Advertisement

চট্রগ্রামে সর্ববৃহৎ ইয়াবা চালান ও গডফাডার আটক করার পর টেকনাফ সীমান্তে তোলপাড় শুরু


আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ
দেশের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান চট্রগ্রামে র‌্যাব-১ কর্তৃক আটক হবার পর টেকনাফ সীমান্তে তোলপাড় শুরু হয়েছে। মিয়ানমার থেকে বরই বস্তার ভিতর ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবার
সর্ববৃহৎ চালান টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে চট্রগ্রামের আসাদগঞ্জ থেকে র‌্যাব-১ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করে প্রশংসিত হয়েছেন। এখবর টেকনাফ সীমান্তে পৌছার পর ইয়াবার গডফাদার ও ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিয়েছে। ইতি পূর্বে টেকনাফ স্থল বন্দর দেিয় ইয়াবা পাচার সংক্রান্ত ব্যাপারে বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশিত হবার পর চট্রগ্রামে র‌্যাব-১ কর্তৃক চাঞ্চল্যকর ইয়াবাসহ ৪ জন আসামীর খবরটি সত্য প্রমাণিত হলো। বাংলাদেশ মিয়ানমার পর্যায়ে শক্তিশালী এর ইয়াবার গডফাদার দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবা পাচার করে আসছে। ওয়া সীমান্ত বাণিজ্যের ব্যাপারে ইয়বা পাচার করে আসলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অগোচরে  ধরা ছোয়ার বাইরে ছিল। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওয়া ক্ষমতাসীনদলে কতিপয় প্রভাবশালী নেতারা আশ্রয় ও পশ্রয়ের বীর দর্পে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিল । এতে করে ইয়াবা ব্যবসা বিস্তার লাভ করে দেশের আনাচে কানাছে। সীমান্ত এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে দেশের সর্বমৃহৎ ইয়বার চালানটি টেকনাফ স্থল বন্দর থেকে আমাদানী পণ্যের ভিতর পাচার হয়ে যাবার প্রাক্কালে কেন? গোয়েন্দার সংস্থার এবং আইন প্রয়োগকারীরা  জানলনা- তাহা নিয়ে সবাইকে রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে। সর্ববৃহৎ এ ইয়াবার চালানটি চট্রগ্রামে আটক হবার পর সীমান্ত এলাকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বেশ তৎপর রয়েছে। এদিকে টেকনাফ থানার পুলিশ গত ১৭ মে দিবাগত রাত্রে টেকনাফ পৌর এলাকর পুরাতন পল্লান পাড়ার জনৈক্য মো: আইউব(৫৬)কে সন্দেহ জনক ভাবে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে উপরের নির্দেশে মো: আইউবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চট্রগ্রামে র‌্যাব-১ কর্তৃক  ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা এবং আটককৃত গডফাদারদের সাথে সংশ্লিষ্ট তার অভিযোগ রয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে টেকনাফ সীমান্ত এলাকার ইয়াবা গডফাদার এর ব্যবসায়ীরা আত্মগোপন করে গা ঢাকা দিয়েছে। উল্লেখ্য টেকনাফ সীমান্ত এলাকার বিজিবি ও কোষ্ট গার্ড কর্তৃক পৃথক অভিযানে ইয়াবার বড় চালান জ্বদ হলেও এর সাথে জড়িত মূল হোতারা ছিল ধরাছোয়ার বাইরে। এদিকে  ৪২ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদর দপ্তরের অধিনায়ক মো: জাহদে হাসান জানিয়েছেন বিজিবি বিগত ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত স্থল ও নৌপথে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা জব্দ করেছিল।

Post a Comment

0 Comments