মোবারক উদ্দিন নয়ণ
মিয়ানমার আরাকান রাজ্যের মংডু টাউন শীপ ও আশপাশের এলাকায় ৮জুন দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মুসলমান ও রাখাইনদের মধ্যে থেমে থেমে প্রচন্ড সংঘর্ষ হয়েছে।
সংঘর্ষের এ ঘটনায় ১৪ জন মুসলমান ১জন লুন্টিং, ১জন ভান্তে সহ বেশ কয়েকজন রাখাইন নিহত অসংখ্য আহত হয়েছেবলে জানা গেছে। তাছাড়া ২টি রাখাইন পল¬ী ও ৪টি মুসলিম পল¬ী পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মংডু থেকে মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে এ খবর পাওয়া গেছে। পুরো আরাকান রাজ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে এঘটনার প্রেক্ষিতে টেকনাফের পুরো সীমান্ত এলাকায় দুপুর থেকেই পূর্ণ সতর্কাবস্থা এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। টেকনাস্থ ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়ান কমান্ডিং অফিসার লেঃ কর্ণেল জাহিদ হাসান জানান- মিয়ানমারের ঘটনার প্রেক্ষিতে টেকনাফের পুরো সীমান্ত এলাকা জুড়ে সতর্কাবস্তা জারী, টহল জোরদার ও ফোর্স সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাছাড়া উক্ত ঘটনার জের ধরে গুজব ছড়িয়ে যাতে টেকনাফের রাখাইন পল¬ী ও রোহিঙ্গা ক্যা¤েপ উত্তেজনা ছড়িয়ে না পড়ে ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ না ঘটে এবং সুযোগ সন্ধানীরা যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নয়া পাড়া রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যা¤েপর ক্যা¤প ইনচার্জ ড. কামরুজ্জামান
জানান- পুরো ক্যা¤েপ পুলিশ- বিজিবি, আনসারদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। লেদা আনঃ রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যা¤েপর মাঝি নুর মোহাম্মদ জানান- ক্যা¤েপ কোন উত্তেজনা নেই। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- মুসলিম রাখাইন সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় গত ১জুন। আকিয়াবের রামব্রী প্রামের একজন রাখাইন শিক্ষিকা ২ছাত্রকে পেঠানোর কারণে ছাত্রদের ভাইয়েরা উক্ত শিক্ষিকাকে মারধর করে। এতে শিক্ষিকা মারা যায়। মারা পর মুসলমান পল¬ীর পাশে একটি ছড়ায় ফেলে রাখা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে এঘটনায় মুসলমানরা জড়িত নেই বলে প্রমাণিত হয়। কিন্তু রাখাইনরা তা বিশ্বাস না করে প্রতিশোধ নিতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। এদিকে রেক্সগুন থেকে আসা ৮ জন তাবলীগের আমীর তাদের কাজ সেরে ৩ জুন গাড়ী যোগে ফেরার সময় টংগু নামক স্থানে রাখাইন যুবকরা গাড়ীর হেলপারসহ ৯ জনকে কুপিয়ে হত্যা করে। ড্রাইভার কৌশলে পালিয়ে গিয়ে টংবু ইমিগ্রিশনকে অবহিত করে। ইমিগ্রিশন এসব নাশ ৪ জন টংবু থেকে টানডুয়ে (চাদা) শহরে নিয়ে যায়। রেক্সগুন থেকে মাওঃ মুফতি মোঃ ইছমাঈল এসে নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। নিমর্ম এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবীতে ৫জুন বাদে জুহুর ও বাদে আছর মুসলমানরা রেক্সগুন শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করলে সরকার যথাযথ বিচারের আসাস দেয়। এঘটনায় মুসলিম অধ্যুষিত পুরো আরাকান রাজ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় আশংকায় রেক্সগুনে শীর্ষ মুসলিম নেতৃবৃন্দরা বৈঠক করে ৮ জুন শুক্রবার জুমার নামাজে মুসলমানদের জমায়েত করে শান্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উক্ত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ৮জুন শুক্রবার পুরো আরাকানে জুমার নামাজে মুসল¬ীরা সমবেত হতে থাকে। মংডু শহরের জামে মসজিদে মুসল-ীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে একজন লুন্টিং বাধা দিলে বিক্ষুদ্ধ এক মুসল¬ী ঘুষি মেরে কুপোকাৎ করে। এতে লুন্টিং সদস্য মারা গেলে নাসাকারা গুলি ছুড়ে। গুলিতে
