Advertisement

কক্সবাজার সৈকতের পাবলিক টয়লেটে পর্যটক হয়রানি চলছে


এম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন,কক্সবাজার:
কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে জেলা পরিষদের পাবলিক টয়লেটে পর্যটক হয়রানি চলছে।  টয়লেট ব্যবহারকারিদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছেঅতিরিক্ত টাকা। সেই সাথে ইজারাদারের নিয়োজিত লোকজনের হাতে পর্যটক নাজেহারের ঘটনাও ঘটছে।
পরিস্কার পরিচ্ছন্নতারঅভাব সহ প্রয়োজন মত পানিও সরবরাহ পাচ্ছে না পর্যটকরা।
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত দেখতে আসা ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের সুবিধার্তেকক্সবাজার জেলাপরিষদের অর্থায়নে লাবণী পয়েন্টে স্থাপন করা হয় পাবলিক টয়লেট। এটি গত ৫ বছর ধরে ইজারাদিয়ে জেলা পরিষদ আয় করছে রাজস্ব।  কিন্তু পর্যটকরা সেখানে কাঙ্খিত সেবাপাচ্ছেনা। ইজারাদারদের দৌরাত্যের কারণে পর্যটন এলাকারভামূর্তিও ক্ষুন্ন হচ্ছে। টয়লেট ব্যবহারকারিদের কাছ থেকে নিদ্দিষ্ট হারে ফি
আদায়ের নিয়ম থাকলেও তা সেখানে মানা হচ্ছে না। ক্ষমতাসীন দলের একটি অংগসংগঠনের এক নেতা এই পাবলিক টয়লেট ইজারা নেন। ওই টয়লেট লোকজনের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে প্রশ্রাব করতে জনপ্রতি ১০টাকা,টয়লেট ব্যবহার করতেও জনপ্রতি ১০টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে। এভাবে মিটা পানিতে পা ধোয়ার জন্যএবং গোসল করতেও একই ভাবে টাকা আদায় করা হয়। 
কয়েকজন পর্যটক জানান,লাবণী পয়েন্টেস্থ সরকারী টয়লেটে যে হারে টাকা আদায় করা হচ্ছে সে অনুপাতে টয়লেট গুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হয়নি। অস্বাস্থ্যকর ও দুর্গন্ধময় পরিবেশে বিরাজ করছে সেখানে। নিরূপায় পর্যটক। প্রকৃতির ডাকেসাড়া দিয়ে ওই সব দুর্গন্ধময় পরিবেশের টয়লেট গুলো ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। 
তারা আরো জানান,টয়লেট গুলোতে প্রয়োজন মত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নেই।  এবিশয়ে প্রশ্ন তুললেই ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে পর্যটকদের হেনস্থা করা হচ্ছে। পাবলিক টয়লেটের পাশ্ববর্তী সৈকত ফাঁড়ির পুলিশ থাকলেও এ সব বিষয়ে অনেক পর্যটক অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি বলে অভিযোগ।
বিষয়টি নজর দেয়ার জন্য সমুদ্র সৈকতে দায়িত্ব প্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।  

Post a Comment

0 Comments