সেলিম উদ্দীন
ঈদগাঁও পুলিশ জব্দকৃত নকল কোমল পানীয় বোতল ও মদের গন্ধে তদন্ত কেন্দ্র ও ইউনিয়ন পরিষদে আগত বিচার প্রার্থী ও সেবা গ্রহীতাদের চলাফেরা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অন্যাদিকে বিলাস বহুল নোহা ও কার গাড়ীর এক একটি যন্ত্রাংশ দিনকে দিন খোয়া যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ক্যাম্পের পাশে পড়ে থাকার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক লোক জানান। ইনচার্জ মোঃ কবির হোসেনের কক্ষ সংলগ্ন বারান্দায় এসব নকল কোমল পানীয়ের বোতল বেশ কিছুদিন যাবৎ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। এসব বোতলের ছিপি ও প্লাষ্টিক জার ফেটে গিয়ে নকল পানীয়ে সয়লাব হয়ে গেছে। গরমের তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এসব বোতল থেকে অসহ্য দূর্গন্ধ বের হয়। অন্যদিকে আটক মদ ভর্তি নোহা গাড়ী থেকে প্রতিদিন ফোটা ফোটা করে মদ সরতে ও দেখা যাচ্ছে। এসব মদ সংগ্রহ করতে গাড়ির নিচে খালি প্লাষ্টিকের বোতল বসিয়েছে বাজারের কে বা কারা। তদন্ত কেন্দ্রে আসা সেবা গ্রহীতা গোমাতলীর কালু, নাপিতখালীর ছলিম উল্লাহ ও পোকখালীর রহমত জানান, পুলিশ ক্যাম্পে একি অবস্থা? এক পাশে মদের গন্ধ অন্য পাশে নকল পানীয় বোতলের দূর্গন্ধ। এ যেন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের কাহিল অবস্থা। সেবা নিতে গিয়ে পড়েছি বেকায়দায়। ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিতে এসে ভাদীতলার তাজ নুর বেগম জানান, ‘‘অ বাজি এড়ে মদর বাসত পরি তাইক্য দেনে, আগে ইন চাফ গর পরে কার্ড লয়ুম’’ অর্থাৎ বাবা মদের গন্ধের মধ্যে পড়ে থাকছ, আগে এগুলি পরিস্কার কর পরে কার্ড নেব। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশী হেফাজতে থাকা বিলাস বহুল কার ও নোহা গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ ইতিমধ্যে খোয়া যেতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ডেক্স সেট, ব্যাটারী, লোকিং গ্লাস,স্পিয়ার চাকা ও বিভিন্ন পাটর্স রয়েছে।
ঈদগাঁও পুলিশ জব্দকৃত নকল কোমল পানীয় বোতল ও মদের গন্ধে তদন্ত কেন্দ্র ও ইউনিয়ন পরিষদে আগত বিচার প্রার্থী ও সেবা গ্রহীতাদের চলাফেরা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অন্যাদিকে বিলাস বহুল নোহা ও কার গাড়ীর এক একটি যন্ত্রাংশ দিনকে দিন খোয়া যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ক্যাম্পের পাশে পড়ে থাকার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক লোক জানান। ইনচার্জ মোঃ কবির হোসেনের কক্ষ সংলগ্ন বারান্দায় এসব নকল কোমল পানীয়ের বোতল বেশ কিছুদিন যাবৎ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। এসব বোতলের ছিপি ও প্লাষ্টিক জার ফেটে গিয়ে নকল পানীয়ে সয়লাব হয়ে গেছে। গরমের তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এসব বোতল থেকে অসহ্য দূর্গন্ধ বের হয়। অন্যদিকে আটক মদ ভর্তি নোহা গাড়ী থেকে প্রতিদিন ফোটা ফোটা করে মদ সরতে ও দেখা যাচ্ছে। এসব মদ সংগ্রহ করতে গাড়ির নিচে খালি প্লাষ্টিকের বোতল বসিয়েছে বাজারের কে বা কারা। তদন্ত কেন্দ্রে আসা সেবা গ্রহীতা গোমাতলীর কালু, নাপিতখালীর ছলিম উল্লাহ ও পোকখালীর রহমত জানান, পুলিশ ক্যাম্পে একি অবস্থা? এক পাশে মদের গন্ধ অন্য পাশে নকল পানীয় বোতলের দূর্গন্ধ। এ যেন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের কাহিল অবস্থা। সেবা নিতে গিয়ে পড়েছি বেকায়দায়। ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিতে এসে ভাদীতলার তাজ নুর বেগম জানান, ‘‘অ বাজি এড়ে মদর বাসত পরি তাইক্য দেনে, আগে ইন চাফ গর পরে কার্ড লয়ুম’’ অর্থাৎ বাবা মদের গন্ধের মধ্যে পড়ে থাকছ, আগে এগুলি পরিস্কার কর পরে কার্ড নেব। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশী হেফাজতে থাকা বিলাস বহুল কার ও নোহা গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ ইতিমধ্যে খোয়া যেতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ডেক্স সেট, ব্যাটারী, লোকিং গ্লাস,স্পিয়ার চাকা ও বিভিন্ন পাটর্স রয়েছে।

0 Comments