মোবারক উদ্দিন নয়ন
কক্সবাজার শহরের পত্রিকা অফিসে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে পত্রিকার প্রধান সম্পাদকসহ ৩ জনকে গুরুতর আহত করেছে। ৬ মে রাত ১০ টায় এ ঘটনা ঘটে। এ
নিয়ে সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজর সদর মডেল থানার পেছনের গলিতে অবস্থিত স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক কক্সবাজারবাণী অফিসে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালায়। তারা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ফরিদুল মোস্তফা খানকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। একই সময় ঐ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবাল ও সম্পাদকের স্ত্রীর উপর ও হামলা চালায় সন্ত্রসীরা। সেই সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে পত্রিকা অফিস ভাংচুর চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসময় সাংবাদিকদের শোর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা সিএনজি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহতদের প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল পরে ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে পত্রিকা অফিসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার খবর পেয়ে গুরুতর আহত কক্সবাজার বাণীর সম্পাদক ফরিদুল মোস্তফা ও আতাহার ইকবালকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সহ অসংখ্য সংবাদকর্মী। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন কক্সবাজারের বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিকরা। তারা পত্রিকার অফিসে সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। অন্যথায় কঠোর প্রতিবাদ কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে বলে হুশিয়ারী উচ্ছারণ করেন সাংবাদিক নেতারা।
কক্সবাজার শহরের পত্রিকা অফিসে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে পত্রিকার প্রধান সম্পাদকসহ ৩ জনকে গুরুতর আহত করেছে। ৬ মে রাত ১০ টায় এ ঘটনা ঘটে। এ
নিয়ে সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজর সদর মডেল থানার পেছনের গলিতে অবস্থিত স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক কক্সবাজারবাণী অফিসে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালায়। তারা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ফরিদুল মোস্তফা খানকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। একই সময় ঐ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবাল ও সম্পাদকের স্ত্রীর উপর ও হামলা চালায় সন্ত্রসীরা। সেই সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে পত্রিকা অফিস ভাংচুর চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসময় সাংবাদিকদের শোর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা সিএনজি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহতদের প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল পরে ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে পত্রিকা অফিসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার খবর পেয়ে গুরুতর আহত কক্সবাজার বাণীর সম্পাদক ফরিদুল মোস্তফা ও আতাহার ইকবালকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সহ অসংখ্য সংবাদকর্মী। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন কক্সবাজারের বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিকরা। তারা পত্রিকার অফিসে সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। অন্যথায় কঠোর প্রতিবাদ কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে বলে হুশিয়ারী উচ্ছারণ করেন সাংবাদিক নেতারা।


0 Comments