এম. রায়হান চৌধুরী, চকরিয়া
চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা দক্ষিণপাড়া এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। দুঃসহ জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে অর্ধশতাধিক পরিবার।
জলাবদ্ধতা নিষ্কাশণে পৌর কর্তৃপক্ষও কোন ধরনের তদারকি নেই। ফলে দিনের পর দিন মানুষের ভোগান্তি বেড়ে চলেছে। সরেজমিন জানা যায়, পৌরসভা করাইয়াঘোনা জামে মসজিদ থেকে পূর্বের দিকে সড়কে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বিস্তির্ণ জলাবদ্ধতায় দূর্ভোগে নানা দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে। এদিকে সাংবাদিক এম.আলী হোসেন, জয়নাল আবদীন, আনুয়ার হোছাইন ড্রাইবার, আব্দু ছবুরসহ পৌরসভার মেয়রের কাছে পানি নিষ্কাশনের জন্য ওই এলাকায় একটি কালবাট নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছেন। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ এটির প্রয়োজনও মনে করছেনা। উল্টো আজ দেবো কাল দেবো বলে বিলম্ব করে চলেছে। ফলে জমে থাকা বৃষ্টি পানিগুলো দূষিত হয়ে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে জনজীনও রোগাক্রান্ত হবার আশংকা দেখা দিয়েছে।
চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা দক্ষিণপাড়া এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। দুঃসহ জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে অর্ধশতাধিক পরিবার।
জলাবদ্ধতা নিষ্কাশণে পৌর কর্তৃপক্ষও কোন ধরনের তদারকি নেই। ফলে দিনের পর দিন মানুষের ভোগান্তি বেড়ে চলেছে। সরেজমিন জানা যায়, পৌরসভা করাইয়াঘোনা জামে মসজিদ থেকে পূর্বের দিকে সড়কে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বিস্তির্ণ জলাবদ্ধতায় দূর্ভোগে নানা দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে। এদিকে সাংবাদিক এম.আলী হোসেন, জয়নাল আবদীন, আনুয়ার হোছাইন ড্রাইবার, আব্দু ছবুরসহ পৌরসভার মেয়রের কাছে পানি নিষ্কাশনের জন্য ওই এলাকায় একটি কালবাট নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছেন। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ এটির প্রয়োজনও মনে করছেনা। উল্টো আজ দেবো কাল দেবো বলে বিলম্ব করে চলেছে। ফলে জমে থাকা বৃষ্টি পানিগুলো দূষিত হয়ে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে জনজীনও রোগাক্রান্ত হবার আশংকা দেখা দিয়েছে।

0 Comments