এম রায়হান চৌধুরী
চকরিয়া ও পেকুয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়ন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্য গুদামের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসুচীর বরাদ্ধকৃত টিআর ও কাবিখা’র
চাউল-গম কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি ডিলার সিন্ডিকেট স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের আস্কারায় এ অবৈধ ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে।
জানা গেছে, চলতি ২০১১-১২অর্থ বছর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ও চকরিয়া পেকুয়ার নির্বাচিত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই এমপি’র কোটায় ইতোমধ্যে দু’উপজেলার ২৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় কাজের বিনিময়ে কাবিখা ও টিআর কর্মসুচী’র মাধ্যমে কয়েক হাজার মে:টন খাদ্য সষ্য চাল-গম বরাদ্ধ দেয়। বর্তমানে এসব বরাদ্ধের বিপরীতে প্রায় ইউনিয়নে অবকাঠামোগত ও সড়ক উন্নয়ন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সুত্র জানায়, বাস্তবায়নধীন উন্নয়ন প্রকল্প সমুহের কাজ আগামী জুন মাসে শেষ হবে। বর্তমানে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলমান ও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বেশকজন ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগ করেছেন, এবছর বিএনপি নেতা নুর আহমদ সওদাগর, আ.লীগ সমর্থক ডিলার আবদু রশিদ এর নেতৃত্বে সিন্ডিকেট চক্র চাউল ও গমের (ডিও) বাজার নিয়ন্ত্রন করে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঠিক মুল্য দিচ্ছেনা। আ.লীগ সমর্থিত জনপ্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, সিন্ডিকেট চক্রে দলীয় নেতার যোগসাজশ থাকায় তারা এব্যাপারে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেনা। এমনকি এ কারণে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরাও নিরবতা পালন করছে। তারা বলেন, চক্রটি দুই উপজেলায় এমনভাবে ফাঁদ পেতেছে কেউ ইচ্ছে করলে তাদের ডিঙ্গিয়ে অন্য উপজেলায় বরাদ্ধকৃত চাউল-গমের ওই ডিও বিক্রি করতে পারছেনা। বর্তমানে সিন্ডিকেট চক্রটি বরাদ্ধকৃত চাউল (সিদ্ধ) অজুহাত দেখিয়ে ডিও কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। এ অবস্থার কারণে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বর্তমানে তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, এ অবৈধ ডিও বানিজ্যে লেনদেনের বিনিময়ে এ সিন্ডিকেট চক্রকে অলিখিতভাবে সহায়তা দিচ্ছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্য গুদামের কর্মকর্তারা। এদিকে বিষয়টি প্রসঙ্গে ডিলার আবদু রশিদ স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, পারলে আরো বেশি করে লেখেন। ডিও’র টাকা আমার একা নিচ্ছিনা। ভাগ অনেক জায়গায় দিতে হচ্ছে।

0 Comments