নিজস্ব প্রতিবেদক
টেকনাফের শান্তিপূর্ণ এলাকা নামে পরিচিত হোয়াইক্যং ক্রমশ অশান্ত হয়ে উঠছে। ইয়াবা ব্যবসায়ীরা ঘোলাটে করছে এই পরিবেশ। দিন দিন বাড়ছে অপরাধমূলক কর্মকান্ড।
প্রাপ্ত তথ্যে পাওয়া যায়, প্রকাশ্যে দিন দুপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে ভদ্রতার মুখোশ পড়ে ইয়াবা ছিনতাইকারী সদস্যের কিছু নেতার ইয়াবা ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা। এতে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা পুলিশ সদস্যরা নিরব দর্শকের ভূমিকায়। সরেজমিনে দেখা যায়, গত ১ এপ্রিল ২নং ওয়ার্ডের বিজিবি চেক পোস্ট ও উত্তরপাড়া সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫ হাজার পিছ ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। হোয়াইক্যং পুলিশ বিষয়টি জানার পর, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ ও ছিনতাইকৃত অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবাগুলি উদ্ধারের তৎপরতা চালায়। পুলিশ তদন্তের স্বার্থে ঐ এলাকার জনৈক লাল মোহাম্মদ চৌধুরীর পুত্র শামসুল আলম (৩৫), শফিকুল ইসলাম (২৮) ও আরিফুল ইসলামকে সন্দেহ মূলক পুলিশ ফাঁড়িতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদেরকে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীর চৌধুরীর জিম্মায় বিকালের দিকে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়। কিন্তু উক্ত লাল মোহাম্মদ চৌধুরীর পুত্রদের পুলিশের কাছ থেকে ছাড়ানোর নামে ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল চৌধুরী স্থানীয় নিরহ জনগণকে ক্ষেপিয়ে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে উসকানি দিয়ে প্রতিবাদ সভা ও মিছিল মিটিং করে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করে এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকমের অশ্লীল ভাষায় শ্লোগান দেয়। পুলিশ এ পরিস্থিতি দেখে বোকা বনে যায়। সীমান্তের শান্তিপূর্ণ এই জনপদে এ রকম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় শান্তিাকামী সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

0 Comments