ফরিদুল মোস্ত্মফা খান
পর্যটন রাজধানী কঙ্বাজার শহরের লালদীঘি সংলগ্ন কয়েকটি হোটেল নামের পতিতালয়সহ শহরের অলিগলি ও বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাড়িতে জমজমাট হয়ে উঠেছে মাদক ও পতিতা
ব্যবসা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এইসব নিয়ন্ত্রণে যারা বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার কথা ছিল, সেই থানা পুলিশ দিবালোকের মত প্রকাশ্যে এইসব কু-কর্ম থেকে মাসিক মাসোহারা নিচ্ছে। জানা গেছে, শহরের নজরম্নল, আহসান, সাতকানিয়া বোর্ডিংসহ থানা এলাকার বিভিন্ন মাদক, জুয়া ও পতিতার আখড়া থেকে ওসি মডেল থানার মাসিক উপার্জন প্রায় ২০ লÿ টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
সুত্র মতে, লালদীঘির চিহ্নিত বোর্ডিং গুলোতে পতিতা ব্যবসা করতে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে মাসিক ৫০/৬০ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয় ওসিকে। প্রতি রাতে যেখানে জুয়া খেলার বোর্ড বসে সেখান থেকে দিতে হয় দৈনিক ভিত্তিতে ১০/২০ হাজার টাকা করে। সবমিলিয়ে এইসব অপকর্মের আখড়া থেকে অলিখিত চুক্তিমত টাকা না পেলেই ÿিপ্ত হয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। থানায় নতুন ওসি আসলে পূর্বের ঘুষের রেইট আরও বাড়ানোর জন্য হয় অভিযান। মাস খানেক আগে সদর মডেল থানায় যোগদান করেই প্রথমেই এই রকম একটি লোকদেখানো অভিযান করেছিল সদর মডেল থানায় বর্তমানে কর্মরত বহুল আলোচিত ওসি কামরম্নল হাসান। আগের ঘুষের রেইটের চেয়ে আরও বেশি রেইট বাড়ানোর জন্য ওসির নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানেও পুলিশ হোটেল ব্যবসায়ীদের নারী নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন আইন ও রিমান্ডের হুমকি ধমকি দিয়ে এক রাতে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি টাকা উপার্জন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এইসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি মডেল থানা সবসময় নিজেকে ফেরেস্ত্মার মত সৎ দাবি করেন। প্রশ্ন করলে বলেন, পতিতা সংক্রান্ত্ম বিষয়ে আমাদের তৈরিকৃত আইনে গলদ আছে। শয়তানের শ্রম্নতিমধুর ও যৌক্তিক ব্যাখ্যার মত এইসব কাহিনী থানার ওসি প্রায় শোনালেও কোন দিনই বন্ধ হয়না এই অনৈতিক কারবার।
ব্যাপক খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে পর্যটন শহর কঙ্বাজারে প্রায় অর্ধ-শতাধিক স্পটে জোরে-শোরে চলছে অপকর্ম। এই কাজে জড়িতরা গড়ে তুলেছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এইসব অপকর্মে অসৎ পুলিশের পাশাপাশি কিছু মুখোশধারী দালাল ও সাংবাদিক পরিচয়ী চাটুকার শ্রেণীর খদ্দের জড়িত রয়েছে। তাদের গড়ে তোলা নেটওয়ার্ক সরাসরি আন্ডার ওয়ার্ল্ড এর সঙ্গে জড়িত বলেও জানা গেছে। সুত্র জানায়, এইসব অপরাধীরা প্রশাসনের কঠোরতার সময় রং পাল্টিয়ে সাময়িক ভাল হয়ে গেলেও পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে আবার মাথাচড়া দিয়ে উঠে। কিছুদিন আগে বর্তমান এসপি সেলিম মোঃ জাহাঙ্গীর আতঙ্কে তারা ব্যবসা কিছুটা গুটিয়ে আনলেও নতুন ওসির কাছে বর্তমান এসপির চেয়ে বড় বড় অফিসারদের সাথে হাত রয়েছে বলে নিজেকে জাহির করে অপরাধীদের চাঙ্গা করে রেখেছে। মাসে মাসে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সমস্ত্ম অপরাধের আলোচনা উঠে আসলে সিদ্ধান্ত্ম হয় তা প্রতিরোধের। কিন্তু বাস্ত্মবতায় দেখা যায়, মাঠ পর্যায়ে যাকে দিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে, তিনি নিজেই এসব কু-কর্মের সাথে জড়িত। ওয়াকিবহাল সুত্র জানায়, দিনে আইনের পোশাক পড়লেও রাতে অনেক পুলিশ সদস্য নিয়মিত মদ্যপান ও পতিতাবৃত্তিতে জড়িত থাকে। কেউ কেউ ভয়ঙ্কর মাদক ইয়াবা সেবন ও বিকিকিনিতে জড়িত। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তারা এ সুযোগ ভোগ করলেও কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো তার বিরম্নদ্ধে অপবাদের পাশাপাশি নানা পেইন্ডিং মামলায় ধরে চালান দেয়া হয়। এ ব্যাপারে ওসি কামরম্নল হাসানের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করলে তিনি এ ব্যাপারে লেখালেখি না করে লাইনে আসার পরামর্শ দেন। অন্যথায়, ওসি সুযোগ বুঝে শায়েস্ত্মা করতে জানেন বলেও হুমকি দিয়ে ফোন কাটেন।
