরিপও করা হয়নি। তবে চুপ করে বসে থাকলে চলবে না। এ ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরিরও বিকল্প নেই। প্রত্যেককে নিজস্ব দক্ষতা ও ক্ষমতা নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগুতে হবে, যাতে ২০১৬ সালের মধ্যে শিশুশ্রম একেবারে নির্মূল করা সম্ভব হবে। এ জন্য প্রয়োজন অভিভাববক ও সঙশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১২ জুন মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হেলপ এর শিশুশ্রম নিরসন ও প্রতিরোধ প্রকল্প কক্সবাজার আয়োজিত বিশ্ব শিশুশ্রম নিরসন দিবসের আলোচনা সভায় কক্সবাজার সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক প্রীতম কুমার চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন।
‘আসুন শিশুশ্রম নিরসন করে মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কক্সবাজার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড এর পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়াস্থ আলোর দিশারী হেলপ পাঠশালা মাঠে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম আকতার কামাল আজাদের সভাপতিত্বে ও হেলপের কমিউনিটি ফ্যাসিলেটর এম.শফিকুল হক বাবুল এবং শিক্ষক আমানুল হকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও শিশু উৎসবে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা শিশু একাডেমী কর্মকর্তা আহসানুল হক, কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা, পপির প্রোগ্রাম অফিসার (শিক্ষা) উম্মে সালমা মুন্নি। হেলপের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এখলাছ ফকিরের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নাজিরারটেক মৎস্য সমবায় সমিতির সেক্রেটারি খালেদ বিন জাহেদ । শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মিনা আক্তার, আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় উপস্থিত ছিলেন হেলপ এর প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, প্যারামেডিক শাহেনাজ পারভিন, কাউন্সিলর খালেদা ইয়াসমিন, মশিউর রহমান অপু, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মোহাম্মদ ইউসুফ, কামাল হোসেন, নুর কামাল, উদয় আহমেদ, ফাতেমা বেগম, ফিরোজা বেগম, শিক্ষকদের মধ্যে বেবি আকতার, আইরিন আক্তার, হামিদা বেগম,নিলুফা ইয়াসমিন, রিটন বড়–য়া, কাজী ইসমাইল প্রমুখ।
বক্তারা হেলপএর শিশুশ্রম নিরসনের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যেখানে প্রতিনিয়ত শিশুরা পারিবারিক চাপ ও আর্থিক কারণে শ্রমের সাথে যুক্ত হচ্ছে এবং লেখাপড়া না করে ওই সব কাজে তাদের জীবন উৎসর্গ করছে এমতাবস্থায় হেলপ নাজিরারটেক শুটকি মহাল থেকে শিশুদের অবমুক্ত করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে। যা একটি মহতী উদ্যোগ। কক্সবাজারের শিশুশ্রম নিরসনে হেলপ যে উদ্যোগ নিয়েছে তার সাথে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তাহলে ২০১৬ সালের মধ্যে শিশু শ্রম নিরসন করা সম্ভব।
সূত্রে জানা যায়, ইউনিসেফ এবং আইএলওর এক হিসাবে বাংলাদেশে কৃষি থেকে শুরু করে জাহাজভাঙা শিল্পসহ মোট চার শর বেশি ক্ষেত্রে শিশুরা কাজ করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং আইএলও পরিচালিত ২০০২-০৩ সালের সর্বশেষ জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ অনুযায়ী, দেশে ৭৪ লাখ শিশু কাজ করে। ১৪ বছরের নিচে বয়সের শিশুদের শ্রম নিষিদ্ধ। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুশ্রম বলতে সপ্তাহে ৪৩ ঘণ্টার বেশি কাজ করা বোঝায়। সে হিসাবে দেশে শিশুশ্রমিক ছিল ৪৭ লাখ। এদের মধ্যে ১৩ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত ছিল। সরকার নতুন একটি জরিপ শুরু করেছে। জরিপ শেষ হলে দেশের শিশুশ্রমের বর্তমান চিত্র জানা সম্ভব হবে। আইএলও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য ২০১৬ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সে অনুযায় সরকার অঙ্গীকারও করেছে। সরকার ২০০১ সালের মার্চ মাসে অত্যন্ত খারাপ ধরনের শিশুশ্রম নির্মূল এবং প্রতিরোধে আইএলও কনভেনশন ১৮২ অনুসমর্থন করেছে। দীর্ঘদিন পরে হলেও সরকার ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকাটি চূড়ান্ত করেছে। জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি ২০১০-এর আলোকে কর্মপরিকল্পনা তৈরিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সবাই শিশু শ্রম বন্ধ করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে এটা হঠাৎ করে বন্ধ করা যাচ্ছে না। কিন্তু চেষ্টা তো চালাতেই হবে। শিশুশ্রম প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করতে বিভিন্ন