ইউসুফ বদরী
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, ইলিয়াস আলীর সন্ধান, জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত্ব মুক্তির দাবীতে কেন্দ্রীয়
কর্মসূচীর অংশ হিসাবে গতকাল স্থানীয় পাবলিক লাইব্রেরী ময়দানে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত গণ অনশন কর্মসূচী পালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা জামায়াত আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান, ইসলামী ঐক্যজোট সভাপতি হাফেজ ছালামত উল্লাহ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল জি.এম রহিমুল্লাহ, খেলাফত মজলিস সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার কামাল মঞ্জু, ইসলামী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক মৌলানা ইয়াছিন হাবিব, এলডিপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, কক্সবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছলিম উল্লাহ বাহাদুর, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট নুরুল আলম, আবু ছিদ্দিক ওসমানী, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল হুদা চৌধুরী, শহর জামায়াত আমীর অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি মৌলানা আলমীগর, জেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অধ্যাপক আজিজুর রহমান, জেলা মৎস্যজীবিদলের সভাপতি হামিদ উদ্দিন ইউসুফ গুন্নু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম. মোকতার আহমদ, জেলা মহিলা দলের আহবায়ক ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আকতার বকুল, ছাত্রদল নেতা রাশেদুল হক রাসেল, শাহিনুল ইসলাম শাহীন ও জোট ভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিভিন্ন পেশজীবি শ্রেনীর প্রতিনিধিরা গনঅনশনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। এতে সভাপতির বক্তব্যে শাহজাহান চৌধুরী সরকারের সমালোচনা করে বলেন- নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনের দাবী মেনে নিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথ রুদ্ধ না করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। জাতীয়তাবাদী শক্তি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনেই সরকারকে ভালো পথে আনতে চায়। এজন্য কর্মসূচী পালনে নমনীয়তা ও কঠোরতা দুটিই গ্রহণ করা হচ্ছে। সরকারকে হুশিয়ারী দিয়ে তিনি বলেন, একবিংশ শতাব্দী স্বৈরাচারীদের নয়। বিশ্বব্যাপী এটাই সত্য প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশে চলমান স্বৈরাচারও টিকতে পারবে না। গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে সঠিকভাবে চলতে দিন। আপনারা মানুষের সমর্থন হারিয়ে ফেলেছেন। বিগত সাড়ে তিন বছরে সরকার কোন উন্নয়ন করতে পারেনি। প্রশাসনের সবখানে দূনীর্তিতে ভরে গেছে। এজন্য এখন মানুষ পরিবর্তন চায়। আর বিএনপি গণতান্ত্রিক নিয়মে পরিবর্তনে বিশ্বাস করে। তিনি ইলিয়াস আলী সহ ১১৭ জন বিএনপি নেতাকর্মী গুমের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আরো বলেন- নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে চায়। কিন্তু সরকার তা চায় না। শুধু বিরোধীদলের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন নয়, গ্যাস বিদ্যুৎ ও শেয়ারবাজারের অস্থিরতার কথাও আমরা ভুলিনি। এসবের জবাব আন্দোলনের মাধ্যমে দেয়া হবে। তিনি বলেন, সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নে যখন হিউম্যান রাইটসসহ বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা উদ্বিগ্ন, তখন বিরোধীদলীয় নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। এতে আন্দোলন বন্ধ হবে না। আরও কঠিন হবে। তিনি জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, ইলিয়াস আলীর সন্ধান, জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত্ব মুক্তির দাবীতে কেন্দ্রীয়
কর্মসূচীর অংশ হিসাবে গতকাল স্থানীয় পাবলিক লাইব্রেরী ময়দানে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত গণ অনশন কর্মসূচী পালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা জামায়াত আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান, ইসলামী ঐক্যজোট সভাপতি হাফেজ ছালামত উল্লাহ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল জি.এম রহিমুল্লাহ, খেলাফত মজলিস সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার কামাল মঞ্জু, ইসলামী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক মৌলানা ইয়াছিন হাবিব, এলডিপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, কক্সবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছলিম উল্লাহ বাহাদুর, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট নুরুল আলম, আবু ছিদ্দিক ওসমানী, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল হুদা চৌধুরী, শহর জামায়াত আমীর অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি মৌলানা আলমীগর, জেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অধ্যাপক আজিজুর রহমান, জেলা মৎস্যজীবিদলের সভাপতি হামিদ উদ্দিন ইউসুফ গুন্নু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম. মোকতার আহমদ, জেলা মহিলা দলের আহবায়ক ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আকতার বকুল, ছাত্রদল নেতা রাশেদুল হক রাসেল, শাহিনুল ইসলাম শাহীন ও জোট ভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিভিন্ন পেশজীবি শ্রেনীর প্রতিনিধিরা গনঅনশনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। এতে সভাপতির বক্তব্যে শাহজাহান চৌধুরী সরকারের সমালোচনা করে বলেন- নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনের দাবী মেনে নিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথ রুদ্ধ না করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। জাতীয়তাবাদী শক্তি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনেই সরকারকে ভালো পথে আনতে চায়। এজন্য কর্মসূচী পালনে নমনীয়তা ও কঠোরতা দুটিই গ্রহণ করা হচ্ছে। সরকারকে হুশিয়ারী দিয়ে তিনি বলেন, একবিংশ শতাব্দী স্বৈরাচারীদের নয়। বিশ্বব্যাপী এটাই সত্য প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশে চলমান স্বৈরাচারও টিকতে পারবে না। গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে সঠিকভাবে চলতে দিন। আপনারা মানুষের সমর্থন হারিয়ে ফেলেছেন। বিগত সাড়ে তিন বছরে সরকার কোন উন্নয়ন করতে পারেনি। প্রশাসনের সবখানে দূনীর্তিতে ভরে গেছে। এজন্য এখন মানুষ পরিবর্তন চায়। আর বিএনপি গণতান্ত্রিক নিয়মে পরিবর্তনে বিশ্বাস করে। তিনি ইলিয়াস আলী সহ ১১৭ জন বিএনপি নেতাকর্মী গুমের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আরো বলেন- নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে চায়। কিন্তু সরকার তা চায় না। শুধু বিরোধীদলের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন নয়, গ্যাস বিদ্যুৎ ও শেয়ারবাজারের অস্থিরতার কথাও আমরা ভুলিনি। এসবের জবাব আন্দোলনের মাধ্যমে দেয়া হবে। তিনি বলেন, সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নে যখন হিউম্যান রাইটসসহ বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা উদ্বিগ্ন, তখন বিরোধীদলীয় নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। এতে আন্দোলন বন্ধ হবে না। আরও কঠিন হবে। তিনি জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান।


0 Comments