সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কক্সবাজার জেলা আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন,আ’লীগের প্রতিহিংসার রাজনীতি দেশ এগিয়ে যাবার পথে
সবচেয়ে বড় বাধা। তাদের প্রতিহিংসার ছোবলে দেশ জাতি আজ ক্ষতবিক্ষত। পুরনো মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধ বিষয়কে সামনে এনে জাতিকে দ্বিধাবিক্ত করে রাখা হয়েছে। দেশের উন্নয়নে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার কোন পরিকল্পনা আ’লীগের বিধানে নেই। বরঞ্চ দেশ প্রেমিক ও ইসলামী নেতৃত্বকে খতম করে দেওয়ার জন্য ইতিহাসের জঘন্যতম মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করে দেশের সৎ ও যোগ্য নেতৃবৃন্দকে জনগণের সামনে দানবীয়ভাবে উপস্থাপন করা হচেছ। গণতন্ত্রের আড়ালে দেশ ও জাতিকে স্বৈরচারী কায়দায় জিম্মি করে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে আ’লীগের এই অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
তিনি গতকাল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহেশখালী উত্তর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত মাসিক ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য প্রদান করেন। শাখা আমীর জাবের আহমদের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা রশিদ আহমদ, মাওলানা মবিনুল ইলাম,আলহাজ্ব আবদুশ শাকুর,মাষ্টার ছিদ্দিক আহমদ, মুহাম্মদ আলী, মাওলানা বশির আহমদ, মাষ্টার নজরুল ইসলাম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্টির বেহাল অবস্থা দেখার কেউ নেই। আয়ের সাথে ব্যয় মিলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, কাজের অভাব, সংসারের চাহিদা বেশি ইত্যাদি মিলিয়ে সংসার চালাতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠছে। অথচ দেশের কর্তাব্যক্তির লোকদের বস্তা বস্তা টাকা পথে ঘাটে পাওয়া যাচেছ। সরকারের দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতির কারণে দেশ অতল গহ্বরে চলে যাচ্ছে। এভাবে একটা দেশ চলতে পারেনা।
জামায়াত নেতা আরো বলেন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। যুবক সমাজ সহজেই অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। দেশের প্রজন্ম নগ্ন সাংস্কৃতির নীল ধ্বংশনে আক্রান্ত হচ্ছে। নৈতিক বলয় ধ্বংস করার জন্য আ’লীগ সরকার ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করা শুরু করে দিয়েছে। ইসলাম ও রসূলকে নিয়ে কটাক্ষ ও অবজ্ঞা করা হচেছ। সিনেমা ও নাটকে ইসলামী রেওয়াজ ও আলেম ওলামাদেরকে হেয় করা হচেছ। এতে দেশের অভিভাবককুল ও সুশীল সমাজ বিষম চিন্তিত। ইসলাম, ইসলামী রীতিনীতি ও আলেম সমাজের ইজ্জত রক্ষা ও ভবিষ্যত বংশধরদের রক্ষার্থে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী আ’লীগ সরকারের অনৈসলামি করণের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরো বলেন, জাময়াত নেতৃবৃন্দকে প্রত্যান্ত অঞ্চলে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে দেশকে অনৈসলামি করণের কুফল সম্বন্ধে দেশবাসীকে সজাগ করতে হবে। ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। জামায়াতের নেতা কর্মীদেরকে কুরআনের চরিত্রে বলিয়ান হয়ে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হবে।
সমাজের অভাবী দুঃস্থদের মাঝে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষিত কর্মসূচী বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে।

0 Comments