পর্যটন রাজধানী কঙ্বাজার শহরের লালদীঘি সংলগ্ন কয়েকটি হোটেল নামের পতিতালয়সহ শহরের অলিগলি ও বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাড়িতে জমজমাট হয়ে উঠেছে মাদক ও পতিতা
ব্যবসা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এইসব নিয়ন্ত্রণে যারা বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার কথা ছিল, সেই থানা পুলিশ দিবালোকের মত প্রকাশ্যে এইসব কু-কর্ম থেকে মাসিক মাসোহারা নিচ্ছে। জানা গেছে, শহরের নজরম্নল, আহসান, সাতকানিয়া বোর্ডিংসহ থানা এলাকার বিভিন্ন মাদক, জুয়া ও পতিতার আখড়া থেকে ওসি মডেল থানার মাসিক উপার্জন প্রায় ২০ লÿ টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
সুত্র মতে, লালদীঘির চিহ্নিত বোর্ডিং গুলোতে পতিতা ব্যবসা করতে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে মাসিক ৫০/৬০ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয় ওসিকে। প্রতি রাতে যেখানে জুয়া খেলার বোর্ড বসে সেখান থেকে দিতে হয় দৈনিক ভিত্তিতে ১০/২০ হাজার টাকা করে। সবমিলিয়ে এইসব অপকর্মের আখড়া থেকে অলিখিত চুক্তিমত টাকা না পেলেই ÿিপ্ত হয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। থানায় নতুন ওসি আসলে পূর্বের ঘুষের রেইট আরও বাড়ানোর জন্য হয় অভিযান। মাস খানেক আগে সদর মডেল থানায় যোগদান করেই প্রথমেই এই রকম একটি লোকদেখানো অভিযান করেছিল সদর মডেল থানায় বর্তমানে কর্মরত বহুল আলোচিত ওসি কামরম্নল হাসান। আগের ঘুষের রেইটের চেয়ে আরও বেশি রেইট বাড়ানোর জন্য ওসির নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানেও পুলিশ হোটেল ব্যবসায়ীদের নারী নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন আইন ও রিমান্ডের হুমকি ধমকি দিয়ে এক রাতে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি টাকা উপার্জন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এইসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি মডেল থানা সবসময় নিজেকে ফেরেস্ত্মার মত সৎ দাবি করেন। প্রশ্ন করলে বলেন, পতিতা সংক্রান্ত্ম বিষয়ে আমাদের তৈরিকৃত আইনে গলদ আছে। শয়তানের শ্রম্নতিমধুর ও যৌক্তিক ব্যাখ্যার মত এইসব কাহিনী থানার ওসি প্রায় শোনালেও কোন দিনই বন্ধ হয়না এই অনৈতিক কারবার।
ব্যাপক খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে পর্যটন শহর কঙ্বাজারে প্রায় অর্ধ-শতাধিক স্পটে জোরে-শোরে চলছে অপকর্ম। এই কাজে জড়িতরা গড়ে তুলেছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এইসব অপকর্মে অসৎ পুলিশের পাশাপাশি কিছু মুখোশধারী দালাল ও সাংবাদিক পরিচয়ী চাটুকার শ্রেণীর খদ্দের জড়িত রয়েছে। তাদের গড়ে তোলা নেটওয়ার্ক সরাসরি আন্ডার ওয়ার্ল্ড এর সঙ্গে জড়িত বলেও জানা গেছে। সুত্র জানায়, এইসব অপরাধীরা প্রশাসনের কঠোরতার সময় রং পাল্টিয়ে সাময়িক ভাল হয়ে গেলেও পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে আবার মাথাচড়া দিয়ে উঠে। কিছুদিন আগে বর্তমান এসপি সেলিম মোঃ জাহাঙ্গীর আতঙ্কে তারা ব্যবসা কিছুটা গুটিয়ে আনলেও নতুন ওসির কাছে বর্তমান এসপির চেয়ে বড় বড় অফিসারদের সাথে হাত রয়েছে বলে নিজেকে জাহির করে অপরাধীদের চাঙ্গা করে রেখেছে। মাসে মাসে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সমস্ত্ম অপরাধের আলোচনা উঠে আসলে সিদ্ধান্ত্ম হয় তা প্রতিরোধের। কিন্তু বাস্ত্মবতায় দেখা যায়, মাঠ পর্যায়ে যাকে দিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে, তিনি নিজেই এসব কু-কর্মের সাথে জড়িত। ওয়াকিবহাল সুত্র জানায়, দিনে আইনের পোশাক পড়লেও রাতে অনেক পুলিশ সদস্য নিয়মিত মদ্যপান ও পতিতাবৃত্তিতে জড়িত থাকে। কেউ কেউ ভয়ঙ্কর মাদক ইয়াবা সেবন ও বিকিকিনিতে জড়িত। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তারা এ সুযোগ ভোগ করলেও কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো তার বিরম্নদ্ধে অপবাদের পাশাপাশি নানা পেইন্ডিং মামলায় ধরে চালান দেয়া হয়। এ ব্যাপারে ওসি কামরম্নল হাসানের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করলে তিনি এ ব্যাপারে লেখালেখি না করে লাইনে আসার পরামর্শ দেন। অন্যথায়, ওসি সুযোগ বুঝে শায়েস্ত্মা করতে জানেন বলেও হুমকি দিয়ে ফোন কাটেন।

0 Comments