Advertisement

ঠিকানা বিহীন এনজিও গুলোর প্রতারণা বাড়ছে


নিজস্ব প্রতিবেদক
ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য পর্যটন নগরী কক্সবাজার পরিণত হতে চলেছে দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে। গড়ে উঠেছে আধুনিক হোটেল-মোটেল
ও বিশ্বমানের শপিংমল। শহরের এমন জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের সাথে পাল্লা দিয়ে গজিয়ে উঠতে শুরু করেছে ঠিকানাবিহীন অসংখ্য কাল্পনিক এনজিও প্রতিষ্ঠান। যাদের মুখ্য উদ্দেশ্য প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অর্থ আত্মসাত করা। প্রতারণার ফাঁদ পেতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো সাময়িক প্রচারণা চালিয়ে নিজেদের পরিচয় গণমানুষের কাছে তুলে ধরছে। জাকজমক পোস্টার ও ব্যানার দেখিয়ে আকৃষ্ট করছে মানুষের মন। বিভিন্ন দৈনিক ছাপানো আকর্ষণীয় বেতন স্কেলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির নজর কাড়ছে চাকুরী প্রত্যাশীদের। চাকুরীর প্রত্যাশায় ছুটে যাচ্ছে হাজারো শিক্ষিত বেকার যুবক। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নিঃশর্ত ও জামানতবিহীন বলা থাকলেও নিয়োগের বেলায় ঘটছে ঠিক তার বিপরীত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় ভোক্তভোগী ব্যক্তি জানান, ‘বাংলাদেশ গণস্বাস্থ্য হেল্থ কেয়ার লিঃ ও সুখী গ্রাম স্বাস্থ্য ক্লিনিক’ কর্তৃক নিজেদের ভোগান্তির দশা। যারা গত ৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে বাংলাদেম গণস্বাস্থ্য হেল্থ কেয়ার লিঃ এর কক্সবাজার অফিসের সহকারি কেন্দ্র পরিচালক পদে আবেদন করেন। ভোক্তভোগীদের কেউ কেউ আবেদন করেছিলেন ঐ একই পত্রিকায় একই তারিখে প্রকাশিত ‘সুখী গ্রাম স্বাস্থ্য ক্লিনিকের’ কক্সবাজার অফিসের জন্য ‘অফিস সহকারি পদে’। দুটি প্রতিষ্ঠানের উভয় পদের বেতন স্কেল ছিল ১১ হাজার ৫শত টাকা। বাংলাদেশ গণস্বাস্থ্য হেল্থ কেয়ার লিঃ এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল শুধু মাত্র নির্বাচিত প্রার্থীকে ফোন করা হবে। কিন্তু জানা যায়, গোপনে সকল প্রার্থীর কাছে ফোন আসে। ‘বাংলাদেশ গণস্বাস্থ্য হেল্থ কেয়ার লিঃ’ এর প্রধান কার্যালয় উত্তর বারীধারা রোডের কালা চাঁদপুরে। যার রেজি. নং- সি-৮৭১৬৫ বলে জানা যায়। কক্সবাজারে এর স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী কোন কার্যালয় না থাকলেও দেখা মিলে ভিন্ন এক চিত্র। ঢাকায় হেড অফিস থেকে মুন্নি নাম এক কর্মকর্তা ফোন করে চাকুরী প্রার্থীদের জানায়, কক্সবাজারের কাল্পনিক অফিসের কর্মকর্তা ‘সায়লা খানমের সাথে স্বাক্ষাত করার জন্য। যিনি কক্সবাজার পুরাতন বার্মিজ মার্কেটের সিকদার মহলের ৩য় তলা ৮নং ফ্ল্যাটে থাকেন। যা একন্তই সায়লা খানমের বাস ভবন। যিনি এই এনজিও প্রতিষ্ঠানের নাম দেখিয়ে জেলার শত শত বেকার যুবক-যুবতীকে চাকুরীর লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে ৬ হাজার পর্যন্ত নগদ টাকা। যদিও এই প্রতিষ্ঠানের কোন অফিস ও কার্যক্রম জেলার কোথাও দেখা যাচ্ছে না।

Post a Comment

0 Comments