রামু প্রতিনিধি
রামু উত্তর চাকমারকুল এলাকার লেয়াকত আলীর মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রী তাজকিয়া আক্তার দীর্ঘ ২০দিন পর উদ্ধার হল রামু ফতেখাঁরকুল ইউপি সদস্য
মনির আহম্মদের পুত্র আতিক উল্লাহ বাড়ি থেকে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় রামু কলঘর আবুবক্কর ছিদ্দিকা (রা) মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর পড়–য়া ছাত্রী ও তার বড় বোন গত ১০ই এপ্রিল মাদ্রাসা থেকে প্রাইভেট পড়ে বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চাকমারকুল মোহাম্মদপুর এলাকার নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের উত্তর ফারিকুল এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির আহাম্মদের ৩য় পুত্র বকাটে ও সন্ত্রাসী মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ, মোহাম্মদ মোস্তফার ছেলে মোহাম্মদ কাওছার,ওমর আলীর পুত্র মিজানুর রহমানসহ আরো সঙ্গীয় বন্ধুদের নেতৃত্বে রিক্সার গতি রোধ করে লেয়াকত আলীর ১৩ বছরের মাদ্রাসা পড়–য়া কন্যাকে জোরপুর্বক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। পড়ে ছাত্রীর পিতা লিয়াকত আলী বাদী হয়ে অপহরনের ঘটনার ব্যাপারে রামু থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে পুলিশ দীর্ঘ ২০দিন পর গত ১লা মে রাত ১২.১৫ ঘটিকার সময় অপহরনকরী মনির মেম্বারের পুত্র আতিক উল্লাহর বাড়ি থেকে মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রী তাজকিয়া আক্তারকে উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত ছাত্রী জানান মাদ্রাসা থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে তাকে রিক্সা থেকে জোর পুর্বক নামিয়ে তার বড় বোন রিনা আক্তারকে ধাক্কা দিয়ে আতিক উল্লাহ গং এর নেতৃত্বে মুখ চেপে ধরে সি.এন.জি তে তুলে প্রথমে রামু রাজারকুল চিকলঘাট ব্রিচ সংলগ্ন এলাকায় এক বাড়িতে রাখার পর ২য় দিন তাকে কক্সবাজারে নিয়ে যায়। এর ২ দিন পর লোহাগাড়া নামক স্থানে ৬ দিন রাখার পরে তাকে পুনরায় রামু উত্তর ফারিকুল অপহরনকারী আতিক উল্লাহর বাড়িতে নিয়ে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে উক্ত মনির মেম্বারের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে রামু থানায় নিয়ে আসে বলে জানায় অপহৃত মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রী তাজকিয়া আক্তার । উক্ত ঘটনার ব্যাপারে রামু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত/০৩) এর ৯/৩০/৯(১) ধারায় তিন জনকে আসামী করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

0 Comments