ঘটনাস্থলে কয়েকজন মুসল¬ী মারা যায়। মুসলমানরা মিছিল করার সময় মংডু কিয়াং থেকে মুসলমানদের উপর মদের বোতল নিক্ষেপ করা হয়। গুলিতে হতাহত এবং মদের বোতল নিক্ষেপের পর ব্যাপকভাবে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ইত্যাদি চলতে থাকে। মংডু নয়া পাড়া, কাদিরবিল, ফয়েজীপাড়া মুসলিম পল¬ী এবং আমভালা, চাইন্দাপাড়া, ৪নং কম্বু, নাটালা রাখাইন পল¬ী এবং ১টি কেয়াংঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
টেকনাফ ও শাহপরীরদ্বীপ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা পরিষ্কার দেখা যায়। বিকালে পূর্বের আকাশ ধোঁয়ায় আছন্ন হয়ে পড়ে। এছাড়া বাঘঘুনা, সুজারপাড়া, বলীবাজার, নাকপুরা ইত্যাদি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাসহ উপকূলীয় এলাকা জুড়ে রোহিঙ্গা মুসলমানরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। পরিস্থিতি অবনতি হলে বিকালে বলিবাজার নাসাকা ৩নং সেক্টর, নাকপুরা ৫ নং সেক্টর এবং বুচিদং থেকে ®েপশাল সেনা আনা হয়েছে বলে সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে। এদিকে মংডু তে সংঘর্ষের ঘটনার পর টেকনাফের রাখাইন সম্প্রদায়ের দোকান পাট তারা বন্ধ করে দেয়।
মিয়ানমার আরাকান রাজ্যের মংডু টাউন শীপ ও আশপাশের এলাকায় ৮জুন দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মুসলমান ও রাখাইনদের মধ্যে থেমে থেমে প্রচন্ড সংঘর্ষ হয়েছে।
সংঘর্ষের এ ঘটনায় ১৪ জন মুসলমান ১জন লুন্টিং, ১জন ভান্তে সহ বেশ কয়েকজন রাখাইন নিহত অসংখ্য আহত হয়েছেবলে জানা গেছে। তাছাড়া ২টি রাখাইন পল¬ী ও ৪টি মুসলিম পল¬ী পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মংডু থেকে মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে এ খবর পাওয়া গেছে। পুরো আরাকান রাজ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে এঘটনার প্রেক্ষিতে টেকনাফের পুরো সীমান্ত এলাকায় দুপুর থেকেই পূর্ণ সতর্কাবস্থা এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। টেকনাস্থ ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়ান কমান্ডিং অফিসার লেঃ কর্ণেল জাহিদ হাসান জানান- মিয়ানমারের ঘটনার প্রেক্ষিতে টেকনাফের পুরো সীমান্ত এলাকা জুড়ে সতর্কাবস্তা জারী, টহল জোরদার ও ফোর্স সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাছাড়া উক্ত ঘটনার জের ধরে গুজব ছড়িয়ে যাতে টেকনাফের রাখাইন পল¬ী ও রোহিঙ্গা ক্যা¤েপ উত্তেজনা ছড়িয়ে না পড়ে ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ না ঘটে এবং সুযোগ সন্ধানীরা যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নয়া পাড়া রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যা¤েপর ক্যা¤প ইনচার্জ ড. কামরুজ্জামান
