Advertisement

ঈদগাঁওতে শিক্ষাথীদের মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ভিডিও যোগানদাতা কম্পিউটার-মোবাইল ব্যবসায়ীরা


সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে স্কুল কলেজ পড়–য়া ছাত্রদের মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করার হিড়িক পড়েছে। আর এসব
শিক্ষার্থীদের মাঝে এক শ্রেনীর অসাধু মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা আপত্তিকর ছবিগুলো বেচাকেনা করছেন। অন্যদিকে আপত্তিকর ভিডিও বেচাকেনার ও সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমান আদালতে কোন তোড়জোড় লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। ঈদগাঁও বাজারে একাধিক মোবাইল-কম্পিউটার দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তাদের মুল উৎস্য আপত্তিকর এসব ছবি ও ভিডিও। ঈদগাঁও বাজারে বিভিন্ন সড়কে অর্ধশতাধিক মোবাইল,কম্পিউটার,ইন্টারনেট,সাইবারক্যাফ ও ছবি তোলার দোকান (ষ্টুডিও) রয়েছে। ব্যবসায়ী সালমান আতিক সোহেল জানান, ইন্টারনেট থেকে নামানো এসব ছবি অর্থাৎ ডাউনলোড করতে প্রচুর টাকা খরচ পড়ে। তাই তারা বিভিন্ন সিডি কিনে এনে নিজেরাই এক গিগাবাইট ভিডিও ক্লিপ তৈরি করেন। আবার অনেকে একে অন্যের সংগ্রহ আদান প্রদান ও করেন। মোবাইলের মোমেরি কার্ডের এসব ক্লিপস, আপত্তিকর ছবি লোড করে দিয়ে ১ গিগাবাইট ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। প্রতিদিন এদিকে ৪০০ থেকে ৫০০টাকা বাড়তি আয় হয়। বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক জানান, তাদের কিছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ক্লিপ সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রবণতা দেখা গেছে। এ ধরনের ঘটনায় ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরূপ পরিবর্তনের পাশাপাশি ছাত্রী উক্ত্যাক্তের মতো অহরহ ঘটনা ঘটছে। ঈদগাঁওর বিভিন্ন কলেজে পড়–য়া ছাত্র ইমন,নোবেল ও শফিক জানায়, নিষিদ্ধ এসব ছবির প্রতি এক ধরনের আগ্রহের কারণেই তারা এ গুলো টাকা দিয়ে সংগ্রহ করছে। আবার বিভিন্ন বন্ধু বান্ধব ও ঘনিষ্ট ব্যক্তিদের ব্লুথুতের মাধ্যমে সে গুলো আদান প্রদান  ও করছে। ঈদগাঁওর প্রবীণ শিক্ষক মাষ্টার আলতাফ জানান, তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে আপত্তিকর এসব ভিডিও ফুটেজ প্রতিরোধ আইন দিয়ে হবেনা। অভিভাবকদের নজরদারী জোরদার করতে হবে। ইসলামাবাদ ইউছুপেরখীলের হাজী ইছমাঈল জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বৈধ ব্যবসার আড়ালে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভবপর হবে। উল্লেখ্য সম্প্রতি ঈদগাঁওতে সামাজিক ফেইজবুকের মাধ্যমে দু’জন কপোত কপোতির আপত্তিকর ছবি প্রকাশ হলে তা সংগ্রহ করতে হিড়িক পড়ে এতদঅঞ্চলের স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষাথীদের।

Post a Comment

0 Comments