এম. রায়হান চৌধুরী
চকরিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ভূলুণ্ঠিত করে বৈশাখ মাসে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চকরিয়া উপজেলা কমান্ড আয়োজিত স্বাধীনতা মেলার নামে সার্কাসের তাবু জলসায়
রাতভর নগ্ন নৃত্য প্রদর্শণী চলছে। শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় সমূহে ১ম সাময়ীক পরীক্ষা। পাঠ চুকিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে প্রদশর্ণী দেখতে পরীক্ষা সংশ্লিষ্টসহ বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। মেলার সুযোগে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কেপিএস র্যাফেল ড্র নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রতারিত হচ্ছে নিুবিত্ত পরিবারের লোকজন সহ সাধারণ জনতা। সেই সাথে থেমে নেই জুয়াড়িদের জুয়া বাণিজ্য।
সূত্রে জানা গেছে, চিরিঙ্গা মাতামুহুরী ব্রীজের নিচে বৈশাখ মাসে মাস ব্যাপী স্বাধীনতা মেলার আয়োজন করে চকরিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উপজেলা কমান্ড। উক্ত স্বাধীনতা মেলায় স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ক কোন প্রদর্শণী নেই। উল্টো এ দিবসের প্রতি অবজ্ঞা করে বাঙ্গালী জাতির সাংস্কৃতিক উৎসবের বৈশাখ মাসে স্বাধীনতা মেলায় সার্কাসে প্রদর্শিত হচ্ছে নানা ভঙ্গিমায় নগ্ন নৃত্য। ওই সার্কাসে প্রতিদিন গোটা উপজেলায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা মাধ্যমে চলচিত্র শিল্পীদের সুন্দর পরিবেশনার দোহায় দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড লেবেলের কূরুচিপূর্ণ নৃত্য শিল্পীদের দিয়ে নগ্নতা পরিবেশন করার অভিযোগের ঝড় তুলেছে বিনোদনপ্রিয় দর্শণার্থীরা। তাদের আক্ষেপ, পরিবারের সবাই মিলে মনমুগ্ধকর কিছুটা বিনোদনের জন্য সার্কাসে টিকেট কেটে প্রবেশ করে দেখি ওইসব শিল্পীদের নগ্নতা। এদিকে সার্কাসে প্রদর্শিত নামেমাত্র কথিত মডেল তারকাদের অঙ্গ-ভঙ্গিমা দেখতে বাড়ির পড়ালেখার পাঠ খুইয়ে হুমড়ি খেয়ে ঢুকে পড়ছে প্রাথমিক ও উচ্চ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার (১৮এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে ১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণীর প্রথম সাময়ীক পরীক্ষা। এ ধরনের স্বাধীনতা মেলা পরীক্ষার্থীদের ব্যাপক বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করছেন অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল। এসবেও মেলা কর্তৃপক্ষের শেষ নয়, র্যাফেল ড্র’র নামে পুরো উপজেলা ও পৌর শহরের অলি-গলিতে চষে বেড়িয়ে টিকিট বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এতে প্রতারিত হয়ে মাথায় হাত দিয়ে হতাশার চাপ নিয়ে সর্বস্ব খুইয়ে বাড়ি ফিরছে দরিদ্র পরিবারের খেটে খাওয়া সদস্য সহ বিভিন্ন স্থরের অংসখ্য জনসাধারণ। অন্যদিকে মেলা এলাকার ভিতরেই আয়োজক কমিটিকে ম্যানেজ করে জুয়াড়িদের জুয়া বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বেপরোয়াভাবে। অপরদিকে স্বাধীনতা মেলার নামে স্থানীয় সরকারদলীয় নেতার ছত্রছায়ায় এসব আয়োজন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনও নির্বিকার হয়ে পড়েছে। এদিকে মেলা উদ্বোধনের ক’একদিন আগে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে যুব সমাজ বিধ্বংসী নগ্নতা পরিবেশিত হবে এমন আশংকা করে স্থানীয় মুসল্লিরা জুমার নামাজ শেষে মেলার টিনের বেড়া বেষ্টিত কয়েকটি স্টল সেন্টার ভাংচুর করে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ একজনকে আটক করেছে। পরে মেলা আয়োজক কমিটি দু’চার জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত দেড়শ জনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানার একটি দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার জাকির হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেনেছি মেলা সুন্দরভাবে চলছে। তবে নগ্ন নৃত্য পরিবেশনের প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালী’র কাছে মুঠোফেনে জানতে চাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
চকরিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ভূলুণ্ঠিত করে বৈশাখ মাসে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চকরিয়া উপজেলা কমান্ড আয়োজিত স্বাধীনতা মেলার নামে সার্কাসের তাবু জলসায়
রাতভর নগ্ন নৃত্য প্রদর্শণী চলছে। শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় সমূহে ১ম সাময়ীক পরীক্ষা। পাঠ চুকিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে প্রদশর্ণী দেখতে পরীক্ষা সংশ্লিষ্টসহ বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। মেলার সুযোগে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কেপিএস র্যাফেল ড্র নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রতারিত হচ্ছে নিুবিত্ত পরিবারের লোকজন সহ সাধারণ জনতা। সেই সাথে থেমে নেই জুয়াড়িদের জুয়া বাণিজ্য।
সূত্রে জানা গেছে, চিরিঙ্গা মাতামুহুরী ব্রীজের নিচে বৈশাখ মাসে মাস ব্যাপী স্বাধীনতা মেলার আয়োজন করে চকরিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উপজেলা কমান্ড। উক্ত স্বাধীনতা মেলায় স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ক কোন প্রদর্শণী নেই। উল্টো এ দিবসের প্রতি অবজ্ঞা করে বাঙ্গালী জাতির সাংস্কৃতিক উৎসবের বৈশাখ মাসে স্বাধীনতা মেলায় সার্কাসে প্রদর্শিত হচ্ছে নানা ভঙ্গিমায় নগ্ন নৃত্য। ওই সার্কাসে প্রতিদিন গোটা উপজেলায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা মাধ্যমে চলচিত্র শিল্পীদের সুন্দর পরিবেশনার দোহায় দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড লেবেলের কূরুচিপূর্ণ নৃত্য শিল্পীদের দিয়ে নগ্নতা পরিবেশন করার অভিযোগের ঝড় তুলেছে বিনোদনপ্রিয় দর্শণার্থীরা। তাদের আক্ষেপ, পরিবারের সবাই মিলে মনমুগ্ধকর কিছুটা বিনোদনের জন্য সার্কাসে টিকেট কেটে প্রবেশ করে দেখি ওইসব শিল্পীদের নগ্নতা। এদিকে সার্কাসে প্রদর্শিত নামেমাত্র কথিত মডেল তারকাদের অঙ্গ-ভঙ্গিমা দেখতে বাড়ির পড়ালেখার পাঠ খুইয়ে হুমড়ি খেয়ে ঢুকে পড়ছে প্রাথমিক ও উচ্চ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার (১৮এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে ১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণীর প্রথম সাময়ীক পরীক্ষা। এ ধরনের স্বাধীনতা মেলা পরীক্ষার্থীদের ব্যাপক বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করছেন অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল। এসবেও মেলা কর্তৃপক্ষের শেষ নয়, র্যাফেল ড্র’র নামে পুরো উপজেলা ও পৌর শহরের অলি-গলিতে চষে বেড়িয়ে টিকিট বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এতে প্রতারিত হয়ে মাথায় হাত দিয়ে হতাশার চাপ নিয়ে সর্বস্ব খুইয়ে বাড়ি ফিরছে দরিদ্র পরিবারের খেটে খাওয়া সদস্য সহ বিভিন্ন স্থরের অংসখ্য জনসাধারণ। অন্যদিকে মেলা এলাকার ভিতরেই আয়োজক কমিটিকে ম্যানেজ করে জুয়াড়িদের জুয়া বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বেপরোয়াভাবে। অপরদিকে স্বাধীনতা মেলার নামে স্থানীয় সরকারদলীয় নেতার ছত্রছায়ায় এসব আয়োজন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনও নির্বিকার হয়ে পড়েছে। এদিকে মেলা উদ্বোধনের ক’একদিন আগে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে যুব সমাজ বিধ্বংসী নগ্নতা পরিবেশিত হবে এমন আশংকা করে স্থানীয় মুসল্লিরা জুমার নামাজ শেষে মেলার টিনের বেড়া বেষ্টিত কয়েকটি স্টল সেন্টার ভাংচুর করে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ একজনকে আটক করেছে। পরে মেলা আয়োজক কমিটি দু’চার জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত দেড়শ জনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানার একটি দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার জাকির হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেনেছি মেলা সুন্দরভাবে চলছে। তবে নগ্ন নৃত্য পরিবেশনের প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালী’র কাছে মুঠোফেনে জানতে চাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

0 Comments