এনজিও ও দাতাগোষ্ঠীকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং অভিভাবকদের মধ্যে এমন কোনো পরিবর্তন হয়নি, যাতে করে বলা যাবে দেশে শিশুশ্রমিকের সংখ্যা কমেছে। ২০০৩ সালের শিশুশ্রম জরিপের পর নতুন জরিপও করা হয়নি। তবে চুপ করে বসে থাকলে চলবে না। এ ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরিরও বিকল্প নেই। প্রত্যেককে নিজস্ব দক্ষতা ও ক্ষমতা নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগুতে হবে, যাতে ২০১৬ সালের মধ্যে শিশুশ্রম একেবারে নির্মূল করা সম্ভব হবে। এ জন্য প্রয়োজন অভিভাববক ও সঙশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১২ জুন মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হেলপ এর শিশুশ্রম নিরসন ও প্রতিরোধ প্রকল্প কক্সবাজার আয়োজিত বিশ্ব শিশুশ্রম নিরসন দিবসের আলোচনা সভায় কক্সবাজার সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক প্রীতম কুমার চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন।
‘আসুন শিশুশ্রম নিরসন করে মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কক্সবাজার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড এর পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়াস্থ আলোর দিশারী হেলপ পাঠশালা মাঠে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম আকতার কামাল আজাদের সভাপতিত্বে ও হেলপের কমিউনিটি ফ্যাসিলেটর এম.শফিকুল হক বাবুল এবং শিক্ষক আমানুল হকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও শিশু উৎসবে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা শিশু একাডেমী কর্মকর্তা আহসানুল হক, কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা, পপির প্রোগ্রাম অফিসার (শিক্ষা) উম্মে সালমা মুন্নি। হেলপের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এখলাছ ফকিরের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নাজিরারটেক মৎস্য সমবায় সমিতির সেক্রেটারি খালেদ বিন জাহেদ । শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মিনা আক্তার, আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় উপস্থিত ছিলেন হেলপ এর প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, প্যারামেডিক শাহেনাজ পারভিন, কাউন্সিলর খালেদা ইয়াসমিন, মশিউর রহমান অপু, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মোহাম্মদ ইউসুফ, কামাল হোসেন, নুর কামাল, উদয় আহমেদ, ফাতেমা বেগম, ফিরোজা বেগম, শিক্ষকদের মধ্যে বেবি আকতার, আইরিন আক্তার, হামিদা বেগম,নিলুফা ইয়াসমিন, রিটন বড়–য়া, কাজী ইসমাইল প্রমুখ।
বক্তারা হেলপএর শিশুশ্রম নিরসনের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যেখানে প্রতিনিয়ত শিশুরা পারিবারিক চাপ ও আর্থিক কারণে শ্রমের সাথে যুক্ত হচ্ছে এবং লেখাপড়া না করে ওই সব কাজে তাদের জীবন উৎসর্গ করছে এমতাবস্থায় হেলপ নাজিরারটেক শুটকি মহাল থেকে শিশুদের অবমুক্ত করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে। যা একটি মহতী উদ্যোগ। কক্সবাজারের শিশুশ্রম নিরসনে হেলপ যে উদ্যোগ নিয়েছে তার সাথে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তাহলে ২০১৬ সালের মধ্যে শিশু শ্রম নিরসন করা সম্ভব।
সূত্রে জানা যায়, ইউনিসেফ এবং আইএলওর এক হিসাবে বাংলাদেশে কৃষি থেকে শুরু করে জাহাজভাঙা শিল্পসহ মোট চার শর বেশি ক্ষেত্রে শিশুরা কাজ করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং আইএলও পরিচালিত ২০০২-০৩ সালের সর্বশেষ জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ অনুযায়ী, দেশে ৭৪ লাখ শিশু কাজ করে। ১৪ বছরের নিচে বয়সের শিশুদের শ্রম নিষিদ্ধ। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুশ্রম বলতে সপ্তাহে ৪৩ ঘণ্টার বেশি কাজ করা বোঝায়। সে হিসাবে দেশে শিশুশ্রমিক ছিল ৪৭ লাখ। এদের মধ্যে ১৩ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত ছিল। সরকার নতুন একটি জরিপ শুরু করেছে। জরিপ শেষ হলে দেশের শিশুশ্রমের বর্তমান চিত্র জানা সম্ভব হবে। আইএলও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য ২০১৬ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সে অনুযায় সরকার অঙ্গীকারও করেছে। সরকার ২০০১ সালের মার্চ মাসে অত্যন্ত খারাপ ধরনের শিশুশ্রম নির্মূল এবং প্রতিরোধে আইএলও কনভেনশন ১৮২ অনুসমর্থন করেছে। দীর্ঘদিন পরে হলেও সরকার ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকাটি চূড়ান্ত করেছে। জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি ২০১০-এর আলোকে কর্মপরিকল্পনা তৈরিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

0 Comments