Advertisement

উখিয়ায় বলী খেলার নামে জমজমাট জুয়ার আসর


জি.এম ইদ্রিস মিয়া
উখিয়া জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বিজয় খলিবার বলীখেলার নামে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর। দিন রাত
বিরামহীন গতিতে জুয়ার আসর চললেও রাতে চলে নারীদের নিয়ে অশ্লীল নিত্য সহ বেহায়াপনার আসর। এতে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীরা জুয়া ও নিত্যের আসরের নেশায় মগ্ন হয়ে অনেকে সর্বস্ব হারিয়ে পড়ালেখার পরিবর্তে চুরি, ডাকাতি সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে জাতি হারাচ্ছে আগামী দিনের দেশ গড়ার কারীগরদের। শুধু তাই নয় মৃত মোস্তাফিজুর রহমানের পুত্র জসিম উদ্দিন প্রকাশ জইস্যা মাজুর গংরা নিজেদের ফায়দা লুঠানোর জন্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সেই ঘাতক ও দেশদ্রোহীদের ত্বরানিত করার জন্য আহবান জানান উপজেলা সু-শীল সমাজ।
জাতির এ দুঃসময়ে সমাজদ্রোহী অশ্লীল নৃত্য ও জুয়া খেলার আসর বসিয়ে দেশের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাসকে কলঙ্কের কালী মেকে দিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার পাঁয়তারা চালালেও এব্যাপারে বর্তমান সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোন মাথা ব্যাথা নেই বললেই চলে। জুয়া ও নিত্যের আসর বসিয়ে এক শ্রেণীর দেশদ্রোহী ব্যক্তিরা নিজ আর্থিক ফাঁয়দা লুটাতে যেভাবে মরিয়া হয়ে উঠেছে তাতে আইনের শাসন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। আজ স্বাধীন দেশের সুনাগরিকদের কলঙ্কের কালীমা লাগাতে বলী খেলার নামে বসন্তের কোকিলরা দেশের সোনালী সময় ও দূর্বাগ্য জাতির ইতিহাসকে কালো মেঘে ঢেকে দেওয়ার জন্য আজ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দূর্ভাগ্য জাতির! তাদের হৃদয়ের ঘাতক কাটা, গণহত্যা, লুণ্টন, দর্শন ও মদ, জুয়া নৃত্যের আসর বসিয়ে সর্বকালের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার আইন তৈরী করে কিন্তু তার বাস্তবায়ন করে না। এসব কি জাতির লজ্জ্বা নয়? এদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে কবে? আদৌ কি আইনের যথাযথ প্রয়োগ হবে? আদৌ কি বলী খেলার নামে অশ্লীল নৃত্য ও মদ, জুয়ার আসর বন্ধ হবে? তাহলে বলী খেলার নামে অশ্লীল নৃত্য ও জুয়ার আসর বন্ধ হবে কবে? কেন দেশদ্রোহী ব্যক্তিরা বলী খেলার নামে নৃত্য ও মদ জুয়ার আসর বসিয়ে লাল সবুজের পতাকাকে কলুষিত করার জন্য যারা বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে বেপরোয়া ভাবে দেশের সুনাম ক্ষুন্ন করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? তাদের খুঁটির জোর কোথায়? তা না হলে অচিরেই সেইসব অবৈধ কাজে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করে স্বাধীনতার চল্লিশ বছরের বিজয়ের অর্জনকে চিরদিন অধরায় উজ্জেবিত রাখার জন্য অশ্লীল, বেহায়াপনা, মদ, জুয়ার আসর বন্ধ করার জন্য মাননীয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন উপজেলার সচেতন মহল।

Post a Comment

0 Comments