রুহুল কাদের, মহেশখালী ৯ই মে’১২
মহেশখালী উপজেলার কুতুবজুম ইউনিয়নের খোন্দাকারপাড়া গ্রামে পবিত্র কবর স্থানে লেপ্টিনের টাংকি নির্মাণ করতেছে একটি স্বার্থনেষি
মহল। সূত্রে জানাযায় গত ২/৩ দিন আগে খোন্দাকারপাড়া ঐতিহ্যবাহী কবরস্থানে লেপ্টিনের টাংকি নির্মাণ করে যাচ্ছে কমিনিস্ট সমর্থিত কয়েকজন স্বার্থনেষি মহল। এই নিয়ে খোন্দাকার পাড়া এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ কবর স্থানে মহেশখালীর একাধিক গুণি জনের কবর রয়েছে, তার মধ্যে দুই-এক জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে- আলহাজ্ব মৌলানা বদিউর রহমান, করম আলি ফকির, হাজী মোঃ সোলতান, হাজী গোলাল সোলতান সহ দুইশতাধিক হাজী ও মওলানা সাহেবের কবর রয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যেকোন মূহুর্তে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ হওয়ার আশংকা বিরাজ করছে। সরজমিনে দেখাতে গিয়ে বিভিন্ন নেম প্লেটে প্রায় তিনশত বৎসর আগের এ পবিত্র কবরস্থানটি। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে মসজিদ ও কবরস্থানের পবিত্রতা রক্ষার্থে মাষ্টার রমজান একটি লিখিত অভিযোগ মহেশখালী থানায় দায়ের করেন। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন। অভিযোগে শওকত ইসলাম ও নেছার আহমদ সহ পাঁচ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কাউছার হোসেনের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন ঘটনাটি আমি শুনেছি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছে। মহেশখালী অফিসার ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন লিখিত অভিযোগ পেয়েছি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। স্থানীয় চেয়ারম্যান মৌলানা শফি আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ঘটনাটি আমি শুনেছি। ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে আমি খোন্দাকার পাড়ায় গিয়ে বিষয়টি দেখে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার আপ্রান চেষ্টা করব।
মহল। সূত্রে জানাযায় গত ২/৩ দিন আগে খোন্দাকারপাড়া ঐতিহ্যবাহী কবরস্থানে লেপ্টিনের টাংকি নির্মাণ করে যাচ্ছে কমিনিস্ট সমর্থিত কয়েকজন স্বার্থনেষি মহল। এই নিয়ে খোন্দাকার পাড়া এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ কবর স্থানে মহেশখালীর একাধিক গুণি জনের কবর রয়েছে, তার মধ্যে দুই-এক জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে- আলহাজ্ব মৌলানা বদিউর রহমান, করম আলি ফকির, হাজী মোঃ সোলতান, হাজী গোলাল সোলতান সহ দুইশতাধিক হাজী ও মওলানা সাহেবের কবর রয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যেকোন মূহুর্তে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ হওয়ার আশংকা বিরাজ করছে। সরজমিনে দেখাতে গিয়ে বিভিন্ন নেম প্লেটে প্রায় তিনশত বৎসর আগের এ পবিত্র কবরস্থানটি। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে মসজিদ ও কবরস্থানের পবিত্রতা রক্ষার্থে মাষ্টার রমজান একটি লিখিত অভিযোগ মহেশখালী থানায় দায়ের করেন। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন। অভিযোগে শওকত ইসলাম ও নেছার আহমদ সহ পাঁচ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কাউছার হোসেনের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন ঘটনাটি আমি শুনেছি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছে। মহেশখালী অফিসার ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন লিখিত অভিযোগ পেয়েছি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। স্থানীয় চেয়ারম্যান মৌলানা শফি আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ঘটনাটি আমি শুনেছি। ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে আমি খোন্দাকার পাড়ায় গিয়ে বিষয়টি দেখে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার আপ্রান চেষ্টা করব।

0 Comments