এসএম হান্নান শাহ
ক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের নিয়ন্ত্রণাধীন কাকারা বনবিটের ২০০৫ ও ২০০৬ সালে সামাজিক বনায়নের প্রায় ৩‘শ গাছ রাতের আঁধারে বনদস্যুরা কেটে ফেলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, কাকারা বনবিটের মাইজ কাকারার পূর্বাংশ আরকিলা মুরা নামক স্থানে ২০০৫-২০০৬ সালে ৩০ হেক্টর পাহাড়ী ভূমিতে বনায়ন করে ৩০ জন উপকারভোগীর নামে বরাদ্দ দেয়। গত রোববার দিবাগত রাতে ২৫/৩০ জন বনদস্যু বাগানে প্রায় ৩‘শ আকাশমনি ও ঢাকি জাম গাছ কেটে ফেলে। এ সময় উপকারভোগীরা খবর পেয়ে বাগান এলাকায় অগ্রসর হতে থাকলে, বনদস্যুরা পালিয়ে যায়।
সূত্র মতে, বনবিভাগের জমি অবৈধভাবে দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য বনদস্যুরা সামাজিক বনায়নের গাছগুলো কেটে ফেলেছে। এ ব্যাপারে কাকারা বিট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, চিহ্নিত বনদস্যুদের বিরুদ্ধে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরো বলেন, জনবল সংকটের কারণে বনদস্যুদের তান্ডব থেকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সামাজিক বনায়ন রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অপরদিকে, সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী মোঃ ছরওয়ার, নুরুল আলম ও নুর মোহাম্মদ জানিয়েছেন, বনবিভাগ সামাজিক বনায়নের বাগানগুলো উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তরের পর থেকে তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষন করে আসছে। কিন্তু ওই এলাকার কিছু বনদস্যু বনবিভাগের এসব ভূমি জবর দখল করে বাড়ি ঘর নির্মাণের জন্য বাগানের গাছগুলো কেটে ফেলেছে। এ ব্যাপারে বনবিভাগ জরুরীভাবে ব্যবস্থা না নিলে সামাজিক বনায়নের ৩০ হেক্টর বনবাগান রক্ষা করা উপকারভোগীদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
ক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের নিয়ন্ত্রণাধীন কাকারা বনবিটের ২০০৫ ও ২০০৬ সালে সামাজিক বনায়নের প্রায় ৩‘শ গাছ রাতের আঁধারে বনদস্যুরা কেটে ফেলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, কাকারা বনবিটের মাইজ কাকারার পূর্বাংশ আরকিলা মুরা নামক স্থানে ২০০৫-২০০৬ সালে ৩০ হেক্টর পাহাড়ী ভূমিতে বনায়ন করে ৩০ জন উপকারভোগীর নামে বরাদ্দ দেয়। গত রোববার দিবাগত রাতে ২৫/৩০ জন বনদস্যু বাগানে প্রায় ৩‘শ আকাশমনি ও ঢাকি জাম গাছ কেটে ফেলে। এ সময় উপকারভোগীরা খবর পেয়ে বাগান এলাকায় অগ্রসর হতে থাকলে, বনদস্যুরা পালিয়ে যায়।
সূত্র মতে, বনবিভাগের জমি অবৈধভাবে দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য বনদস্যুরা সামাজিক বনায়নের গাছগুলো কেটে ফেলেছে। এ ব্যাপারে কাকারা বিট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, চিহ্নিত বনদস্যুদের বিরুদ্ধে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরো বলেন, জনবল সংকটের কারণে বনদস্যুদের তান্ডব থেকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সামাজিক বনায়ন রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অপরদিকে, সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী মোঃ ছরওয়ার, নুরুল আলম ও নুর মোহাম্মদ জানিয়েছেন, বনবিভাগ সামাজিক বনায়নের বাগানগুলো উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তরের পর থেকে তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষন করে আসছে। কিন্তু ওই এলাকার কিছু বনদস্যু বনবিভাগের এসব ভূমি জবর দখল করে বাড়ি ঘর নির্মাণের জন্য বাগানের গাছগুলো কেটে ফেলেছে। এ ব্যাপারে বনবিভাগ জরুরীভাবে ব্যবস্থা না নিলে সামাজিক বনায়নের ৩০ হেক্টর বনবাগান রক্ষা করা উপকারভোগীদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

0 Comments