জানান- পুরো ক্যা¤েপ পুলিশ- বিজিবি, আনসারদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। লেদা আনঃ রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যা¤েপর মাঝি নুর মোহাম্মদ জানান- ক্যা¤েপ কোন উত্তেজনা নেই। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- মুসলিম রাখাইন সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় গত ১জুন। আকিয়াবের রামব্রী প্রামের একজন রাখাইন শিক্ষিকা ২ছাত্রকে পেঠানোর কারণে ছাত্রদের ভাইয়েরা উক্ত শিক্ষিকাকে মারধর করে। এতে শিক্ষিকা মারা যায়। মারা পর মুসলমান পল¬ীর পাশে একটি ছড়ায় ফেলে রাখা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে এঘটনায় মুসলমানরা জড়িত নেই বলে প্রমাণিত হয়। কিন্তু রাখাইনরা তা বিশ্বাস না করে প্রতিশোধ নিতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। এদিকে রেক্সগুন থেকে আসা ৮ জন তাবলীগের আমীর তাদের কাজ সেরে ৩ জুন গাড়ী যোগে ফেরার সময় টংগু নামক স্থানে রাখাইন যুবকরা গাড়ীর হেলপারসহ ৯ জনকে কুপিয়ে হত্যা করে। ড্রাইভার কৌশলে পালিয়ে গিয়ে টংবু ইমিগ্রিশনকে অবহিত করে। ইমিগ্রিশন এসব নাশ ৪ জন টংবু থেকে টানডুয়ে (চাদা) শহরে নিয়ে যায়। রেক্সগুন থেকে মাওঃ মুফতি মোঃ ইছমাঈল এসে নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। নিমর্ম এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবীতে ৫জুন বাদে জুহুর ও বাদে আছর মুসলমানরা রেক্সগুন শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করলে সরকার যথাযথ বিচারের আসাস দেয়। এঘটনায় মুসলিম অধ্যুষিত পুরো আরাকান রাজ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় আশংকায় রেক্সগুনে শীর্ষ মুসলিম নেতৃবৃন্দরা বৈঠক করে ৮ জুন শুক্রবার জুমার নামাজে মুসলমানদের জমায়েত করে শান্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উক্ত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ৮জুন শুক্রবার পুরো আরাকানে জুমার নামাজে মুসল¬ীরা সমবেত হতে থাকে। মংডু শহরের জামে মসজিদে মুসল-ীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে একজন লুন্টিং বাধা দিলে বিক্ষুদ্ধ এক মুসল¬ী ঘুষি মেরে কুপোকাৎ করে। এতে লুন্টিং সদস্য মারা গেলে নাসাকারা গুলি ছুড়ে। গুলিতে
ঘটনাস্থলে কয়েকজন মুসল¬ী মারা যায়। মুসলমানরা মিছিল করার সময় মংডু কিয়াং থেকে মুসলমানদের উপর মদের বোতল নিক্ষেপ করা হয়। গুলিতে হতাহত এবং মদের বোতল নিক্ষেপের পর ব্যাপকভাবে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ইত্যাদি চলতে থাকে। মংডু নয়া পাড়া, কাদিরবিল, ফয়েজীপাড়া মুসলিম পল¬ী এবং আমভালা, চাইন্দাপাড়া, ৪নং কম্বু, নাটালা রাখাইন পল¬ী এবং ১টি কেয়াংঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
টেকনাফ ও শাহপরীরদ্বীপ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা পরিষ্কার দেখা যায়। বিকালে পূর্বের আকাশ ধোঁয়ায় আছন্ন হয়ে পড়ে। এছাড়া বাঘঘুনা, সুজারপাড়া, বলীবাজার, নাকপুরা ইত্যাদি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাসহ উপকূলীয় এলাকা জুড়ে রোহিঙ্গা মুসলমানরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। পরিস্থিতি অবনতি হলে বিকালে বলিবাজার নাসাকা ৩নং সেক্টর, নাকপুরা ৫ নং সেক্টর এবং বুচিদং থেকে ®েপশাল সেনা আনা হয়েছে বলে সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে। এদিকে মংডু তে সংঘর্ষের ঘটনার পর টেকনাফের রাখাইন সম্প্রদায়ের দোকান পাট তারা বন্ধ করে দেয়।

0 Comments