Advertisement

হরতালের চেয়েও কঠিন কর্মসূচি দেয়া হবে: মওদুদ


ঢাকা, ২ মে: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ইলিয়াস আলীকে ফেরত না দিলে আগামীতে হরতালের চেয়েও কঠিন কর্মসূচি দেয়া হবে।
তিনি আগামী ৬ মে ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, “ওই দিন হরতালের চেয়েও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।” 
বুধবার বিকেলে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ১৮ দলীয় জোটের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক এম এ কাইউমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি সেলিম উদ্দিন, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, বিজেপির মহাসচিব শামীম আল মামুন, এলডিপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব সাহাদত হোসেন সেলিম ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা।
ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, “মামলা হামলা নির্যাতন করে চলমান আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। কোনো স্বৈরাচারী সরকারই মামলা দিয়ে আন্দোলন দমন করতে পারেনি।”
তিনি বলেন, “আমরা আদালত ও রাজপথে এই সরকারকে মোকাবেলা করবো।”
মওদুদ আহমদ বক্তৃতা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে মুশলধারে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি তার বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে বাধ্য হন।
এর আগে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “দলের শীর্ষ নেতাদের নামে যে মামলা দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এসব মামলা কেউ বিশ্বাস করবে না।” তিনি বলেন, “প্রথম আলো রিপোর্ট করেছে মামলার এজাহার আর ঘটনার সঙ্গে কোনো মিল নেই।”
তিনি বলেন, “বিএনপি নেতারা সাতটি মাইক্রোবাসে গিয়ে বাসে আগুন দেননি। বরং প্রধানমন্ত্রীর ধারে কাছে থাকা কেউ এসে বাসে আগুন দিয়েছে।”
জামায়াতে ইসলামীর নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “সারা বিশ্ব ইলিয়াস আলীকে ফেরত চায়। অথচ সরকারের মন্ত্রীরা ইলিয়াস আলীকে নিয়ে নানা রকম বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন।” শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তিনি কিভাবে জানলেন যে ইলিয়াস আলীর স্ত্রী বিধবা হয়ে গেছেন। তার বক্তব্যই প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী জানেন ইলিয়াস আলী কোথায় আছে।”
তিনি বলেন, “সরকারের আচরণ দেখে মনে হয় তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে।”
সড়কের দুই পাশই বন্ধ ছিল
অন্য দিনের সমাবেশে সাধারণত সড়কের দক্ষিণ পাশ বন্ধ করে সমাবেশ হয়ে থাকে। আজকের সমাবেশে সড়কের দুই পাশ বন্ধ করে সমাবেশ হয়।
বিকাল চারটা থেকে সমাবেশ শেষ হওয়া পর্যন্ত নাইটিংগেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনি।

বার্তা২৪ ডটনেট

Post a Comment

0 Comments