ইব্রাহিম খলিল
রামু উপজেলার ঈদগড়ে শত বছরের সৃষ্টি গাছটি (গুম গাছ) কৌশলে ঈদগড় ১৩নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের উপস্থিত নিলামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে প্রকাশ ঈদগড় সিকদার পাড়া এলাকার মৃত লাল মোহাম্মদ সিকদার নিজ হাতে বাড়ীর পার্শ্ববর্তী রাস্তার পার্শ্বে বর্তমান স্কুলের সামনে রোপনকৃত সৃষ্টি গাছটি দীর্ঘ ১৫বছর ধরে উপরোল্লেখিত প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন কেটে ফেলার জন্য চেষ্টা করে কাঠতে ব্যার্থ হয় রোপনকৃত মালিকের ছেলে জহির উদ্দিন সিকদার বাঁধা প্রদান করায়। স্কুল পরিচালনা কমিটি, গাছটির মালিক এবং অন্যান্যদের না জানিয়ে গত ৫জুন প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন নানা কৌশল অবলম্বন করে বর্তমান চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টুকে ইন্ধন যোগিয়ে বিশাল আকারের সৃষ্টি গাছটি কেটে ফেলে। এ ব্যাপারে এলাকার মুক্তিযোদ্ধা, সাধারণ জনগণ এবং সাংবাদিকরা প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের বিরুদ্ধে না অভিযোগ পেশ করেন যা সম্প্রতি স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গাছটি কাটার ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক জাফর আলম জুয়েল জানান, প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন পরিচালনা কমিটির কোন সদস্যকে না জানিয়ে এলাকার চেয়ারম্যানের মাধ্যমে গাছটি কেটে ফেলে। তিনি আরো জানান, অন্য জনের রোপনকৃত গাছটি কেন বিদ্যালয়ে নেয়া হচ্ছে তাও আমাদেরকে জানানো হয়নি। এই নিয়ে প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে আগামী সভায় রেজুলেশন আকারে অভিযোগ লিখে শিক্ষা মন্ত্রী বরাবরে দাখিল করা হবে বলে পরিচালনা কমিটির সদস্যরা জানান। গত ১৪জুন বিকাল ৪টায় সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে দেখা যায় উক্ত প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের উপস্থিতিতে প্রায় লাখ টাকা দামের গাছটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রেহায় পাওয়ার জন্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে। জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার বশির আহমদ, নামে মাত্র গাছটি নিলামে ক্রয় করে। নিলামের সময় এলাকার শত শত কাঠ ব্যবসায়ী থাকার পরও গাছটি তাদেরকে না দিয়ে স্থানীয় চৌকিদারকে নিজেদের আয়ত্বে রাখার জন্য নিলামে নামে মাত্র বিক্রি করে। এই নিয়ে এলাকায় নানা কৌতুহল দেখা দিচ্ছে। এ বিশাল গাছটি প্রায় ৫০বছর ধরে জহির উদ্দিন সিকদার লালন পালন করে গাছটি রাখার পর বর্তমানে গাছটি প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন ইন্ধন যোগিয়ে জোর পূর্বক কেটে ফেলায় এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ এবং পরিচালনা কমিটি প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের অপসারণ দাবী করছেন। অন্যতায় প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল সহ বিদ্যালয়ে ধর্মঘটের মত কর্মসূচীর ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং শত শত অভিভাবকরা। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন জানান, এলাকার চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টু গাছটি বিদ্যালয়ে দান করার জন্য কেটে আমার উপস্থিতিতে নিলামে বিক্রি করেছে। এলাকাবাসী গাছটি উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
রামু উপজেলার ঈদগড়ে শত বছরের সৃষ্টি গাছটি (গুম গাছ) কৌশলে ঈদগড় ১৩নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের উপস্থিত নিলামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে প্রকাশ ঈদগড় সিকদার পাড়া এলাকার মৃত লাল মোহাম্মদ সিকদার নিজ হাতে বাড়ীর পার্শ্ববর্তী রাস্তার পার্শ্বে বর্তমান স্কুলের সামনে রোপনকৃত সৃষ্টি গাছটি দীর্ঘ ১৫বছর ধরে উপরোল্লেখিত প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন কেটে ফেলার জন্য চেষ্টা করে কাঠতে ব্যার্থ হয় রোপনকৃত মালিকের ছেলে জহির উদ্দিন সিকদার বাঁধা প্রদান করায়। স্কুল পরিচালনা কমিটি, গাছটির মালিক এবং অন্যান্যদের না জানিয়ে গত ৫জুন প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন নানা কৌশল অবলম্বন করে বর্তমান চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টুকে ইন্ধন যোগিয়ে বিশাল আকারের সৃষ্টি গাছটি কেটে ফেলে। এ ব্যাপারে এলাকার মুক্তিযোদ্ধা, সাধারণ জনগণ এবং সাংবাদিকরা প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের বিরুদ্ধে না অভিযোগ পেশ করেন যা সম্প্রতি স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গাছটি কাটার ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক জাফর আলম জুয়েল জানান, প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন পরিচালনা কমিটির কোন সদস্যকে না জানিয়ে এলাকার চেয়ারম্যানের মাধ্যমে গাছটি কেটে ফেলে। তিনি আরো জানান, অন্য জনের রোপনকৃত গাছটি কেন বিদ্যালয়ে নেয়া হচ্ছে তাও আমাদেরকে জানানো হয়নি। এই নিয়ে প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে আগামী সভায় রেজুলেশন আকারে অভিযোগ লিখে শিক্ষা মন্ত্রী বরাবরে দাখিল করা হবে বলে পরিচালনা কমিটির সদস্যরা জানান। গত ১৪জুন বিকাল ৪টায় সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে দেখা যায় উক্ত প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের উপস্থিতিতে প্রায় লাখ টাকা দামের গাছটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রেহায় পাওয়ার জন্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে। জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার বশির আহমদ, নামে মাত্র গাছটি নিলামে ক্রয় করে। নিলামের সময় এলাকার শত শত কাঠ ব্যবসায়ী থাকার পরও গাছটি তাদেরকে না দিয়ে স্থানীয় চৌকিদারকে নিজেদের আয়ত্বে রাখার জন্য নিলামে নামে মাত্র বিক্রি করে। এই নিয়ে এলাকায় নানা কৌতুহল দেখা দিচ্ছে। এ বিশাল গাছটি প্রায় ৫০বছর ধরে জহির উদ্দিন সিকদার লালন পালন করে গাছটি রাখার পর বর্তমানে গাছটি প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন ইন্ধন যোগিয়ে জোর পূর্বক কেটে ফেলায় এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ এবং পরিচালনা কমিটি প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিনের অপসারণ দাবী করছেন। অন্যতায় প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল সহ বিদ্যালয়ে ধর্মঘটের মত কর্মসূচীর ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং শত শত অভিভাবকরা। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দিন জানান, এলাকার চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টু গাছটি বিদ্যালয়ে দান করার জন্য কেটে আমার উপস্থিতিতে নিলামে বিক্রি করেছে। এলাকাবাসী গাছটি উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 Comments