এম.রায়হান চৌধুরী চকরিয়া
কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলায় ২০১১-২০১২ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচীর আওতায় ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত
মহিলা মেম্বার বুলবুল আক্তারের স্বামী আওয়ামীলীগ নামধারী মনির আহমদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ। সূত্রে জানা যায়, রাস্তার কাজের অনুপস্থিত শ্রমিকের উপস্থিতি দেখিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন, শ্রমিকের বেতন থেকে টাকা কর্তন, মহিলা ও পুরুষ শ্রমিকের সাথে মদপান করে অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ, বিভিন্ন সংস্থা থেকে টাকা নিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওয়ার্ডের পুরুষ মহিলার আইডি কার্ড নিয়ে টাকা আদায়, সরকারী কাজের শ্রমিক নিজের বাড়ীর কাজে ব্যবহার সহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। গত ১২ই মে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারীভাবে শ্রমিকের ৪৫ জনের নামের তালিকা থাকলেও তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মুদির ছড়া সড়কে ১৮ জন পুরুষ ও ১১ জন মহিলা শ্রমিক কাজ করে ৬ জন পুরুষ শ্রমিক মহিলা মেম্বারের বাড়ীর পাশে কাজ করে। শ্রমিকদের মাঝি ও অসংখ্য শ্রমিকের অভিযোগ ১০/১২ জন শ্রমিক প্রত্যেক দিন অনুপস্থিতে উপস্থিত দেখিয়ে এক জন শ্রমিকের দৈনিক বেতন ১৭৫ টাকা সরকারীভাবে ৮ দিনের বেতন এক সাথে ব্যাংক থেকে জন প্রতি ১৪০০ টাকা উত্তোলন করে। এভাবে ৮ দিনে জন প্রতি ১৪০০ টাকা করে অনুপস্থিত ১২ জনের বেতন প্রায় ১৬৮০০ টাকা উত্তোলন করে উত্তোলনের টাকা হইতে অনুপস্থিত ১২ জন প্রতি ২০০ টাকা করে দেয় যাতে তারা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে দেয় ও জনগণের কাছে মুখ না খুলে। অভিযুক্ত মহিলা মেম্বার বুলবুল আক্তারের স্বামী মনির আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে আসল ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার জন্য পূর্বের কাজ দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সরকারীভাবে ৪৫ জন শ্রমিকের মধ্যে মুদিরছাড়া সড়কে ২৯ জন, বাড়ীর পার্শবর্তী ৬ জন এবং নিজে সহ ৩৬ জনের হিসাব দিলেও বাকি শ্রমিকের কোন হিসাব দিতে পারে নাই। এই দিন টেক অফিসার বা তার কোন প্রতিনিধি ও মহিলা মেম্বার বা তার কোন প্রতিনিধি সরকারী কর্মসূচীর কাজ দেখতে যায়নি বলে শ্রমিকের দাবী। এ ব্যাপারে উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার ও প্রকল্পের ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের টেক অফিসার নিরেন্দ্র বাবুর মোবাইলে বার বার ফোন করলেও সে রিসিভ করে না।

0 Comments