উপাসনালয় পরিদর্শনকালে শেখ ওয়াহিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনপদ কক্সবাজারে বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের সম্প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থান পর্যটন শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত করবে। এতে বিশ্ব পর্যটকদের কাছে এই জেলার সুনাম বৃদ্ধি
পাবে। ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব হবে সুদূর প্রসারী এবং ইতিবাচক। গতকাল শহরের জয়ামুখ বৌদ্ধবিহার পরিদর্শনকালে বিশ্ব মানবাধিকার ও পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা ও সাউথ এশিয়ান কালচারাল সোসাইটি বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বংশের কৃতি সন্তান শেখ ওয়াহিদুজ্জামান আল ওয়াহিদ এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থার মহাসচিব নাসির উদ্দিন সিকদার,
জাতীয় মহিলা সংস্থা ও মহিলা আওয়ামীলীগ কক্সবাজার জেলা সভানেত্রী, জাতীয় খ্যাতি সম্পন্ন নারী নেত্রী কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার জেলা সভাপতি রফিকুল আলম মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন ছিদ্দিকি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুসহ শহরের বৌদ্ধবিহার, ক্রিশ্চিয়ান ব্যাপ্টিস্ট চার্চ পরিদর্শন করেন। এসময় তারা মিয়ানমার থেকে আসা বৌদ্ধ ধর্ম নেতা উ সুবর্ণ মহাথেরর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। বিহারাধ্যক্ষ জ্যোতি পাল মহাথের, মহাসিং দো গ্রী কমিটির সভাপতি উ ক্য ছিং, সাধারণ সম্পাদক ডা. মায়েঁ নু, সহ-সভাপতি নেন এ খাইন এর সাথে মতবিনিময়কালে শেখ ওয়াহিদ আরো বলেন বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত, এই সুনাম অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলেরই।
পরে তারা শহরের বাহারছড়াস্থ ক্রিশ্চিয়ান চার্চ পরিদর্শনকালে তত্ত্বাবধায়ক মেরী দাশসহ অন্যান্যদের সাথে মতবিনিময় করেন। আজ বিকাল ৪টায় কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে উক্ত নেতৃবৃন্দ ‘পর্যটন বিকাশে সম্প্রীতি ও পরিবেশ সুরক্ষা’ সেমিনার, গুণিজন সম্মাননা ও নবগঠিত জেলা কর্মপরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন। এতে উপস্থিত থাকার জন্য জেলার সকল শ্রেণি পেশার মানুষের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা সভাপতি রফিকুল আলম মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন ছিদ্দিকি।

0 Comments